করোনায় মা’রা যাবে বাবা, মেয়ের শেষ ইচ্ছা ছিল বাবাকে দেখার !!

গত ২০ মে  ২০২০- ৪০ বছরের রোগী জীবনের শেষ মুহূর্তে চিকিৎসা নিতে এসেছিল

আমাদের চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতা’লে। রোগীকে প্রথম দেখায় বুঝতে পেরেছিলাম

জীবনের সময় বেশি নেই। তবু চেষ্টা করেছিলাম আমাদের সাম’র্থ নিয়ে

 

রোগীকে বাঁ’চাতে। রোগীর অ’ভিভাবকও বুঝতে পেরেছিল রোগীর পরিণতি।

করো’না টেস্ট হয়নি কিন্তু সকল লক্ষণ করো’নাভাই’রাস জনিত। অবশেষে মা’রাও

গেলেন ১৩.৩০ ঘন্টা পর। রোগীর অ’ভিভাবক হিসেবে সাথে ছিলেন তার স্ত্রী’।

 

স্ত্রী’ কে জিজ্ঞেস করতেই বললো তাদের ৭ বছরের সন্তান আছে।

সাধারণত করো’না জনিত লক্ষণে মা’রা গেলে সিভিল সার্জন অফিসে জানাতে হয়।

পরে সিভিল সার্জন নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দ্রুত দাফন করা হয়। কিন্তু আত্মীয় স্বজন

 

কেউ মৃ’ত ব্যক্তিকে দেখার সুযোগ হয় না। আমি মৃ’ত রোগীর অ’ভিভাবক স্ত্রী’কে

বললাম আপনাদের সন্তানকে তার বাবাকে দেখবে না? উত্তরে বললো বাসায় কেউ

নাই আর কিভাবে আসবে। পরে সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ নিয়ে গেলে সন্তান বাবাকে দেখতে পারবে না।

 

আমি বললাম আপনি বাসায় গিয়ে আপনাদের সন্তানকে নিয়ে আসেন আমাদের

হাসপাতা’লের গাড়ি নিয়ে। তাই হলো, মা সন্তানকে আমাদের গাড়িতে করে নিয়ে আসলো।

সন্তান বাবাকে তার শেষ স্প’র্শ আদর দেওয়ার মুহূর্ত – ( তাদের সন্তান এর সাথে

 

আলাপে তার বাবা সন্তানের অনেক কিছু জানা হলো – ক’ষ্ট হলো অনেক,

৭ বছরের সন্তান তার বাবাকে হারালো )

লেখক: প্রধান উদ্যোক্তা, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Check Also

নিঃস্ব হওয়ার পথে ভারত!

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ বলছে, ভারতে প্রতি সেকেন্ডে চারজন করে নতুন করো’না রোগী শনা’ক্ত হচ্ছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *