1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
রহিমার ভালোবাসার টানে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার এখন যশোরের কৃষক! - Dailymoon24
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গভীর রাতে অল কমিউনিটি ক্লাবে পরীমনি, ভিডিও প্রকাশ! কমিউনিটি ক্লাব কাণ্ড: পরীমনির সঙ্গে ছিলেন হাফপ্যান্ট পরা যুবক এবার উল্টো ফেঁসে যাচ্ছেন পরীমনি, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে পারেন নায়িকা ভাসানচর থেকে পা’লিয়ে বউয়ের কাছে যাওয়ার পথে রোহি’ঙ্গা যু’বক আ’টক ক’বরস্থান নিয়ে সং’ঘ’র্ষের ঘটনায় অ’স্ত্রধা’রী সেই যুবক গ্রে’ফতার গত ৪১ বছরে যা পারেনি এবার তাই করে দেখালো বাংলাদেশ নিখোঁজ আদনান, যে তিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ! শ্যা’লিকাকে পেতে স্ত্রী’কে হ’ত্যার পর গু’ম, সাত মাস পর র’হস্য উ’দ্ঘাটন কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে প্রেম নিয়ে যা বললেন শ্রীময়ী খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রসঙ্গে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বি’স্ফো’রক মন্তব্য

রহিমার ভালোবাসার টানে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার এখন যশোরের কৃষক!

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১ View

আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার ক্রিস হোগল ও বাঙালি নারী রহিমা খাতুনের বিরল ভালোবাসার গল্প শুনবো আজ। প্রেমের টানে একযুগ ধরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশি নারীর সঙ্গে ঘর সংসার করছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে পেশা

 

হিসেবে বেছে নিয়েছেন কৃষিকাজ। নিজেই জমিতে ধান কা’টেন, বোঝা টেনে নিয়ে ধান তোলেন ভ্যানে। যশোরের কেশবপুরের মেহেরপুর গ্রামে সংসার করছেন রহিমা ও ক্রিস হোগল দম্পতি। জানা গেছে, ক্রিস হোগলের বাড়ি

 

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে, পেশায় তিনি পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার। রহিমা খাতুনের সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন তিনি ভারতের মুম্বাই শহরে থাকতেন। সেখানে তিনি অনিল আম্বানির রিলায়েন্স ন্যাচারাল রিসোর্সেস লিমিটেড কোম্পানিতে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন। মুম্বাই শহরেই ঘটনাক্রমে রহিমার সঙ্গে তার দেখা হয়।

 

 

রহিমা খাতুন বলেন, শৈশবে তার বাবা আবুল খাঁ ও মা নেছারুন নেছার হাত ধরে অ’ভাবের তা’ড়’নায় পাড়ি জমান ভারতে। পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে তার মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। বাবা শ্রম বিক্রি করতেন। আর রহিমা সেই শৈশবে বারাসাতের ব’স্তিতে একা থাকতেন। তের চৌদ্দ বছর বয়সে বাবা তাকে বিয়ে দেন।

 

জমিও ক্রয় করেন সেখানে। রহিমা খাতুন তখন তিন সন্তানের জননী। কিন্তু অ’ভা’বের তা’ড়না’য় তার প্রাক্তন স্বামী সেখানকার জমি বিক্রি করে দেন। রহিমা খাতুনকে একা ফেলে তার স্বামী নি’রুদ্দে’শ হয়ে যান। রহিমা খাতুন চলে যান জীবিকার স’ন্ধানে মুম্বাই শহরে। রহিমা খাতুন আশ্রয় নেন পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তির বস্তির খুপরিতে। হঠাৎ

 

একদিন সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের রাস্তায় পরিচয় হয় ক্রিস হোগলের সঙ্গে। ক্রিস হোগল এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন তার পানে। হিন্দিতে দুয়েক লাইন কথা বলার পর তারা আবার দেখা করার সি’দ্ধান্ত নেন। এভাবে ছয় মাস পর তারা বিয়ে

 

রেজিস্ট্রি করেন। বিয়ের তিন বছর পর কর্মসূত্রে ক্রিস হোগল স্ত্রী রহিমাকে নিয়ে চীনে যান। সেখানে পাঁচ বছর ছিলেন। এরপর তারা কেশবপুরের মেহেরপুরে রহিমা খাতুনের বাবার ভিটায় ফিরে আসেন।

 

মেহেরপুরে ফিরে আসার পর রহিমা খাতুনের বাবা আবুল খাঁ মা’রা যান। বাড়ির উঠানের পাশে তাকে ক’বর দেওয়া হয়। মোজাইক পাথর দিয়ে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে বাবার কবর সংরক্ষণ করেন তারা। রহিমার মা নেছারুন নেছা এখনও জীবিত। রহিমার প্রথম স্বামীর তিনটি সন্তান তাদের সঙ্গে থাকে। এভাবেই চলছে ক্রিস হোগল ও রহিমার সুখের সংসার।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony