‘চিন্তাও করতে পারিনি মৌসুমটা এত সুন্দর হবে’

শুরুটা ভালো না হলেও মৌসুমের শেষটা শিরোপা উদযাপন দিয়ে রাঙাল বসুন্ধরা কিংস। চোটের কারণে লিগের শুরু থেকেই ছিলেন না তপু বর্মণ। আর মাঝেমধ্যেই চোটে পড়ে ছিটকে যান তারিক কাজী ও খালেদ শাফিই। তাদের অনুপস্থিতিতে কিংসের রক্ষণে নিয়মিত সার্ভিস দিয়েছে বিশ্বনাথ ঘোষ।

নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস ছিল বলেই দুই ম্যাচ হাতে রেখেই লিগ শিরোপা জয় করা সম্ভব হয়েছে মনে করেন জাতীয় দলের এই ডিফেন্ডার।

সাইফ স্পোর্টিংকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শিরোপা নিশ্চির করেছে বসুন্ধরা কিংস। এ নিয়ে টানা তিনটি লিগ জয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ হলো কিংসের। ২০১৯-২০ মৌসুমে কিংসে যোগ দেওয়ার পর দ্বিতীয়বার লিগ শিরোপা জিতলেন বিশ্বনাথ ঘোষ। মৌসুমজুড়েই কিংসের রক্ষণ সামলে রেখেছেন টাঙ্গাইলের এই ফুটবলার।

মুন্সীগঞ্জে উদযাপনের ফাঁকেই এই ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘যখন আমাদের মৌসুম শুরু হয়, তখন তপু এবং আরো অনেকে চোটে পড়ে। তাদের অনুপস্থিতিতে চিন্তাও করতে পারিনি, আমাদের মৌসুমটা এত সুন্দর হবে। প্রথম লেগের শুরুর দিকে তারিক কাজী চোট পেল, খালিদ শাফিইয়ের চোট ছিল, কিন্তু আমাদের নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস ছিল। জানতাম আমরা পারব। অস্কার যখন যাকে যেখানে খেলিয়েছে সে তখনই ভালো খেলেছে। তাই এই সফলতা পেলাম। ‘

সাইফের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে কিংসকে গোল এনে দেন বিপলু আহমেদ। বেঞ্চে বসেই সাইফের রক্ষণের দুর্বলতা দেখছিলেন তিনি। তাই মাঠে নেমেই প্রতি আক্রমণনির্ভর ফুটবল খেলার চেষ্টা করেন সিলেটের এই ফুটবলার। ম্যাচ শেষে বিপলু বলেন, ‘এক গোলে এগিয়ে থাকার পর যখন আমাদের একজন লাল কার্ড পেল, তখনো আমরা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।

আমাদের লক্ষ্যই ছিল এখান থেকে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করা। আমি বেঞ্চে বসে (দ্বিতীয়ার্ধে) দেখছিলাম আমাদের পাল্টা আক্রমণের সুযোগ আছে, যেহেতু এই অর্ধে আমরা একটু ডিফেন্সিভ খেলছিলাম। বদলি নামার পর আমি প্রতি-আক্রমণের ওই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছি। ‘

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*