Breaking News

লাইফ সাপোর্টে স্ত্রী, ঈদের মোনাজাতে দোয়া চাইলেন ডেপুটি স্পিকার

ঈদের মোনাজাতে দোয়া- পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজে মোনাজাতের সময় স্ত্রীর জন্য দেশবাসীর

কাছে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া।

রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় স্ত্রীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

 

জানা গেছে, ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা রাব্বী ঢাকার সম্মিলিত

সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এক সপ্তাহ ধরে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

এ অবস্থায় স্ত্রীর সু’স্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

 

ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, প্রতি বছর নিজ বাড়িতে ঈদুল ফিতরের

নামাজ আদায় করে থাকি। কিন্তু কষ্টের বিষয় এবার বাড়িতে ঈদের নামাজ আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।

কারণ আমার স্ত্রী আনোয়ারা রাব্বী অ’সুস্থ অবস্থায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে।

 

এজন্য আমি এবার স্ত্রীকে রেখে বাড়ি যেতে পারছি না। আপনারা ঈদের নামাজে

আমার স্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে সু’স্থতা দান করেন।

গত সোমবার (১৮ মে) গা’ইবান্ধা-৫ আসনের বিভিন্ন উপজেলায় ঈদ উপহার বিতরণ করতে

 

আসেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। হঠাৎ তার স্ত্রী আনোয়ারা রাব্বী অ’সুস্থ

হয়ে পড়লে সেদিনই ঢাকায় যান তিনি। প্রথমে স্ত্রীকে ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

সেখানে এক সপ্তাহ ধরে লাইফ সাপোর্টে আছেন আনোয়ারা রাব্বী।

 ক’রোনা মানুষের রু’টি-রুজিতে চরম  আ’ঘা’ত হেনেছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনা’ভা’ইরাসের ম’হা’মারির কারণে

সারাবিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। অগণিত মানুষের প্রাণহানি ছাড়াও এই মহামারি মানুষের রুটি-রুজির ওপর চরম

 

আঘাত হেনেছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। করোনাভাইরাস বিস্তাররোধে সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য জরুরি কিছু সেবা ছাড়া বন্ধ করে

 

দিতে হয়েছে অফিস-আদালত, কল-কারখানা, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানসহ সবকিছু। লাখ লাখ

মানুষ আজ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। হারিয়েছেন তাদের রুটি-রুজির সংস্থান।

‘এসব কর্মহীন মানুষের সহায়তার জন্য সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে। খাদ্য সহায়তা ছাড়াও

 

দেয়া হচ্ছে নগদ অর্থ। এ পর্যন্ত এক লাখ ৬২ হাজার ৮৬৭ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ৯১

কোটি ৪৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য

৮০ হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মে মাসে দরিদ্র পরিবারের জন্য অতিরিক্ত

 

৫০ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা এই চাল কিনতে পারবেন।

কাজ হারিয়েছেন কিন্তু কোনো সহায়তা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত নন এ ধরনের ৫০ লাখ পরিবারকে

আড়াই হাজার টাকা করে মোট ১২৫০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে।’

 

তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য দু-দফায় ১৭ কোটিরও বেশি এবং

সারাদেশের মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ১২২ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া

হয়েছে। এছাড়া সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সহায়তার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

 

যতদিন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে, ততদিন এসব কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

অনেক সদাশয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দরিদ্র জনগণের সহায়তায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণে

এগিয়ে এসেছেন। আমি তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

 

Check Also

মুনিয়াকে নিয়ে নতুন যে তথ্য দিলেন অধ্যক্ষ

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশা;নের একটি ফ্ল্যাটে আ;;ত্মহ;;ত্যা করা মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *