1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
তাহসান আজো আমার বন্ধু, আমাদের রোজ কথা হয়: মিথিলা - Daily Moon
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০১:১১ পূর্বাহ্ন

তাহসান আজো আমার বন্ধু, আমাদের রোজ কথা হয়: মিথিলা

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৮ View

করোনা অতিমারির জেরে বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। কাঁটাতার তিন মাস ধরে আলাদা করে রেখেছে রাফিয়াথ রাশিদ মিথিলা ও সৃজিলাকে। বিয়ের পর থেকেই করোনায় জর্জরিত এই লাভ স্টোরি। মঙ্গলবার (২২ জুন) কলকাতার আনন্দবাজারকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সাক্ষাৎকারটি পূ্র্বপশ্চিম পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো-

মিথিলা: হিসেব মতো বিয়ের পরে আমি আর সৃজিত ৭ থেকে ৮ মাস একসঙ্গে থেকেছি। এরকম হয়েছে, আমি আর আয়রা হয়তো কলকাতায় তখন সৃজিতকে শুটিং-এ যেতে হয়েছে। আবার আমি কাজে ঢাকায় চলে এসছি। আমরা

দুজনেই এতো ব্যাস্ত! তারপরে এই অতিমারি। কিছু ভাবতেই দিচ্ছে না। এই তো এ বছর এপ্রিল থেকে আমরা ঢাকায়। কিন্তু এবার কলকাতায় আয়রার স্কুল খুলে যাচ্ছে।অনলাইনে ক্লাস সম্ভব হলেও ওর নতুন বইপত্র সব কলকাতায়

পড়ে আছে। কী যে করবো! বর্ডার বন্ধ। আমি আর সৃজিত রোজই আমাদের যাওয়া নিয়ে আলোচনা করি।ও যে ঢাকায় আসবে, তাও তো হবে না। ঢাকায় এখন করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসছে। আমি বর্ডার খুললে জুলাইতে যাওয়ার চেষ্টা করবো। তখন শুনছি সৃজিত শুটে মুম্বইতে থাকবে।যা অবস্থা, অনেক দূরের কথাও আগে থেকে ভাবছি।

প্রশ্ন: ডিসেম্বরে তো বিবাহবার্ষিকী

মিথিলা: আমি তো সৃজিতকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞেস করেছি ডিসেম্বরে আদৌ আমরা একসঙ্গে থাকবো কি না? কাজ থাকলে ও তো বেরিয়ে যাবে।

প্রশ্ন: অতিমারির কারণে আপনাদের এই দূরত্ব নিয়ে তো চারিদিকে অনেক কথা…

মিথিলা: কথার কোনো শেষ বা শুরু নেই আর।

প্রশ্ন: লোকে বলছে জামাইষষ্ঠীর পরে আবার নাকি আপনাদের মিলন হয়েছে?

মিথিলা: দেখুন সৃজিত আর আমার মিলন বিচ্ছেদের কোনো প্রশ্ন নেই।এই অতিমারির নানা নিয়ম পেরিয়ে আমরা কীভাবে একসঙ্গে থাকবো সেটা নিয়েই রোজ ভাবি। আলোচনা করি। আমাকে সৃজিতকে নিয়ে বা আমার বিয়ে নিয়ে আজ নয়, ভারত

আর বাংলাদেশ দুদিকেই নেটমাধ্যমে অজস্র কটাক্ষের শিকার হচ্ছি। তবে সাম্প্রতিককালে অরুচিকর কথা বেড়েছে। আমাকে ‘অসভ্য’ বলে মানুষ নিজে যে অসভ্যতার পরিচয় দিচ্ছে সেটা আগামী পৃথিবীর জন্য একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।

প্রশ্ন: যেমন?

মিথিলা: বাংলাদেশে তো মানুষের সবচেয়ে বেশি রাগ আমার ওপর। মানুষ প্রশ্ন করছেন মেয়ে হয়ে কেন আমি বিবাহ বিচ্ছেদ করলাম? মেয়েদের নাকি এসব করতে নেই। তাহসানের ওপর কিন্তু মানুষের রাগ নেই। রাগ যতো আমার ওপর। আমি কেন

বিয়ে করলাম? আর সৃজিত তো ইসলাম ধর্মীও নয়। আমি বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে কলুষিত করেছি। আমি নাকি ‘চরিত্রহীন মা’। এই ‘অসভ্য’ মা ‘অসভ্য’ জাতির জন্ম দেবে। এবার কিন্তু সময় এসেছে আমরা সবাই একসাথে মিলে, অনলাইন তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই হয়রানি বন্ধ করার উদ্যোগ নিই। হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হোক সমস্বরে।

প্রশ্ন: তাহসান আপনার সঙ্গে লাইভে এসেছিলেন

মিথিলা: হ্যাঁ। তা নিয়েও কতো প্রশ্ন। আমাদের সম্পর্ক জুড়ে যাবে। আমরা একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রচারের মুখ হয়েছি মাত্র। একসঙ্গে কাজও হবে না। তাতেই কতো কী গল্প তৈরি হচ্ছে।

প্রশ্ন: তাহসান কিন্তু নেটমাধ্যমে আপনাকে কটাক্ষ করা নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন?

মিথিলা: তাহসান আমার প্রাক্তন স্বামী। আমরা আজো বন্ধু। আমাদের রোজ কথা হয়। মানুষকে বুঝতে হবে আমরা দুজনে এক বাচ্চার বাবা-মা। আমাদের সম্পর্কটা এখন বন্ধুর মতো। আর এই সম্পর্ক আয়রার জন্য খুব জরুরি। আমার আর তাহসানের স্বাভাবিকতার জন্যই আয়রা আমায় আজ বলতে পারে, ‘মা আমি বাবার কাছে যাবো’। আমার অন্যান্য বন্ধুদের তো দেখেছি

বিবাহ বিচ্ছেদের পরে পারস্পরিক সম্পর্ককে তারা এতো তিক্ত করেছে যে তার প্রভাব বাচ্চার ওপর এসে পড়েছে। আয়রা সেখানে স্বাভাবিক পরিবেশে বড় হচ্ছে। তবে এখন আয়রার স্কুল আর নতুন বই নিয়ে চিন্তায় আছি। কলকাতার সংসারটাও গোছাতে হবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে তো আপনি প্রচুর কাজ করছেন?

মিথিলা: মন ভালো রাখতে কাজ করে যাওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই।

প্রশ্ন: ইদে আসছে রাকেশ বসুর ‘অন্তর্জলি যাত্রা’?

মিথিলা: হ্যাঁ। প্রেমিকা এবং মেয়ে দুই চরিত্রে অভিনয় করেছি।বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও এই ছবি দেখা যাবে। সম্প্রতি বিজ্ঞাপনের কাজও করলাম। এর সঙ্গে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে তো কাজ চলছেই।সঙ্গে গবেষণার কাজ শুরু করেছি।

প্রশ্ন: এতো কিছু সামলান কী করে?

মিথিলা: শুটিং করতে করতে ব্র্যাকের কাজ করি আমি। আবার অফিসে মেয়ে আয়রাকে মানুষ করতে করতে ছবির সংলাপ মুখস্থ করেছি।

প্রশ্ন: কলকাতায় কবে কাজ শুরু করবেন?

মিথিলা: ইচ্ছে তো আছে। কিন্তু তার জন্য একটানা কলকাতায় থাকা উচিত। সেটা আর হচ্ছে কই? কয়েকটা ছবিতে কাজ করার কথাও হয়েছিলো। কিন্তু লকডাউন শুরু হল, সব কাজ বন্ধ।

প্রশ্ন: সৃজিতের ছবিতে কাজ করছেন?

মিথিলা: না না। সৃজিত বউকে কোনো দিন ওর ছবিতে নেবে না।সৃজিতকে চিনি আমি।

পূর্বপশ্চিমবিডি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony