করোনায় আ. লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীর মৃ’ত্যু !

দেশে করোনা ভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে সিটি ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা মা’রা গেছেন।

তার নাম আবু সাঈদ।তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সেন্ট্রাল ক্লিয়ারিং বিভাগের

অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃ’ত্যু’কা’লে তিনি স্ত্রী,

একমাত্র মেয়ে ও বাবাকে রেখে গেছেন।

 

বুধবার সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,

মঙ্গলবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ’ত্যু হয়।

এখন পর্যন্ত করোনা ভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে দুজন ব্যাংক কর্মকর্তার মৃ’ত্যু হয়েছে।

তারা দুজনই সিটি ব্যাংকের।

 

সিটি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সাঈদ গত সপ্তাহে অফিস করেছেন।

সাধারণ ছুটির সময় লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখতে রাজধানীর তিনটি শাখা পরিদর্শন

করে ক্লিয়ারিং বিভাগের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

 

এদিকে মুসতাক কামাল তুহিন নামে আবু সাঈদের এক বন্ধু জানান, বেশ কিছু দিন সর্দি,

কাশি এবং জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে সোমবার দিবাগত রাতে তাকে

রাজধানীর একটি হাসপাতালের আইসিইউয়ে নেয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে তিনি মা’রা যান।

 

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা’ভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত রোগী শনাক্ত হয়।

দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃ’ত্যু’র মিছিলও।

কাউন্সিলর প্রার্থীর মৃ’ত্যু- স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩৭ নম্বর উত্তর

 

মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হোসেন মুরাদ (৫০) কোভিড-১৯ এর উপসর্গ জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মা’রা গেছেন।

বুধবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে মুন্সিপাড়া এলাকার নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। বিষয়টি জাগো

 

নিউজকে নিশ্চিত করেন উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক

আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে হোসেন মুরাদ ভাইয়ের জ্বর ছিল।

রোববার করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন। কিন্তু পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি।

 

এর মধ্যে বুধবার সকালে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। এরপর তিনি মা’রা যান।’

তিনি জানান, করোনা প্রার্দুভাবের কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে

এবার উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন মো. হোসেন মুরাদ।

এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনা’ভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে মা’রা গেছেন ২১ জন।

এছাড়াও করোনা উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশন ওয়ার্ড ও বাড়িতে মা’রা গেছেন আরও ২০ জনের

বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ৭০ জন। বর্তমানে ২৩২ জন রোগী আইসোলেশনে আছেন।

 

হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ২৩৮ জন। প্রা’ণ’ঘা’তী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে

সারাদেশে চলছে ছুটি। বন্ধ বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন।

যদিও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পোশাক কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া গত ১০ মে থেকে শর্তসাপেক্ষে খুলে দেয়া হয়েছে দোকানপাট ও শপিংমলও।

Check Also

বিয়ের অনুষ্ঠানে স্টেজেই বরের ইমামতিতে নামাজ, ছবি ভাইরাল

ইসলামে, বিবাহ হল বিবাহযোগ্য দুইজন নারী ও পুরুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক প্রনয়নের বৈধ আইনি চুক্তি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *