1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
''বাসর ঘরে গিয়ে কিশোরী বধূ জানল স্বামীর একাধিক বিয়ের কথা.... - Daily Moon
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পরীক্ষা করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের সামনে গ্যাস সিলিন্ডার! দেখুন ভাইরাল ভিডিও। জে’নে নিন যাদের জ’মজ স’ন্তান হওয়ার স’ম্ভাবনা স’বচেয়ে বেশি হরিণ শি’কার করতে এসে বেকাদায় পড়ল চিতা, হরিণ চিতার লড়াইয়ে তুমুল ভাইরাল ভিডিও রাস্তায় ফুটবল নিয়ে গরুর খেলার ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল ঢাকায় পৌঁছেও চরম ভোগান্তিতে পোশাক শ্রমিকরা সড়কে বেড়েছে যান চলাচল, নেয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া! দুর্ঘ’টনা এড়াতে ভুলেও প্রেসার কুকারে এইসব খাবার রান্না করবেন না তাপমাত্রার পূর্বাভাসে যা জানালো আবহাওয়া অফিস ছেলের বেতন ১৪ লক্ষ টাকা, শুনে অঝোরে কাঁদলেন ঝালাই মিস্ত্রি-বাবা ! এসএসসির পরই বিয়ে,শ্বশুর বাড়ির নি’র্যা’ত’ন সহ্য করে আজ বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার শিউলি!

”বাসর ঘরে গিয়ে কিশোরী বধূ জানল স্বামীর একাধিক বিয়ের কথা….

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ৮ View

গরিব ঘরে জ’ন্মালেও স্বপ্ন ছিল আকাশচুম্বী। ইচ্ছা ছিল সার্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনের। কিন্তু মেধাবী এ ছাত্রীর সব স্বপ্নই চুরমা’র করে দিল নানা-নানি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ৩৬ বছরের এক যুবকের স’ঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। বাসর ঘরে গিয়ে কিশোরী

বধূ জানলেন স্বামী এর আগেও তিনটি বিয়ে ক’রেছেন। আর এ নিয়ে অভিমানে বেছে নেন আত্মহ’ত্যার পথ। মেহেদি রাঙা হাত নিয়েই জীবনের ইতি টানেন নববধূ। নি’হতের নাম মিতা খাতুন। তিনি মেহেরপুরের গাংনী উপজে’লার কাজিপুর গ্রামের মহিদুল ইসলামের মেয়ে ও কাজিপুর মধ্যপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

সোমবার বিকেলে উপজে’লার কাজিপুর গ্রাম থেকে মিতার ঝুলন্ত লা’শ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। তার স্বামীর নাম রফিকুল ইসলাম। তিনি একই গ্রামের বাসিন্দা। রোববার বিকেলে পরিবারের চা’পে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে বাধ্য হন মিতা।

স্থা’নীয়রা জা’নায়, মিতার স্বামী রফিকুল প্রথমে ভারতীয় এক মেয়েকে বিয়ে করেন। এরপর তাদের বি’চ্ছেদ হয়। বছর দুয়েক আগে তিনি আরো দুটি বিয়ে করেন। কিন্তু এক সপ্তাহ না যেতেই তারাও চলে যান। এটি ছিল তার চতুর্থ বিয়ে। কোনো স্ত্রীকে ভাত-কাপড় না দেওয়ায় এমনটি হয়েছে বলে দা’বি স্থা’নীয়দের।

মিতার স্বজনরা জা’নান, মিতার বাবা মহিদুলের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজে’লার ধ’র্মদহ গ্রামে। বাবার স’ঙ্গে মা ববিতা খাতুনের ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর কাজিপুর হালশানাপাড়ায় নানা ইন্নাল হকের কাছে চলে আসেন মিতা ও তার মা। সেখানে থেকেই মিতা লেখাপড়া ক’রতেন আর মা ববিতা খাতুন ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করেন।

মিতার নানি মর্জিনা খাতুন বলেন, ‘আমি কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছি। অভাবের সংসার আমা’র। তাই বিদেশি ছেলের স’ঙ্গে সুখে থাকবে বলে নাতনিকে বিয়ে দেই। কিন্তু নাতনি আমাদের ছে’ড়ে চলে গেল।

জা’না গেছে, বাল্যবিয়ের ভ’য়ে বাড়ি ছে’ড়ে সাহেবনগর গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যান মিতা। তবু র’ক্ষা পাননি তিনি। নানাবাড়ির লোকজন ধ’রে এনে জো’র করে রফিকুলের স’ঙ্গে বিয়ে দেন। আর এ ক্ষোভ থেকেই আত্মহ’ত্যা করেন।

কাজিপুর মধ্যপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবীবা দিপা বলেন, মিতা অত্যন্ত মেধাবী ছিল। কোনো ছেলের স’ঙ্গে কখনো কথা বলতে দেখিনি। তার এ সুন্দর জীবনটা নিয়ে খেলা করা হয়েছে। সত্যিই খুব দুঃখজ’নক ঘ’টনা ঘ’টেছে।

গাংনী থা’নার ওসি বজলুর রহমান জা’নান, লা’শ উ’দ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল ম’র্গে পা’ঠানো হয়েছে। তবে এটি হ’ত্যা নাকি আত্মহ’ত্যা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ম’য়নাতদ’ন্তের প্র’তিবেদন পেলে মৃ’ত্যুর আ’সল কারণ জা’না যাবে। এ ঘ’টনায় একটি অপমৃ’ত্যু মা’মলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony