Breaking News

মার্কেটে নারীদেরকে না আসতে অনুরোধ করে মাইকিং !

সামাজিক দূরত্ব মানছে না- হাটবাজারে নারীদের না আসার অনুরোধ জানিয়ে

নেত্রকোনা চেম্বার অব কমার্সের জেলা শাখার পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার

চেম্বার অব কমার্সের নেত্রকোনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে মাইকিং করে এ আহ্বান জানানো হয়।

 

মাইকিংয়ে বলা হয়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অ’ঙ্গীকার করে

দোকানপাট খুলে দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাজার মনিটরিংয়ে দেখা যাচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে

অনুসরণ করা হচ্ছে না। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে স্থানীয় প্র’শাসন ও

 

চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে পুনরায় দোকানপাট বন্ধের ঘো’ষণা দিতে হবে।

এমতাবস্থায় মা-বোনদের বাজারে না আসতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে চেম্বার অব কমার্সের জেলা শাখার সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ জানান,

 

ঈদকে সামনে রেখে জেলা সদরের বিভিন্ন দোকানপাটে নারীদের প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অনেকে ছোট শিশুদেরও নিয়ে আসছেন। তাদের ভিড়ের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব

হচ্ছে না। তাই তাদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে বাজারে না আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

এদিকে মাইকিং করা হলেও বাজারে নারী ক্রেতাদের ভিড় একটুও কমেনি। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা

থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত জেলা সদরের বড়বাজারের গার্মেন্ট, কাপড় ও জুতার দোকানগুলো

ঘুরে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ক্রেতাদের বেশিরভাগই নারী। তাদের অনেকে মুখে মাস্ক নেই।

 

সামাজিক দূরত্বের বিষয়টিও অনেকে মাথায় নিচ্ছেন না। তাছাড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে

স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকার কথা থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে এসব স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হচ্ছে না।

উল্লেখ্য, রোববার থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা শহরের সব

দোকানপাট খোলা রাখা হচ্ছে।

 

ব্যাংকে সামাজিক দূরত্বের ধার ধারছে না কেউ

পটুয়াখালীতে বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি।

করোনা’ভা’ইরাসের ঝুঁকি উপেক্ষা করে গায়ে গা লাগিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করছেন গ্রাহকরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে শহরের প্রায় সব ব্যাংকের শাখায় একই চিত্র দেখা গেছে।

পাশাপাশি অধিকাংশ ব্যাংকের শাখায় জীবাণুনাশক স্প্রে কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হয় না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় সর্বোচ্চ লেনদেনকারীদের প্রাধান্য দেয়া হয়।

 

গ্রাহকরা দীর্ঘ লাইন থাকলেও সেদিকে নজর নেই ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের। প্রবেশপথে

জীবাণুনাশক স্প্রে বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার নেই। একজন আরেকজনের গায়ের সঙ্গে গা

লাগিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা মাহবুব বলেন,

 

সবকিছু সীমিত আকারে না খুলে পুরোদমে খুলে দিলে মনে হয় এই ভিড় এড়ানো সম্ভব।

ব্যাংকের ভিড় কিছুতেই কমে না। আল্লাহ তুমি রহম করো। তিতাস এলাকার বাসিন্দা জামান

রাশেদ বলেন, দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকে তাই এমন ভিড়।

 

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা অল্প অল্প করে গ্রাহকদের ভেতরে প্রবেশ করালেই হয়।

শিমুলবাগ এলাকার বাসিন্দা ফয়জুল মুনির বলেন, ভিড় দেখে মনে হয় ব্যাংকের টাকা

গায়েব হয়ে যাবে। এজন্য কিছুতেই কমছে না ভিড়। শহরের পূবালী ব্যাংকের গার্ড সোবাহান বলেন,

 

সামাজিক দূরত্ব মেনে ব্যাংকে প্রবেশ করানো হয় গ্রাহকদের। বড় ঠিকাদার এলে সবার

আগে প্রাধান্য পান। আপনি কয়জনকে চেনেন? এখানে প্রতিদিন অনেক গ্রাহক আসে।

এটা নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। শহরের আদালতপাড়ার বাসিন্দা রনিক বলেন,

 

পূবালী ব্যাংকে চলে স্বজনপ্রীতি। ওই ব্যাংকের কাউন্টারে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে।

সবাই টাকা তুলতে যায়। ব্যাংকে যাদের স্বজন আছেন বা বড় ঠিকাদার আছেন তাদের চেক

ভিআইপি স্টাইলে ভেতরে যায়। ওদিকে কাউন্টারের সামনে যে ভিড় সেদিকে ক্যাশিয়ার বা

ম্যানেজারের খেয়াল নেই।

 

শহরের নতুন বাজারের বাসিন্দা আবুল ফরাজি বলেন, ব্র্যাক ব্যাংক, পদ্মা,

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ কিছু ব্যাংকে স্প্রে করা হয়। তবে ইসলামী ব্যাংকে

স্প্রে বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হয় না। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন মোহাম্মদ

জাহাঙ্গীর আলম শিপন বলেন, করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবাইক সামাজিক দূরত্ব

মেনে চলতে হবে। জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

Check Also

গোটা ভারত,জুড়ে ইঞ্জিনি,য়ারিং ভ,র্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকার শী,র্ষে মুসলিম কিশোরী !

সারা ভারতে একযো,গে অ,নুষ্ঠিত ইঞ্জিনি,য়ারিং ভ,র্তি পরী,ক্ষা জ,য়েন্ট এন,ট্রেন্স এক্সামি,নেশন মেইন (জেইই- মেইন) পরী,ক্ষার ফলাফলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *