অবশেষে খোঁজ মিললো ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনের

বালির উপকূলে ডুবে যাওয়া ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনের ধ্বং;;সাবশেষ পাওয়া গেছে। শনিবার ইন্দোনেশিয়ার

নৌবাহিনীর চিফ অব স্টাফ অ্যাডমিরাল ইউদো মারগোনো এ কথা জানিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।   টর্পেডো

 

মহড়ায় অংশ নিয়ে বুধবার নি;খোঁজ হয় কেআরআই নাঙ্গগালা-৪০২ নামের ওই সাবমেরিনটি। সাবমেরিনটিতে ৭২

ঘণ্টার অক্সিজেন ছিল। তিনদিনের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও সাবমেরিনটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে

 

শনিবার ওই সাবমেরিনের ধ্বং;;সাবশেষ পাওয়া গেছে। উ;দ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, তারা সাবমেরিনের ভেতরে

থাকা বিভিন্ন আইটেম যেমন স্পঞ্জেস, গ্রিজ বোতল এবং নামাজের জন্য ব্যবহৃত সামগ্রী পেয়েছেন। তবে এর

ভেতরে থাকা ৫৩ ক্র সদস্যদের দে;হ এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন অ্যাডমিরাল ইউদো। জার্মানির তৈরি

 

কেআরআই নাঙ্গগালা-৪০২ সাবমেরিনটি পানির ৫০০ মিটার নিচে চা;প স;হ্য করার ক্ষমতা রয়েছে। তবে পানির

৮৫০ মিটার নিচে সাবমেরিনটির ধ্বং;;সাবশেষ পাওয়া গেছে। যা তার চা;প স;হ্য করার ক্ষ;মতার চেয়েও অনেক

বেশি নিচে। ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার উ;দ্ধারকারীরা বেশ কয়েকদিন ধরে সাবমেরিনটির খোঁজ চালিয়ে

 

যাচ্ছিল। তাদের হাতে সময় কম ছিল। কারণ সাবমেরিনটিতে তিনদিনের অক্সিজেন মজুদ ছিল। তবে শনিবার

সকালই সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যায়। এর কয়েক ঘণ্টা পর সাবমেরিনের ধ্বং;;সাবশেষ পাওয়া গেলো। শনিবার

ব্যাংকক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির তৈরি কেআরআই নাংগালা-৪০২ সাবমেরিনটিতে

 

বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হলে সর্বোচ্চ তিন দিন অক্সিজেন থাকার ব্যবস্থা ছিল। গত বুধবার ইন্দোনেশিয়ার অন্য

সাবমেরিনগুলোর সঙ্গে টর্পেডো মহড়ায় যোগ দেয়ার কথা ছিল এর। কিন্তু আ;চম;কাই যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে

সেটি। এরপর থেকেই নি;খোঁজ সাবমেরিনের খোঁজে জো;রা;লো অভি;যান শুরু করে ইন্দোনেশিয়া। এতে যোগ

 

দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় প্রতিবেশী সিঙ্গাপুর, ভারত, মালয়েশিয়াও। শুরু থেকেই

বলা হচ্ছিল, হারিয়ে যাওয়া সাবমেরিনটিতে শনিবার ভোর পর্যন্ত টিকে থাকার মতো অক্সিজেন থাকতে পারে। কিন্তু

কিছুক্ষণ আগে সেই সময়ও পার হয়ে গেছে। ইন্দোনেশীয় নৌবাহিনীর মুখপাত্র জুলিয়াস উইদজোজোনো বলেন,

 

এখনও কোনও অগ্রগতি হয়নি। আমরা ওই এলাকায় ত;ল্লা;শি চালিয়ে যাচ্ছি। সাবমেরিনটি নি;খোঁজ হওয়ার পর

সেটি দ্রুত ফিরে পেতে আ;শ্চর্যজন;ক কোনও কিছুর আশা করছিলেন সংশ্লিষ্টরা। সেটি যে স্থান থেকে নিখোঁজ

হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে তেলের চি;হ্নও পাওয়া গেছে। তবে এটিকে খারাপ কিছুর নমুনা বলেই মনে

 

করছেন ফরাসি ভাইস অ্যাডমিরাল জ্যঁ-লুইস ভিশট। তিনি বলেন, তেল ভাসা খারা;প নমুনা। যদি এটি সাবমেরিনের

হয়, তাহলে হয়তো সেখানেই সব শেষ! দুশ্চি;ন্তার আরও একটি কারণ সাগরের গ;ভী;রতা। সাবমেরিনটি যদি ৭০০

মিটার বা তারও নিচে চলে যায়, তাহলে সেটি পানির চা;পেই বি;;ধ্ব;স্ত হতে পারে। ভয়ের বিষয়, বালি দ্বীপের

 

কাছাকাছি যে এলাকায় সাবমেরিনটি ডুবেছে, সেখানে কোথাও কোথাও সাগরের গ;ভী;রতা দেড় হাজার মিটারেরও

বেশি। ৪০ বছরের পুরোনো সাবমেরিনটি কীভাবে ডু;বতে পারে তা নিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্প;ষ্ট কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি

ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ। সেটি অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই হয়ে গিয়েছিল কি না সে প্রশ্নেরও জবাব পাওয়া যায়নি। ইতিহাস

 

বলে, সাবমেরিন দু;র্ঘ;ট;না অত্য;ন্ত ভ;;য়া;ব;হ হয়ে থাকে। ২০০০ সালে রাশিয়ার কার্স্ক সাবমেরিনটি ব্যারেন্ট সাগরে

ডুবে প্রাণ হা;রা;ন এর ১১৮ আরোহীই। তদন্তে জানা যায়, সাবমেরিনটির একটি টর্পেডো বি;;স্ফো;রি;ত হলে

বাকিগুলোতেও বি;;স্ফো;র;ণ ঘটে। এতে বেশিরভাগ আরোহীই সঙ্গে সঙ্গে মা;;রা যান। তবে তাদের মধ্যে

 

কয়েকজন সুরক্ষিত একটি কামরায় আশ্রয় নেন। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। নির্ধারিত সময়ে উ;দ্ধার করতে না

পারায় শ্বা;;সরো;ধ হয়ে মা;;রা যান তারাও। এছাড়া, ২০০৩ সালে চীনের একটি সাবমেরিন দু;;র্ঘ;ট;নায় নি;;হ;ত হন

৭০ জন নৌ কর্মকর্তা। এর পাঁচ বছর পর জাপান সাগরে রাশিয়ার আরেকটি সাবমেরিনে বিষা;ক্ত গ্যা;স নি;সৃত হয়ে

 

মা;;রা যান ২০ জন। আর ২০১৮ সালে আর্জেন্টাইন কর্তৃপক্ষ একটি তাদের একটি ডুবে যাওয়া সাবমেরিনের

ধ্বং;;সাবশেষ খুঁজে পান। সাবমেরিনটি বছরখানেক আগে ৪৪ নাবিক নিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল। তাদের সবাই মা;;রা

গেছেন বলেই ধরে নেয়া হয়।

 

 

Check Also

বিপদে পড়ে ১৬ বছর আগের শপথ ভাঙল ভারত

করোনা মহামারিতে বিদেশি ‘ত্রাণ না নেওয়ার’ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসল ভারত। করোনা সামাল দিতে দেশটিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *