ব্রেকিং নিউজ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জন করোনায় আক্রান্ত

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) থাবা থেকে বাঁচলো না পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাড়িও।

তার বাসায় কর্মরত চারজন ক’রোনা শ’নাক্ত হয়েছেন। তবে তার পরিবারের সবার ক’রোনা

পরীক্ষার রিপোর্ট নে’গেটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক

 

অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি লেখেন, ‘২০০০ সালে ডেঙ্গু হয়েছিল আমার, রোজার মাসে। তখন ডেঙ্গু মানে

অবধারিত মৃ’ত্যু। সেই সাথে হলো পক্স। এমন অবস্থা মনে হলো হাতে আর দুই একদিন

 

সময় আছে! টানা একমাস অ’সুস্থ’তার পর সুস্থ হয়ে ওঠার একদিন আগে একজন ডাক্তার

বাসায় এসে বললেন ডে’ঙ্গু হয়নি। কে জানে কি হয়েছিলো! আরেকবার ডেঙ্গু হয়েছিল কয়েক

বছর আগে, সম্ভবত ২০১৪ সালে। হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো, র’ক্ত দিলো। আল্লাহ তায়ালার

 

অশেষ রহমতে সুস্থ হলাম। এর মাঝে ছোট, বড়, মাঝারি আরও অসুখ-বিসুখ হয়েছে।

প্রতিবার আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ হয়েছি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ক’রোনা’কালে যতটা সম্ভব

সাবধানে থাকার চেষ্টা করেছি। যদিও ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ার প্রথম দিকে মাদ্রিদ আর জেনেভা

 

যেতে হয়েছিলো। বিশ্ব তখনও এর ভয়াবহতা বুঝে ওঠেনি। অনেকদিন থেকেই শুনছি পরিচিত

মানুষেরা পরীক্ষা করাচ্ছেন। কেউ কেউ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, কেউ হাসপাতালে ভর্তি।

মৃ’ত্যুব’রণ করেছেন একাধিক পরিচিত ব্যক্তি। তাই আমার বাসার সহকারী মিঠু যখন বললো

 

বাবুর্চি মুসা আর চারজন নিরাপত্তাকর্মীর মধ্যে একজনের জ্ব’র তখন দেরি না করে পরীক্ষা

করালাম, নিজেরসহ মোট ৯ জনের। ফলাফল এসেছে মুসা ও সেই নি’রাপ’ত্তাকর্মীসহ

মোট ৪ জন প’জেটিভ। মানে বাকি দুইজন প’জে’টিভ হয়েও কোনো লক্ষণ নেই।

 

আমরা বাকিরা নেগেটিভ।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘গতকাল রাত থেকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

বাড়িতে ‘রো’গী রেখেই চিকিৎসা করাতে হবে এবং নিজেদের সুস্থ রাখতে হবে। কাজটা মোটেই

সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আমাদের সবার জন্য

 

দোয়া করার জন্য। অসুস্থরা যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন এবং নতুন কেউ যেন সংক্রমিত না হন।’

তিনি লেখেন, ‘গত দুইমাস যেভাবে কাজ করেছি অবশ্যই চেষ্টা করবো সেভাবে বাসায় থেকে

কাজ করতে। অজস্র মানুষের বিভিন্ন অনুরোধ আসে আমার কাছে প্রতিদিন, এই সময় ‍

 

মূলত সেটা প্রবাসীদের কাছ থেকে আর অন্যদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশেদের

নাগরিকদের কাছ থেকে। এলাকার দেখভালতো আছেই। এখন আর কথা না বাড়াই।

সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। ভালো থাকুন সবাই।’

Check Also

মুনিয়ার অতীতের সব জানালেন তার বোন নুসরাত তানিয়া

মুনিয়াদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা শহরের মনোহরপুর উজির দিঘির দক্ষিণ পাড়ে। সেখানে মুনিয়াদের পৈত্রিক একতলা পাকা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *