1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা, ৫ লাখ টাকা কাবিনে দাদির সঙ্গে নাতির বিয়ে - Daily Moon
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা, ৫ লাখ টাকা কাবিনে দাদির সঙ্গে নাতির বিয়ে

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮ View

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে ৫৫ বছরের বিধবা দাদির সঙ্গে ২০ বছর বয়সী নাতির বিয়ে হয়েছে। অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধ’রা পড়ার পর তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার ‘বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃ’ষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ওই তরুণের সঙ্গে বিয়ের পর এলাকায় মি’ষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, নওপাড়া গ্রামের ছামছুদ্দিন ওরফে শামের স্ত্রী শিরীনা আক্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুর র’শিদের ছেলে ফারুক মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা সম্পর্কে দাদি-নাতি। দাদার মৃ’ত্যুর পর থেকে দাদি ও নাতির মধ্যে গোপ’ন প্রেমের

সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে স্থানীয়দের এলাকাবাসীর মধ্যে নানা কানাঘু’ষ া চলছিল। ২ সেপ্টেম্বর রাতে দাদি-নাতির অনৈ’তিক সম্পর্ক ধ’রা পড়ে স্থানীয়দের হাতে। এতে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃ’ষ্টি হয়। এ নিয়ে পরদিন সালিশে বসেন স্থানীয়

গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সেখানে নাতির সঙ্গে দাদির বিয়ে দেওয়ার সি’দ্ধান্ত হয়। তবে বিয়ের সি’দ্ধান্ত হওয়ার পরেই পালিয়ে যান নাতি। এরপর গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই নারীকে যুবকের বাড়িতে দিয়ে আসেন।

এদিকে, একদিন পালিয়ে থাকার পর ৫ সেপ্টেম্বর বাড়িতে ফেরেন ওই যুবক। পরে ওইদিন ফের স্থানীয় গণ্যমান্যরা সালিশে বসে সোমবার দাদির সঙ্গে ওই যুবকের বিয়ের সি’দ্ধান্ত নেন। এরপর গতকাল ‘বিকেলে পাঁচ লাখ টাকা

কাবিনে তাদের বিয়ে হয়। তবে মঙ্গলবার সকালে ওই গ্রামে গিয়ে বিয়ে করা দাদি-নাতিকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ওই যুবকের পরিবারের অ’ভিযোগ, এলাকার ইউপি সদস্য খাইরুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশের মাধ্যমে

জোর করে এ বিয়ে দেন। ওই নারী এ বিয়েতে রাজি ছিলেন না। এ বি’ষয়ে ওই যুবকের বাবা বলেন, ঘটনার পর তিনটা সালিশ হয়েছে। সালিশে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পা পর্যন্ত ধরেছি। এরপরও আমা’র অবিবাহিত ছেলেকে ৫৫ বছর

বয়সী ওই নারীর সঙ্গে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দিয়েছে। ওই যুবকের মা বলেন, সালিশে আমি প্রত্যেকটা মানুষের পায়ে ধরে মাফ চেয়েছি। কিন্তু কেউ আমা’র কথা শোনেননি। ওই নারীও আমা’র ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না,

এরপরও জোর করে বিয়ে দিয়েছেন। আমি এর বিচার চাই। বড়হিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, বি’ষয়টি আমা’র জানা নেই। বিয়ে হয়েছে কি-না তাও বলতে পারব না। আমি বেশ কয়েকদিন ধরে অ’সুস্থ। এ বি’ষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থা’নার ওসি আব্দুল কাদির মিয়া বলেন, বি’ষয়টি আমা’র জানা নেই। এছাড়া থা’নায় কেউ বি’ষয়টি জানাননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony