Breaking News

যে কারণে আর ৬ ব্যাটসম্যান ৫ বোলার নিয়ে খেলবে না মুমিনুল……..

ঠিক ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট নয়, লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে চাচ্ছেন- দ্বিতীয় টেস্টের উইকেট যেন হয়

‘স্পোর্টিং’। যেখানে বোলার ও ব্যাটসম্যান দুই’ই সহায়তা পাবেন এবং লঙ্কান অধিনায়কের চাওয়াটা এমন যে, পিচ

 

প্রথম তিন দিন থাকবে ব্যটিং সহায়ক, পরের দু’দিন যেন হয় স্পিন সহায়ক। শেষ টেস্টের স্বাগতিক অধিনায়ক

যখন এমন বার্তাই দেন, তখন ধরেই নিতে হবে উইকেটের চরিত্র পাল্টাচ্ছে। মানে প্রথম টেস্টের মত শতভাগ

 

ব্যাটিং বান্ধব আর একটু-আধটু পেস বোলিং সহায়ক পিচ হচ্ছে না।তাহলে কেমন হবে পিচ? আগামীকাল ২৯

এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) পাল্লেকেল্লেতে যে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে, সে পিচের চরিত্র ও গতি-প্রকৃতি কেমন হতে

 

পারে? তা নিয়ে খানিক ধুম্রজাল।বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার ও ঝানু ক্রিকেট যোদ্ধা খালেদ মাহমুদ সুজনের ধারনা,

উইকেটের চরিত্র প্রায় একই রকম থাকবে।প্র্যাকটিসে উইকেট দেখে কী মনে হলো? আজ বুধবার সন্ধ্যায় জাগো

 

নিউজের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হলে বাংলাদেশ টিম লিডার সুজনের জবাব, ‘দেখে তেমন কিছু বোঝা

গেল না। তবে এটা অবশ্যই বলবো প্রথম টেস্টের চেয়ে এ টেস্টের উইকেট অনেক বেশি ড্রাই।’ সুজন যোগ করেন,

 

‘শুকনো পিচ মানেই একটা সময় গিয়ে একটু-আধটু ভাঙ্গতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্পিনারদের বাড়তি সাহায্য পাবার

সম্ভাবনাও থাকবে। তবে কী বাংলাদেশ বাড়তি তথা তিনজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নামবে?’ সুজনের জবাব, ‘না, না।

 

আমাদের স্কোয়াড যেহেতু অপরিবর্তিত, তাই তিন স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজাবো কী করে? আমাদের ১৫ জনের

দলেই তো স্পেশালিষ্ট স্পিনার মোটে দুজন- তাইজুল আর মিরাজ।’সুজন যোগ করেন, ‘উইকেটে যদি শেষ পর্যন্ত

 

স্পিনারদের জন্য কিছু থাকেও তাতেও কোন সমস্যা নেই। আমাদের তো দুজন ভাল মানের স্পিনারই আছে।

মিরাজ, তাইজুল তো থাকছেই।’ তাহলে কী তিন পেসার ফর্মুলাও অটুট থাকবে? নাকি একজন পেসার কমিয়ে

 

ব্যাটসম্যান খেলানো হতে পারে?’ এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো দুপুরেই জানিয়ে দিয়েছেন,

ওপেনিং জুটিতে কোন রদবদল হচ্ছে না। প্রথম টেস্টের উভয় ইনিংসে চরম ব্যর্থ ওপেনার সাইফ হাসানকে (০ ও ১

) আরও একটি সুযোগ দেয়া হবে। তবে কী প্রথম টেস্টের একাদশই খেলবে? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে খানিক

 

দ্বীধায় খালেদ মাহমুদ। সরাসরি কিছু না বলে শুধু জানালেন, ‘উইকেট একটু বেশি ড্রাই মনে হলো দেখে। বলে দেয়া

হয়েছে কাল বৃহস্পতিবার সকালে উইকেট দেখে একাদশ চূড়ান্ত করা হবে।’ টিম লিডারের এ কথার অর্থ কী? তবে

কী পিচের মেজাজ বুঝে একজন পেসার কমিয়ে বাড়তি ব্যাটসম্যান খেলানোর চিন্তা চলছে? প্রথম টেস্টের ৬

 

ব্যাটসম্যান আর ৫ বোলার খেলানোর ফর্মুলা থেকে কী তবে শেষ টেস্টে সরে আসতে চাচ্ছে টাইগাররা? যদি তাই

হয়, তাহলে তিন পেসার আবু জায়েদ রাহী, তাসকিন আহমেদ আর এবাদত হোসেনের যে কোন একজনের কপাল

 

পুড়বে। তাদের যে কোন একজনকে ছেঁটে ফেলে কী মোহাম্মদ মিঠুনকে খেলানোর চিন্তা ভাবনা চলছে? নাকি প্রথম

টেস্টের ফর্মূলাই অটুট থাকবে। যদি তাও থাকে, তাহলেও হয়ত পেস ডিপার্টমেন্টে আসতে পারে ছোট্ট পরিবর্তন;

বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল একাদশে ঢুকে যেতে পারেন। এ তরুণের কাল অভিষেক হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে

না।

 

 

Check Also

বাড়ি বাড়ি কাজ করা মায়ের ছেলে এখন দেশের বড় বিজ্ঞানী!

বাড়ি বাড়ি কাজ করা মায়ের সন্তান চাকরি পেলেন ভারতের মহাকাশ সংস্থায়। হ্যাঁ, আপনি ঠিক শুনেছেন, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *