1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
গ্রামের মানুষ করোনাকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ভাবছে - Daily Moon
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমি দুঃখিত, লজ্জিত এবং অনুতপ্ত: নিশো ডিমের খোসা দিয়েই তৈরি করুন ত্বকের বিশেষ ফেসপ্যাক মাত্র পাওয়াঃ প্রাথমিকের ২০২২ শিক্ষাবর্ষের জন্য দারুন সুখবর! গা শিউরে ওঠার মত; ৫ ভাইয়ের স’ঙ্গে তরুণীর বিয়ে, বাসর রাতে এবার শিল্পকারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হলেন ব্যবসায়ী নেতারা জে’নে নিন কয়েক সেকেন্ডে মিথ্যাবদী ধরে ফেলার দারুন ১২টি টিপস রাতের আঁধারে ভাঙা রাস্তা মেরামত করছেন নারী, ভাসছেন প্রসংশায় দ্বিতীয় সংসার ভাঙল ন্যান্সীর, আবারও বিয়ের ইঙ্গিত পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেও একজন সফল ‘ফ্রিল্যান্সার’ রেজওয়ান

গ্রামের মানুষ করোনাকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ভাবছে

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
  • ৪ View

দেশে প্রা’ণঘা’তী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তবে শহরের তুলনায় সংক্রমণ এখন গ্রামাঞ্চলেই বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, গ্রামের মানুষ করোনাভাইরাসকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ভাবছে। রোগীর পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করলেই হাসপাতালে আসছেন, কিন্তু ততক্ষণে আর চিকিৎসকদের কিছুই করার থাকছে না।

রোববার (১১ জুলাই) দুপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের আয়োজনে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান। তিনি বলেন, একদম প্রান্তিক পর্যায়ে সংক্রমণ বেড়ে গেছে,

যার ফলে ইউনিয়নে যারা বসবাস করেন তাদের মধ্যে যারা বয়স্ক তারা মৃত্যুবরণ করছে। যারা ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ে বসবাস করেন, তারা করোনা নিয়ে এতটা সচেতন নয়। ওসব এলাকায় তারা আক্রান্ত হলেও মনে করে স্বাভাবিক

জ্বর-সর্দি, কাশি হচ্ছে। যেহেতু এখন বৃষ্টি হচ্ছে, আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে, তাদের ধারণা এটি স্বাভাবিক ব্যাপার। অর্থাৎ তারা মনে করেন তাদের করোনা হয়নি। এবং সে অনুযায়ীই তারা চিকিৎসা করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রামের ওইসব লোকজনের এক পর্যায়ে যখন শ্বাসকষ্ট একদম বেড়ে যায়, তখন তারা হাসপাতালে ছুটে আসে। কিন্তু তখন তাদের ফুসফুসের প্রায় ৭০ শতাংশের মতো আক্রান্ত হয়ে গেছে। তাদের অক্সিজেন নেমে গেছে

৭০ থেকে ৮০ শতাংশে, কিন্তু তখন আর চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। আমাদের চিকিৎসক-নার্সরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও, তখন আর তাদেরকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। জাহিদ মালেক বলেন, আমরা গতকাল এবং

পরশু আমাদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিশেষ করে এলজিআরডি, স্বরাষ্ট্র, তথ্য মন্ত্রণালয়সহ আরও যারা আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা হয়েছে। যেখানে রোগী বেশি ওইসব

এলাকাতে নতুন করোনা হাসপাতাল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পাশাপাশি যে হাসপাতালগুলো রয়েছে, সেগুলোতেও শয্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু হাসপাতালে তো ওই জায়গাটা থাকতে হবে। তবে যতটুকু সম্ভব আমরা বাড়ানোর চেষ্টা করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony