1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
বিশ্বনবি ঘোষিত সব রো’গের ৫ প্রতিষেধক! - Dailymoon24
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাটির নিচে সন্ধান মিললো আরেক পৃথিবীর, যার মধ্যে রয়েছে আকাশ, খাল, বিল, পাহাড় ও ভিন্ন আবহাওয়া…! পরীমনির সাড়ে ৩ কোটি, অপুর ৪৬ লাখ! ব’য়সে ছোট শিপনের স’ঙ্গে নায়িকা পপির ‘অ’সম প্রেম’ যার কথা ভেবে জিবনে দ্বিতীয় বিয়ে করেননি ববিতা হিজড়ার স’ঙ্গে বি’য়ে হওয়া এই নারীর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা এক বছর পরীক্ষা না দিলে বিরাট কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী সন্ধান মিলল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ২০ টন সোনার খনির সন্ধান সন্ধান মিলল ৯৮ ফুট চওড়া ডাইনোসরদের নতুন এক প্রজাতির! বিস্মিত বিজ্ঞানীরা ‘নয়া দামান’ গান গাইলেন হিরো আলম, বরও সাজলেন নিজেই (ভিডিও সহ) দেশে হঠাৎ বেড়েছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু

বিশ্বনবি ঘোষিত সব রো’গের ৫ প্রতিষেধক!

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১ View

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে বিভিন্ন ধ’রনের রো’গ-বালাই থেকে সু’স্থ থাকার ও নি’রাপদ জীবনের জন্য চিকিৎ’সা ও প্রতিষেধক হিসেবে ৫টি জিনিসের কথা বলেছেন। যেভাবে তিনি পরকালের সফলতার জন্য মানুষকে সত্যের পথে ডেকেছেন এবং পথনির্দে’শ ক’রেছেন।

 

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এসব চিকিৎ’সা ও প্রতিষেধক গ্রহণের বিষয়টি সত্যতার সর্বো’চ্চ মানদণ্ডে প্রমাণিত সত্য। কেননা মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর ব্যাপারে কুরআনুল কারিমে ঘো’ষণা দিয়েছেন-

 

وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَى – إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى – عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى ‘আর (রাসুলুল্লাহ) প্রবৃত্তির তাড়নায় (নিজ থেকে) কোনো কথা বলেন না। কুরআন ওহি হিসেবে যা প্রত্যাদেশ হয় তা ব্যতিত। তাঁকে শিক্ষা দান করে এক শ’ক্তিশালী ফেরেশতা।’ (সুরা নাজম ৩-৫)

 

সুতরাং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার জীবনে মানুষের জন্য যেসব চিকিৎ’সা পদ্ধতি ও প্রতিষেধকের কথা বলেছেন, তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ওহি। সুতরাং মানুষের জীবনে যদি দুনিয়ার সব চিকিৎ’সা বা প্রচেষ্টা শেষও হয়ে যায়,

 

তারপরও একজন মুমিনের জন্য প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেয়া দিকনির্দে’শনাগুলো মেনে চলা জ’রুরি। চিকিৎ’সা ও প্রতিষেধক হিসেবে প্রত্যেক মুমিনের জন্য সেসব নববি চিকিৎ’সা অনেক বড়। আর এসব প্রতিষেধক, চিকিৎ’সা, দোয়া, আমল ও আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার মাধ্যমে সু’স্থতা লাভের সুযোগ থেকে যায়।

 

চিকিৎ’সা ও প্রতিষেধক হিসেবে ৫ দিকনির্দে’শনা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম ঘোষিত সেসব চিকিৎ’সা, প্রতিষেধকের তথ্যই তুলে ধ’রা হবে; যা মানুষকে সব ধ’রনের রো’গ-বালাই থেকে সব অসু’স্থতা থেকে সু’স্থ ও নি’রাপদ থাকার ক’ল্যাণ নিহিত রেখেছেন। তাহলো-

 

কালোজিরা:রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কালোজিরাকে শুধু মৃ’ত্যু ছাড়া সব রো’গের মহৌষধ হিসেবে আখ্যায়িত ক’রেছেন। কালো জিরার উপকারিতা চিকিৎ’সাবিজ্ঞানেও প্রমাণিত। হাদিসে এসেছে- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

 

‘কালোজিরা ব্যবহার কর। কালো জিরায় রয়েছে ‘শাম’ ছাড়া প্রত্যেক রো’গের প্রতিষেধক। আর ‘শাম’ হলো মৃ’ত্যু।’ (বুখারি) সুতরাং হাদিসের ওপর আমল করে সরাসরি কালো জিরা যেমন খাওয়া যেতে পারে তেমনি তা থেকে তেল বের করে পান করাও যেতে পারে। কিংবা যে কোনো খাবারের স’ঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে।

 

মধু: মধুতে রয়েছে রো’গের প্রতিষেধক। মধু পানে কোনো মৌসমি রো’গ হবে না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও মধু পান করা পছন্দ ক’রতেন। মধু প্রস’ঙ্গে কুরআন-সুন্নায় সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। চিকিৎ’সা বিজ্ঞানেও মধুর রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতার বিষয়টি প্রমাণিত। মধু স’স্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন-

 

‘আপনার পা’লনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন পাহাড়, গাছ ও উঁচু চালে আবাসস্থল তৈরি কর, তারপর সব ধ’রনের ফল থেকে খাও আর আপন পা’লনকর্তার উম্মু’ক্ত পথসমূহে চলাচল কর। তার পে’ট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রো’গের প্রতিকার। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদ’র্শন রয়েছে।’ (সুরা নাহল : আয়াত ৬৮-৬৯)

 

হাদিসের নির্দে’শনা থেকে জা’না যায়, প্রত্যেক ব্য’ক্তির উচিত প্রতিদিন এক চামচ করে মধু পান করা। এটা মানুষকে রো’গ-ব্যধি থেকে মু’ক্তি দেবে। হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দুইটি শেফা বা আরো’গ্য লাভের উপায় অবলম্বন করবে। তার একটি হলো- মধু আর অপরটি হলো- কুরআনের তেলাওয়াত।’ (বুখারি ও মুসলিম)

 

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্য’ক্তি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সকালবেলা মধু পান করবে যে যে কোনো মা’রাত্মক মৌসুমি রো’গে আক্রা’ন্ত হবে না।’ (ইবনে মাজাহ)

 

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘তিনটি জিনিসের মধ্যে রো’গমু’ক্তি আছে- মধু পানে, শিঙ্গা লা’গানোয় এবং আ’গুন দিয়ে দাগ লা’গানোয়। তবে আমি আমা’র উম্মাতকে আ’গুন দিয়ে দাগ দিতে নি’ষেধ করছি।’ (বুখারি)

 

হিজামা: হিজামা বা শিঙ্গা লা’গানো সব রো’গে মহৌষধ। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজামাকেও রো’গের প্রতিষেধক বলেছেন। তিনি নিজে হিজামা গ্রহণ ক’রতেন। তবে হিজামা গ্রহণের বিশেষ কিছু সময় রয়েছে। হাদিসে এসেছে-

 

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘বিশেষ কিছু সময় রয়েছে যে সময়টিতে হিজামা গ্রহণ করলে আল্লাহ তাআলা তাকে সব রো’গ থেকে মু’ক্তি দেবেন।’ (জামে) হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘তিনটি জিনিসের মধ্যে রো’গমু’ক্তি আছে- মধু পানে, শিঙ্গা লা’গানোয় এবং আ’গুন দিয়ে দাগ লা’গানোয়। তবে আমি আমা’র উম্মাতকে আ’গুন দিয়ে দাগ দিতে নি’ষেধ করছি।’ (বুখারি)

 

জমজমের পানি: সহিহ মুসলিমরে এক বর্ণনায় এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জমজমের পানিকে রো’গের জন্য ঔষধ বলেছেন। যেহেতু প্রিয় নবি কোনো রো’গের জন্য তা নির্দিষ্ট করে বলেননি; সেহেতু বোঝা যায় যে, সব রো’গের জন্যই জমজমের পানি ঔষধ।

 

হাদিসের অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘জমজমের পানি যে নিয়ত বা উদ্দেশ্যে পান করা হয়, যদি তো কোনো রো’গ-বালাই থেকে বাঁ’চার জন্য হয় তবে আল্লাহ তাআলা সে নিয়ত বা উদ্দেশ্য পূরণ করেন। রো’গ থেকে মু’ক্তি দান করেন। যুগ যুগ ধ’রে এ পানির উপকারিতা প্রমাণিত ও সত্য।

 

জমজমের পানির মধ্যে বিদ্যমান বিশুদ্ধ উপাদান ও উপকারিতা ওঠে এসেছে বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। জমজমের পানি পৃথিবীর সেরা বিশুদ্ধতম পানি। জাপানি বিজ্ঞানী ইমোতো মাসারুর গবেষণা তা ওঠে এসেছে- এক ফোঁটা জমজমের পানিতে যে পরিমাণ আকরিক পদার্থ থাকে তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে থাকে না।

 

জমজমের পানির গুণগত মান কখনো পরিবর্তন হয় না। জমজমের পানিতে এন্টিমনি, বেরিলিয়াম, ব্রোমাইন, কোবাল্ট, বিস্মুথ, আয়োডিন আর মলিবডেনামের মতো পদার্থগুলোর মাত্রা ছিল ০.০১ পিপিএম থেকেও কম। ক্রোমিয়াম, ম্যাংগানিজ আর টাইটানিয়াম এর মাত্রা ছিল একেবারেই নগণ্য।

 

জাপানি বিজ্ঞানীর পরীক্ষা অনুযায়ী জমজমের পানির পিএইচ হচ্ছে ৭ দশমিক ৮। যেটি সামান্য ক্ষারজাতীয়। বিজ্ঞানী তার পরীক্ষায় আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং সেলেনিয়ামের মতো ক্ষ’তিকর পদার্থগুলো ঝুঁ’কিমু’ক্ত মাত্রায় পেয়েছেন। যে মাত্রাগুলোতে মানুষের কোনো ক্ষ’তি হয় না। সাধারণত পানির কূপে জলজ উদ্ভিদ জ’ন্মালেও জমজম কূপে তা জ’ন্মায় না।

 

জমজমের পানিতে যেসব আকরিক পদার্থ পাওয়া গেছে তার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফ্লোরাইড, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, সালফেট, নাইট্রেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম উল্লেখযোগ্য। ফ্লোরাইড ছাড়া বাকি মিনারেলগুলোর মাত্রা অন্যসব স্বা’ভাবিক খাবার পানিতে পাওয়ার মাত্রা থেকে বেশি।

 

মাসারু তার পরীক্ষায় জমজমের পানির এমন এক ব্য’তিক্রমধ’র্মী মৌলিক আ’কার পেয়েছেন যেটি খুবই চ’মকপ্রদ। পানির দুইটি স্ফটিক সৃষ্টি হয়- একটি আরেকটির উপরে কিন্তু সেগুলো একটি অনুপম আ’কার ধারন করে।

 

আজওয়া খেজুর: আজওয়া মদিনা মুনাওয়ারার এক ধ’রবের বিশেষ খেজুর। দামি এ খেজুরটি সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাতে এ খেজুর রোপন করেছিলেন। আর তা রোপনের পেছনে ছিল আশ্চর্যজনক ও বিস্ময়কর ঘ’টনা। আর তাতে রয়েছে শেফা বা আরো’গ্য।

 

চিকিৎ’সা বিজ্ঞানের তথ্য মতে আজওয়ায় খেজুরে আছে- ‘আমিষ, শর্করা, প্রয়োজনীয় খাদ্য আঁশ ও স্বা’স্থ্যসম্মত ফ্যাট। এছাড়া ভিটামিন এ, বি সিক্স, সি এবং কে দ্বারা ভরপুর। ভিটামিন ‘এ’-এর গু’রুত্ব পূর্ণ উপাদান ‘ক্যারোটিন’ও রয়েছে এতে। ক্যারোটিন চোখের সু’স্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। আরও রয়েছে স্বা’স্থ্যকর উপাদান ফলেট, নিয়াসিন, থিয়ামিন ও রিবোফ্লেভিন।

 

হাদিসের নির্দে’শনায় আজওয়া খেজুর- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্য’ক্তি যদি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খায় তবে ওইদিন মৃ’ত্যু ছাড়া অন্য কোনো রো’গ তার কোনো ক্ষ’তি ক’রতে পারে না।’ (বুখারি)

 

অন্যবর্ণনায় এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্য’ক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেই দিন ও রাত পর্যন্ত কোনো বিষ ও যাদু তার কোনো ক্ষ’তি করবে না।

 

হজরত সাদ রাদিয়াআল্লাহু আনহু একবার হৃদরো’গে আক্রা’ন্ত হয়ে প’ড়েন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দে’খতে যান এবং হৃদরো’গের চিকিৎ’সার নসিহত পেশ করেন- হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমি অসু’স্থ ছিলাম এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দে’খতে এসেছিলেন।

 

তিনি আমা’র বুকের ওপর হাত রাখলেন তখন আমি হৃদয়ে শীতলতা অনুভভ করলাম। তিনি বলেন, তোমা’র হৃদরো’গ হয়েছে। এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আজওয়া খেঁজুর খেতে দিয়ে বললেন, তুমি সাতদিন আজওয়া খেজুর খাবে তাহলে তুমি পরিপূর্ণ সু’স্থ হয়ে যাবে।’ (আবু দাউদ)

 

মহান আল্লাহ তাআলা উল্লেখিত পাঁচটি জিনিসের মধ্যে বিশেষ শেফা বা রো’গ-মু’ক্তি রেখেছেন। এ সবই নববি চিকিৎ’সা বা প্রতিষেধক। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাসাধ্য নিয়মিত উল্লেখিত নববি চিকিৎ’সা গ্রহণ করার মাধ্যমে সুস্বা’স্থ্য ও সু’স্থ থাকার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony