মা সেজে মেয়েকে বুকের দু’ধ পান করাচ্ছেন বাবা

মে’য়েকে বুকের দু’ধ – ছোট্ট শি’শুটির খিদে পেয়েছে। শুরু করেছে কা’ন্না। কিন্তু শি’শুটি মা বাসায় নেই।

বাবা ফিডারে দু’ধ খাওয়ানোর চেষ্টা ক’রেছেন। তাতে রাজি নয় শি’শু। তাই অগত্যা বাবা কৌশলী হয়ে

 

বুকের দু’ধের মতো করেই খাওয়ালেন শি’শুটি।গেল বাবা দিবসের ঘ’টনার ভিডিওটি রোববার (১৭ নভেম্বর)

সামাজিকমাধ্যমে প্র’কাশ করেন ওই বাবা  তিন দিনে ভিডিওটি ভিউ হয়েছে ৪৮ লাখ। ভিডিওতে দেখা যায়,

 

মে’য়েকে শান্ত করার জন্য বাবা নিজে’র টিশার্টের ভে’তরে ভরে নিয়েছেন দু’ধের বোতল। তা মে’য়েকে

খাওয়াচ্ছেন। দু’ধ পেয়ে বাচ্চাটি মনে করছে মায়ের বুকের দু’ধ। শি’শুটি শান্ত হয়ে সে দু’ধ পান করছে।

 

এদিকে ১৯ নভেম্বর ছিলো আন্তর্জাতিক পুরু’ষ দিবস। মে’য়েকে শান্ত করার বাবার ওই বিশেষ পদ্ধতিটি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই সাধুবাদ জা’নিয়েছেন। মাত্র ১০টি গরু দিয়ে শুরু

 

করা খামা’রে চার বছরেই ১৭০০ গরু! মাত্র ১০টি গরু – মাত্র চার বছরের গল্প। তাতেই ইতিহাস। ১০টি গাভী

দিয়ে যে খামা’রের যাত্রা, সেখানে আজ ১৭শ’র অধিক গরু। যেন রূপকথার গল্প। নিষ্ঠা, একাগ্রতা আর শ্রম

 

দিয়ে শখের স্বপ্নকে সফলতার মাপকাঠিতে রূপ দেয়া যায়, তারই নাম ‘মেঘডুবি অ্যাগ্রো ডেইরি ফার্ম’।

ঢাকার অদূ’রে বছিলায় বসেছে গরুর মেলা। মেলাই বটে। গাবতলী গরুর হাটে গিয়ে যে চিত্র মেলে

 

‘মেঘডুবি অ্যাগ্রো ডেইরি ফার্ম’-এ গেলে সে চিত্রই দে’খতে পাওয়া যায়। সারি সারি গরু। যত্নের কমতি

নেই। সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছেন শতাধিক শ্র’মিক। বিদ্যুৎ, পানি, বাতাসের জন্য ব্যবহার হচ্ছে

 

সর্বাধুনিক প্রযু’ক্তি। কংক্রিটের ড্রেনে পয়ঃনিষ্কাশন হচ্ছে মুহূ’র্তেই। খাবার, চিকিৎ’সায় জো’র ব্যব’স্থা।

২০১৪ সালে যাত্রা। শখের বসে পুরান ঢাকার মোহাম্ম’দ আলী শাহিন বাড্ডার সাতারকুলে ১০টি গাভী কিনে

 

ডেইরি ফার্ম দেন। ১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে সিঙ্গাপুর থেকে ডিগ্রি নেন শাহিন।

বাইরে থেকে ডিগ্রি নিলেও চাকরির পেছনে ছোটেননি কখনও। পুরান ঢাকায় স্টিলের ব্যবসা শুরু করেন

 

আর শখের বশে চার বছর আগে ডেইরি ফার্মে মন দেন। ওই বছর কোরবানির জন্য পাঁচ’টি ষাঁড় পা’লনও

করেন, যেগুলো নিজে এবং আত্মীয়-স্বজনরা মিলে কোরবানি দেন। এর মধ্য দিয়েই বাজারের

 

ই’নজেকশন পুশ করা গরুর মাংসের পার্থক্য বুঝতে পারেন। পরের বছর কোরবানির জন্য আরও গরুর

চা’হিদা আসতে থাকে শাহিনের কাছে। চা’হিদা পূরণে খামা’রের পরিধি বাড়াতে থাকেন। কুষ্টিয়ার হালসায়

 

‘মেঘডুবি অ্যাগ্রো ডেইরি ফার্ম’-এর দ্বিতীয় শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। হাট থেকে বিভিন্ন দামে গরু কিনে কুষ্টিয়ার

ওই খামা’রে প্রতিপা’লন শুরু করেন। পরবর্তীতে কোরবানি ঈদে বিক্রির জন্য সেগুলো ঢাকায় নিয়ে

 

আসেন। এরই মধ্যে ঢাকার মোহাম্ম’দপুরের বছিলায় ‘মেঘডুবি’র তৃতীয় শাখা খোলা হয়। মূ’লত গা’র্ডেন

সিটির এ শাখাই এখন মূ’ল খামা’র হিসেবে বিবেচিত। এখানে প্রায় তিনশ’র অধিক গরু রয়েছে। ৬০ হাজার

 

থেকে শুরু করে ১৫ লাখ টাকার গরুও আছে। মাত্র ৫২ কাঠা জমির ও’পর প্রতিষ্ঠিত এ খামা’রে

আধুনিকমানের সব প্রযু’ক্তিই ব্যবহার করা হয়েছে।কৃত্রিমভাবে গরু মো’টাতাজাকরণের কোনো ব্যব’স্থা

 

নেই এখানে। খামা’রের সহকারী ব্যব’স্থাপনা পরিচালক তারেক মোহাম্ম’দ জাগো নিউজকে এমন ত’থ্য

জা’নান। তেজগাঁও কলেজ থেকে পাশ করা তারেক মেঘডুবি অ্যাগ্রোর মালিক ও ব্যব’স্থাপনা পরিচালক

 

মোহাম্ম’দ আলী শাহিনের মামাতো ভাই। খামা’রের বি’ষয়ে ত’থ্য দিতে গিয়ে তারেক বলেন, ‘মেঘডুবি’র

শাখা মিলে প্রায় ১৭শ’র অধিক গরু রয়েছে। এর মধ্যে সাতারকুল শাখায় ১৮০টি গাভী রয়েছে যেখান থেকে

 

প্রতিদিন গড়ে ৬০০ লিটার দু’ধ মি’লছে।’ সরেজমিন দেখা যায়, সিটি গা’র্ডেনের নতুন খামা’রে চ’ক্রকার

বেশ কয়েকটি গরু বাঁ’ধার জায়গা তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই বিশাল বিশাল গরু বাঁ’ধা। শান করা ঘের।

 

নিচেও পাকা করা। একটি গরু থেকে আরেকটি গরুর নি’রাপদ দূ’রত্ব বজায় রাখতে লো’হার ফ্রেম দেয়া

আছে। আরাম’দায়ক বি’ছানার জন্য ম্যাট পাতা। মাথার ও’পরে ফ্যান। পানির লাইন দেয়া প্রতিটি গরুর

ও’পরে। অতিরি’ক্ত গরম হলেই পানির সুইচ চালু করে দেয়া হয়। বৃষ্টির মতো ঝিরিঝিরি পানির ফোয়ারা

 

নি’য়ন্ত্রণ করে মুহূ’র্তেই। গোবর আর চোনাও (প্র’স্রাব) ধুয়ে ফেলা হয় স’ঙ্গে স’ঙ্গে। খামা’রটিতে জার্সি,

হলস্টাইন ফ্রিজিয়ান, উলবারি, কাংরেজ, হালিকার, গির, দেশালসহ নিজস্ব উপায়ে ব্রিড করা বিভিন্ন

জাতের গরু রয়েছে। গরুর খাদ্য তালিকায় খড়, চিটাগুড়, গম, চালের খুদ, ভুসি, ডাবলি, ছোলা, কুড়া,

 

খৈল, ধান ভা’ঙা, খড়, কাঁচা ঘাস ছাড়াও শাক-পাতা জাতীয় খাবার রয়েছে।মেঘডুবি অ্যাগ্রোর মালিক ও

ব্যব’স্থাপনা পরিচালক মোহাম্ম’দ আলী শাহিনের স’ঙ্গে কথা হয় খামা’র প্রস’ঙ্গে। বলেন, আর দশটি

খামা’রের স’ঙ্গে আপনি আমা’র খামা’রের তুলনা ক’রতে পারবেন না। আমি এটিকে ‘প্রাকৃতিক খামা’র’

 

বলি। কারণ প্রাকৃতিকভাবেই এখানে গরুর পরিচর্যা করা হয়। ‘স্বপ্ন থাকলে আর কৌশল প্রয়োগ করলে

যেকোনো অসাধ্যকে সাধ’ন করা যায়। যারা আমা’র খামা’র থেকে গরু নিচ্ছেন, তারাই ফের অর্ডার

করছেন।’ বাজার প’রিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমা’র গরুর মাকের্ট মূ’লত সী’মান্তের স’ঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

এটি স’রকারের দেখার কথা। কিন্তু আম’রা দেশীয় খামা’রের জন্য স’রকারের আন্তরিকতার ঘাটতি দেখি।

এ কারণে ছোট খামা’রিরা সব সময় আ’তঙ্কে থাকেন।’‘তবে আমি আশাবা’দী’ উল্লেখ করে তিনি আরও

বলেন, ‘আম’রা চাই শিক্ষিত, তরুণ, উদ্যমীরাও এ সেক্টরে আসুক

 

 

Check Also

নিঃস্ব হওয়ার পথে ভারত!

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ বলছে, ভারতে প্রতি সেকেন্ডে চারজন করে নতুন করো’না রোগী শনা’ক্ত হচ্ছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *