1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
আর ময়দার গোলা খেতে হবে না সাফিয়া-মারিয়াকে, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি - Daily Moon
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

আর ময়দার গোলা খেতে হবে না সাফিয়া-মারিয়াকে, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪ View

অবশেষে হাসি ফুটেছে যমজ শিশু সাফিয়া ও মা’রিয়ার। এখন দুধ খেতে পারছে তারা। অভাবের তাড়নায় দুধ কিনতে না পেরে মা-বাবা গত ৫ মাস পানিতে চালের গু’ঁড়া মিশিয়ে আবার কখনও পানির সঙ্গে আট’া কিংবা ময়দা মিশিয়ে খেতে দিয়েছেন তাদের।

সাফিয়া ও মা’রিয়ার বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রামে। বাবা আনিসুর রহমান মোটরভ্যানচালক। মা স্বপ্না বেগম মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে সাফিয়া ও মা’রিয়ার মুখে খাবার তুলে দেয়ার চে’ষ্টা

করেন। বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ নম্বর বেডে রয়েছে ওই দুই যজম শিশু কন্যা। মান’বিক এ ঘটনাটি নিয়ে “৫ মাস ধরে ময়দা গো’লা পানি খায় যমজ শিশু” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সাফিয়া ও মা’রিয়ার পাশে

দাঁড়িয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।শুক্রবার ‘বিকেলে জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের নির্দেশনায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে শিশু দুটিকে দেখতে যান জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো.আজহার আলী ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মক’র্তা দেবাশীষ চৌধুরী।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও গু’ঁড়ো দুধ তুলে দেয়া হয় দুই শিশুর মা-বাবার হাতে।এছাড়া পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে সেমাই, চিনি, ডাল, চটপটি, বুট, লাইফবয় সাবান, মুড়ি, হুইল পাউডার,

বাদাম ও নুডুলস দেয়া হয়েছে।সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মক’র্তা দেবাশীষ চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, সংবাদটি প্রকাশের পর পরই ঘটনাটি জেলা প্রশাসক স্যারের দৃ’ষ্টিতে আসে। তাৎক্ষণিক নির্দেশে হাসপাতালে গিয়ে শিশু সাফিয়া ও মা’রিয়ার চিকিৎসার সার্’বিক খোঁজ’খবর নেয়া হয়েছে। এখন থেকে প্রশাসন তাদের চিকিৎসা সংক্রা’ন্ত খোঁজ’খবর রাখবে।

তাদের পরিবারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে গু’ঁড়ো দুধ, নগদ অর্থ ও ঈদের শুভেচ্ছা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়েছে। মান’বিক ঘটনাটি তুলে ধ’রার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।সাফিয়া ও মা’রিয়ার মা স্বপ্না বেগম এখন আবেগে আপ্লুত। জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে কেঁদে ফেলেন তিনি। জানান বাচ্চাদের মুখে দুধ দিতে না পারা সেই ক’ষ্টের কথা।

স্বপ্না বেগম বলেন, অভাবের তাড়নায় গত ৫ মাস বাচ্চাদের মুখে দুধ দিতে পারিনি। চালের গু’ড়া, আট’া, ময়দা পানিতে মিশিয়ে খাইয়েছি। এখন অনেকেই খোঁজ নিচ্ছেন। দুধ কিনে দিচ্ছেন।প্রয়োজনীয় সব কিছু দিচ্ছে। এমন হবে আজ সকালেও আমি জানতাম না। বেলা ১২টা পর্যন্তও খাবারের জন্য অ’পেক্ষা করছিল বাচ্চারা। ওদের বাবা কখন সুজি কিনে আনবে। সেটি আমি খাওয়াবে।

এরই মধ্যে সবকিছু বদলে গেল। আমি এখন খুব খুশি। আমা’র কিছু চাওয়ার নেই। বাচ্চারা ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো। যারা খোঁজ’খবর নিচ্ছেন, সহযোগিতা করছেন সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে শিশু দুটির চিকিৎসা

করছেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অ’সীম কুমা’র।তিনি বলেন, শিশু দুটো জন্মের পর থেকে ভালো দুধ বা পু’ষ্টিকর কোনো খাবার না পাওয়ায় অ’সুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রোটিন কমে গেছে তাদের। আমিষজাতীয় কোনো খাবার দুই শিশু পায়নি।

তিনি বলেন, এখন প্রধান কাজ হচ্ছে শিশু দুটিকে ভালো খাবার দেয়া। ভালো খাবার খেয়ে যদি শরীরে প্রোটিন ফিরে পায় তবে সুস্থ হয়ে যাব’ে।পরিবার অভাবি জেনে আমি ওষুধপত্রের ব্যবস্থা করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ফ্রিতে করার ব্যবস্থা করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony