1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
পরীমণির সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে যা বললেন তসলিমা নাসরিন - Daily Moon
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১১ অপরাহ্ন

পরীমণির সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে যা বললেন তসলিমা নাসরিন

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২ View

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি মাদক মামলায় কারামুক্তির পর সোজা উঠেন বনানীর ভাড়া বাসায়। দীর্ঘ ২৭ দিন পর মুক্তি মিলে পরীমণির। এরপর বাসায় ফিরে পড়েন নতুন বিপদে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে

প্রকাশিত খবরে বলা হয় – বাড়ার মালিক নাকি তাকে বাসা ছাড়ার নোটিশ দিয়েছেন। যদিও পরীমণি পরে বলেন তিনি কোন বাসা ছাড়ার নোটিশ পাননি। এদিকে পরীমণি গ্রেপ্তারের পর থেকেই আলোচিত লেখক তসলিমা

নাসরিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমণিকে নিয়ে সরব ছিলেন তিনি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বাসা ছাড়ার খবরের পর পরীমণির সঙ্গে নিজের ঘটনার মিল খুঁজে পেয়েছেন তসলিমা নাসরিন।

পরীমণির বাসা ছাড়া নিয়ে তসলিমা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘পরীমণি জেল থেকে বের হলো, বাড়িতে ঢুকল আর দেখল তাকে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দিয়েছে বাড়িওয়ালা। এই ভয়ংকর দুঃসময়কে আমি খুব ভালো জানি, যেহেতু নিজের জীবনেই ঘটেছে

এমন ঘটনা। মনে পড়ছে কলকাতার সেই দিনগুলোর কথা। ৭ নম্বর রওডন স্ট্রিটে ডা. দেবল সেনের বাড়িতে আমি তখন ভাড়া থাকি। ২০০৭ সাল। পুলিশ কমিশনার এসে জানিয়ে যাচ্ছেন আমাকে দেশ ছাড়তে বলছেন মুখ্যমন্ত্রী, দেশ যদি আপাতত নাও

ছাড়ি, রাজ্য আমাকে আজ বা কালের মধ্যেই ছাড়তে হবে। দেশের দরজা বহুকাল বন্ধ। ইউরোপ ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রাণের টানে আর ভাষার টানে আশ্রয় নিলাম, আর আমাকে কি না এই আশ্রয়টিও ছাড়তে হবে, কোথাও তো আর ঘর বাড়ি নেই আমার, যাব কোথায়!’

তসলিমা নাসরিন আরও লেখেন, ‘আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে নিতে চাইছে কারা! আমি সম্ভবত যতো না রাজনীতিকদের ষড়যন্ত্রের শিকার, তার চেয়ে বেশি শিকার সাহিত্যের মাফিয়া ডনদের রাজনীতির। যখন আশপাশে কেউ নেই,

বিপদ দেখে বন্ধুদের উপস্থিতি একশ থেকে প্রায় শূন্যে চলে এলো, একা একা আমি চিৎকার করছি, আমি রাজ্য ছাড়ব না, শহর ছাড়ব না, বাড়ি ছাড়ব না, কারণ আমি কোনো অন্যায় করিনি, আমি মানবতার কথা লিখি। মানবাধিকারের জন্য সংগ্রাম করা, মানবতার কথা লেখা অন্যায় তো নয়!’

নির্বাসিত লেখিকা বলেন, ‘ভালোবেসে এক বাঙালি লেখক বাংলায় বাস করছে, তাকে বাংলা থেকে বের করে দেওয়া, তাকে নিষিদ্ধ করা মানে তার লেখক সত্তাকে ধ্বংস করে দেওয়া। তাই আমি অস্বীকার করেছিলাম রাজ্য ছাড়তে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

যখন ফোন করে বললেন আমাকে রাজ্য ছাড়তেই হবে, বুঝলাম যাদের উচিত ছিল পাশে দাঁড়াবার, তারাই পাশে দাঁড়াচ্ছেন না। কলকাতা তো দেখিয়ে দিয়েছে লেখকেরা কী করে আরেক লেখকের বই নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়, লেখকেরা কী করে আরেক লেখকের সর্বনাশ করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony