1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
মোহাম্মদপুরের রাহমানিয়া মাদ্রাসা মুক্ত হচ্ছে মামুনুলের দখল থেকে - Daily Moon
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

মোহাম্মদপুরের রাহমানিয়া মাদ্রাসা মুক্ত হচ্ছে মামুনুলের দখল থেকে

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ১১ View

প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা ঘিরে একটি দুষ্টচ’ক্র গড়ে

তুলেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। ওই প্রতিষ্ঠানটিতে রাজনীতি ঢোকান মামুনুলের বাবা

 

মাওলানা আজিজুল হক। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক ছিলেন। বর্তমানে আজিজুলের চার

ছেলে, নাতিসহ অন্তত ২০ আত্মীয় প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন। এটা যেন তাদের ‘পারিবারিক সম্পত্তি’। জেলা

 

প্রশাসন ও আদালত থেকে তিন দফায় রায় বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মামুনুল গ্রে’প্তা’রের পর আবার

নড়েচড়ে বসেছেন বিতাড়িত সেই শিক্ষকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার তারা মাদ্রাসায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায়

 

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বরাবর লিখিত আবেদন করেন। সেখানে তারা

আদালতের রায়ের অনুলিপি সংযুক্ত করে দেন। জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার অন্তত সাতজন সাবেক

 

শিক্ষকের সঙ্গে গতকাল কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুফতি হিফজুর রহমান। তিনি

একসময় মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০০১ সালে তাকেসহ ৩৬ শিক্ষককে একযোগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে

 

অন্যা’য়ভাবে বের করে দেওয়া হয়। হিফজুর সমকালকে জানান, ১৯৮৬ সালে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা

সদস্য ছিলেন ১০ জন। তাদের মধ্যে সিনিয়র ছিলেন শায়খুল হাদীস মাওলানা আজিজুল হক। তাই শুরুতে তাকে

 

ঘিরেই এ মাদ্রাসা পরিচালিত হতো। ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির ওপর এটি গড়ে ওঠে। হাজি মোহাম্মদ আলী ও নূর হোসেন এ

সম্পত্তির মালিক ছিলেন। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তাদেরও নাম রয়েছে। হিফজুর রহমান আরও

 

বলেন, পরবর্তী সময়ে মাদ্রাসাটিকে একটি পারিবারিক সম্পত্তি হিসেবে রূপ দেন মামুনুল হক ও তার স্বজনরা।

তারাই এটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। আদালত ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন দফায় মামুনুল হকসহ অবৈ’ধ

 

দখলদারদের উচ্ছেদ করার নির্দেশনা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামুনুলের আর ৪ ভাই

ও ৮ বোন আছেন। এর মধ্যে মামুনুলসহ চার ভাই এ মাদ্রাসার শিক্ষক। অন্যরা হলেন- মাহফুজুল হক, মাহমুদুল

 

হক ও মাহবুবুল হক। তাদের একাধিক ভাগিনা ও ভাতিজা সেই মাদ্রাসার শিক্ষক। জানা গেছে, ২০০১ সালে বিএনপি

নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদ্রাসাটির তৎকালীন অধ্যক্ষসহ

 

পরিচালনা কমিটির অন্যদের উচ্ছেদ করা হয়। ওই উচ্ছেদে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির কর্মীদের জড়ো

করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রশাসনও এতে সহায়তা করে। মামুনুল ওই মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর যারা প্রতিষ্ঠানটি

 

ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- মুফতি হিফজুর রহমান, মুফতি মনসুরুল হক, ইব্রাহিম হেলাল,

সাইদ, মিজানুর রহমান, রুহুল আমিন, ইদ্রিস, ফারুক, আবদুল কাইয়ুম, ওবায়দুল্লাহ, রেজওয়ানুর, আবদুর

 

রাজ্জাক, হিলাল উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন, মনিরুজ্জামান, আহমদ উল্লাহ, হাসান সিদ্দিকুর, ওমর ফারুক, আবদুর

রহিম, হেলাল উদ্দিন, রুহুল আমিন, কামরুজ্জামান প্রমূখ। মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক জানান, আদালত থেকে

 

তাদের পক্ষে রায় দেওয়া হলেও এতকাল সরকারপন্থি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গ্রুপের কারণে তারা মাদ্রাসার

নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি। বারবার তাদের হস্তক্ষেপে প্রশাসন পিছু হটে। এটা না হলে অনেক আগেই অবৈ’ধ

দখলদারদের সেখান থেকে বিতাড়িত করা সম্ভব ছিল।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony