ভারত থেকে ফেরার সময় একই পরিবারের চারজন আ’ট’ক

অ’বৈ’ধভাবে ভারত থেকে ফেরার সময় একই পরিবারের চারজনকে আ’ট’ক করেছে বিজিবি। বুধবার রাত ৮টার

দিকে সাতক্ষীরা সীমান্তের তলুইগাছা এলাকা থেকে তাদের আ’ট’ক করা হয়। আ’ট’করা হলেন- সাতক্ষীরার

 

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের গাইনবাড়ি গ্রামের মো. আজগর আলী, তার স্ত্রী রুবিয়া বিবি, মেয়ে

আফরোজা খাতুন ও আশা খাতুন। সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে

এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

ঈদের পর কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যেতে পারে তা জানা গেল

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা ক’রো’না’ভাই’রাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে।

ঘোষণা অনুযায়ী ২৩ মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা থাকলেও আপাতত সেই উপায় নেই বলে মনে করছেন

 

সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশের সব শিক্ষক, কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লাখ ৩০

হাজার আবাসিক শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করে আগামী ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা থাকলেও।

 

দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে ভারত টিকা রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এতে টিকা সংক’টে পড়েছে দেশ। বিকল্প

উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু মে মাসের মধ্যে এ সংক’ট কাটিয়ে ওঠা যাবে কি না, তা নিয়ে

 

শঙ্কা রয়েছে উপর মহলে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন

গণমাধ্যমকে জানান, ‘ক’রো’নার পরিস্থিতি কেমন, তা তো সবাই দেখছেন। এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার

 

বিষয়ে কী করা যাবে তা এ মুহূর্তে বলা মুশকিল। তবে ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত পরিবর্তন

হয়নি। ক’রো’নার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ এদিকে চলমান

 

বিধিনিষেধ শিথিল করলে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দৈনিক ক’রো’না সং’ক্র’মণ বর্তমান সময়ের তুলনায়

দ্বিগুণ হবে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে হারে সং’ক্র’মণ কমছে এর ধারা

 

আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে ঈদে মানুষের চলাচল বেড়ে গেলে পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে

সং’ক্র’মণ বাড়তে পারে। জুনের তৃতীয় সপ্তাহে যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের তথ্যানুযায়ী, ২৩

 

মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হচ্ছে না। কবে খুলবে তাও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। সবকিছুই

পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। টিকা প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন,

 

শিক্ষকদের মধ্যে অধিকাংশই টিকা নিয়েছেন। যারা বাকি আছেন, তাদের বিষয়ে সরকার মনযোগী। যারা প্রথম

নিয়েছেন, তাদের দ্বিতীয় ডোজ নিতে কোনো সমস্যার হওয়ার কথা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এক লাখ ৩০ হাজার

 

শিক্ষার্থীর সবাইকে টিকা দিতে পারিনি। কারণ সবার এনআইডি নেই। কতজন শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছে সে তথ্য

আমার কাছে এই মুহূর্তে নেই।’ কতজন শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছে সে তথ্য আমার কাছে এই মুহূর্তে নেই।’

 

 

Check Also

নিঃস্ব হওয়ার পথে ভারত!

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ বলছে, ভারতে প্রতি সেকেন্ডে চারজন করে নতুন করো’না রোগী শনা’ক্ত হচ্ছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *