1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হ’ত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে… - Daily Moon
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হ’ত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে…

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : বুধবার, ৩ জুন, ২০২০
  • ৪৮৫ View

মিজদা শহরের সংগঠিত হ’ত্যাকাণ্ডে ঘ’টনাস্থলে মোট ৩৮ জন বাংলাদেশি জিম্মি

ছিলেন। এছাড়া উক্ত ক্যাম্পে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের আরো শতাধিক নাগরিক বন্দী ছিলেন।

এই ক্যাম্পটি মিজদার স্থানীয় একজন লিবিয়ান নাগরিকের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল, যার বয়স মাত্র ৩০ বছর।

 

লিবিয়া সরকারের তথ্যমতে, তার নামে বিভিন্ন অপরাধ ও মানবপা’চারের অ’ভিযোগ ছিল। এছাড়াও

তার সহযোগী হিসাবে আরও কয়েকজন অ’স্ত্রধারী কাজ করত। তারা স্থানীয় কোন মিলিশিয়া গ্রুপের

সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে। এই চক্রটি মূলত মরুভূমির মধ্য দিয়ে পা’চারের সময় আফ্রিকাসহ

 

বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের জিম্মি করে নি’র্যাতনের মাধ্যমে মু’ক্তিপণ আদায় করত।

আ’হত বাংলাদেশি ও তাদের আ’ত্মীয়স্বজনদের দেওয়া তথ্য মতে, বর্ণিত বাংলাদেশিরা ক’রোনা’ভা’ইরাসের

প্রাদু’র্ভাবের পূর্বে ক্ষেত্র বিশেষে ৬-৭ মাস আগে মানবপা’চারকা’রীদের সহযোগিতায় লিবিয়ার বেনগাজীতে

 

আগমন করেন। তারা মূলত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় এসেছেন। কিন্তু

ক’রোনাভা’ইরাসের কারণে ই’তালি যাওয়া কঠিন হয়ে যাওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধ’রে বেনগাজীতে আ’টকে

প’ড়েন। বর্তমানে সামা’র সিজন শুরু হওয়াতে পা’চারকা’রীরা কিছু কিছু অভিবাসীদের লিবিয়ার পশ্চিম

 

উপকূল হতে ইতালি প্রেরণ শুরু করে। যদিও তাদের বেশিরভাগ নৌকাই লিবিয়ার কোস্টগা’র্ডের নিকট

আ’টক হচ্ছে। কিন্তু গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশি দালাল কর্তৃক প্র’চারিত সাগর পথে বাংলাদেশিদের

ইতালি পৌঁছানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভা’ইরাল হয়। যা দেখে তারা যেকোন উপায়ে ইতালি

 

যাওয়ার জন্য লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আসার চে’ষ্টা শুরু করেন। এই অব’স্থায় বর্ণিত ৩৮ জন দুই গ্রুপে

লিবিয়ার স্থানীয় বাংলাদেশি দালালদের সহযোগিতায় ১০-১৫ দিন পূর্বে মরুভূমি হয়ে বেনগাজী থেকে

পশ্চিম লিবিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। লিবিয়ায় বর্তমানে যু’দ্ধ ও করোনার কারণে পূর্বাঞ্চল থেকে

 

পশ্চিমাঞ্চলের শহরে যাতায়াতে নি’ষেধাজ্ঞা থাকায় পা’চারকা’রীরা মরুভূমির অপ্রচলিত পথ দিয়ে তাদেরকে

প্রেরণ করে। পথে চেকপয়েন্ট এড়ানোর জন্য মরুভূমির মধ্যে তাদেরকে অনেক পথ ঘুরতে হয়। বেনগাজী

থেকে যাত্রার দুইদিন পর তাদেরকে প্রথমে এক অ’পহর’ণ’কারী চক্র ধ’রে মরুভূমিতে এক ঘরে আ’টকে রাখেন।

 

এই চক্র জি’ম্মিদের সাথে কোন খারাপ ব্যবহার বা নি’র্যাতন করেনি বলে বাংলাদেশিরা জানিয়েছে।

তিনদিন পর জি’ম্মিদে’রকে সারারাত ভ্রমণের পর মিজদার পা’চারকা’রীদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে প্রথম গ্রুপটি অর্থের বিনিময়ে মিজদার গ্রুপের নিকট জি’ম্মিদের বি’ক্রি করেছে।

 

মিজদায় আনার পর থেকে শুরু হয় তাদের উপর অবর্ণনীয় নি’র্যাতন। অ’পহ’রণকা’রীরা মু’ক্তিপণ হিসাবে

প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ১০-১২ হাজার মা’র্কিন ডলার মু’ক্তিপণ দাবী ক’রতে থাকে এবং মু’ক্তিপণের

অ’র্থ দুবাই প্রেরণের কথা জা’নান। মু’ক্তিপণ আদায়ে বিলম্ব হওয়ায় দিনকে দিন নি’র্যাতন বাড়তে থাকে।

 

লিবিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া এবং আ’হতদের দেওয়া তথ্য মতে, গত ২৭ মে ২০২০ তারিখ দিবাগত রাতে

অ’প’হরণকা’রীর মূলহোতা ও তার দুয়েকজন সহযোগী পুনরায় অ’স্ত্র’সহ জি’ম্মি অ’ভি’বাসীদের ক্যাম্পে আসে

এবং নি’র্যাতন শুরুর একপর্যায়ে কয়েকজন আফ্রিকার নাগরিক তার অ’স্ত্র’ কেড়ে নিতে সক্ষম হয়। যাতে

 

কয়েকজন বাংলাদেশিও সহযোগিতা করে থাকতে পারে বলে জানা যায়। এই অব’স্থায় আফ্রিকান নাগরিকের

ছোড়া গু’লিতে অ’প’হরণ’কারী মূলহোতা নি’হত হন এবং তার সহযোগী আ’হত হন।

তবে এই খবরটি নি’হত লি’বি’য়ানের পরিবার ও ব’ন্ধুবান্ধবের কাছে বাংলাদেশিরা তাকে হ’ত্যা করেছে বলে

 

পৌঁছায়। একপর্যায়ে তারা প্র’তিশোধ পরায়ণ হয়ে স’শ’স্ত্র’ভাবে জিম্মি অভিবাসীদের ক্যাম্পে হা’মলা

চালায় এবং নির্বিচারে গু’লি ছোড়ে। যার ফলে এই বর্বরোচিত হ’তাহতে’র ঘ’টনা ঘটে। যদিও লিবিয়ার

সোশ্যাল মিডিয়াতে উক্ত অ’পহ’রণকা’রী আফ্রিকানদের হাতে নি’হত হয়েছেন বলে শুরু থেকেই প্র’চার হয়েছে।

 

এই বিষয়ে বিভিন্ন উপায়ে মিজদার কয়েকজন লিবিয়ানের সাথে কথা বলে জানা যায়, নি’হত লিবিয়ানের

বাড়িটি একটি বিশালাকার প্রাসাদ। যার পিছনে কিছুটা আ’ন্ডা’রগ্রা’উন্ডে সে অভিবাসীদের জিম্মি রাখার

আস্তানা তৈরি করেছিল। এই প্রাসাদের আশেপাশে সবই তার আ’ত্মী’য়স্ব’জ’নের বাড়ি। কিন্তু তার আত্মীয়স্বজন

 

ছাড়া স্থানীয়রা এইখানে অভিবাসীদের বন্দিশালার বিষয়ে কেউ জানত না। ঘ’টনার দিন নি’হত লিবিয়ানের

আ’ত্মীয়স্ব’জনরা এলাকাবাসীকে কিছু টেরোরিস্ট গ্রুপ তাদের ছে’লেকে হ’’ত্যা করেছে বলে ভুল বুঝিয়ে ক্ষিপ্ত

করেছিল। স্থানীয়রা জানতোই না ভিতরে বাংলাদেশি আছেন। এমনকি নির্মম হ’ত্যাকাণ্ডের পরও এদেরকে

 

টেরোরিস্ট বলে প্র’চার করেছিল। ঘ’টনার পর’প’রই কিছু কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় নি’হতদেরকে লিবিয়ায়

যু’দ্ধ’রত প্রতিপক্ষের ভাড়াটে সৈ’ন্য বলেও দাবী করা হয়েছিল। কিন্তু নি’হতরা বাংলাদেশি হওয়ায় সকলে

বি’স্মি’ত হয়ে যায়। বর্তমানে স্থানীয় মিজদার নাগরিকরা এই ঘ’টনায় অনুতপ্ত বলে তারা জা’নিয়েছেন।

এই নৃ’শং’স হ’ত্যাকাণ্ডের ঘ’টনার সময় জি’ম্মি ৩৮ জন বাংলাদেশির মধ্য ৩৫ জনের পরিচয় ত্রিপলীর বাংলাদেশ

 

 

দূতাবাস নি’শ্চিত করেছে। যাদের মধ্যে সম্ভাব্য নি’হত ২৬ জনের মধ্য ২৩ জন এবং আ’হত ১১ জ’নস’হ বেঁ’চে

যাওয়া ১২ জনের পরিচয় প্র’কাশ করেছে। বেঁ’চে যাওয়া দুইজনের সাথে কথা বললে তারা জানায়, কিভাবে তারা

জীবিত আছেন তা পরি’ষ্কার বলতে পারে না। কো’নভা’বে কারো নিচে ছাপা প’ড়ে বা কিনারায় প’ড়ে থেকে

বা মৃ’ত্যু’র ভান করে হয়তো তারা বেঁ’চে গেছেন।

 

পরবর্তীতে তাদেরকে মিজদা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও গণ্ডগোল দেখা দিলে তাদেরকে প্রাথমিক

চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত অন্য শহরে পাঠানোর ব্যব’স্থা করা হয়। কিন্তু পা’চারকা’রীদের ভয়ে তাদেরকে

আশেপাশের কোন হাসপাতালে ভর্তি নেয়নি। এক প’র্যা’য়ে তাদেরকে জিনতান হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে

ত্রিপলীতে পাঠানো হয়। বর্তমানে

 

আ’হত ১১ জন বাংলাদেশি ত্রিপলীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকি’ৎসাধী’ন আছে ব’লে দূতা’বাস জানিয়েছে।

অন্যদিকে এই ঘ’টনায় নি’হত সকলের মৃ’তদে’হ ইতিমধ্যে মিজদায় দা’ফন করে ফেলা হয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘ’টনার মাধ্যমে লিবিয়া হয়ে সাগর পথে ইউরোপ যাওয়ার ২৬ জন বাংলাদেশির স্বপ্নের অন্তিম

পরিণাম হলো। এই পথের স্বপ্নে প্রতি বছরই বাংলাদেশিরা

 

প্রা’ণ দিচ্ছে। গত বছর এক নৌকাডুবির ঘ’টনায় ৩৭ জন ভূমধ্যসাগরে মৃ’ত্যুবরণ করেছিল, যাদের লা’শও

পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রতি বছর শতশত বাংলাদেশি লিবিয়ার কোস্টগা’র্ডের হাতে আ’টক হয়ে লিবিয়ার

সফর জে’লে বন্দী হচ্ছেন এবং চরম নি’র্যাতন  সহ্যের পর খালি হাতে দেশে ফি’রে যাচ্ছেন। অথচ

তারপরও বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়ার জন্য নতুন করে বাংলাদেশিরা অ’বৈধভা’বে লি’বিয়ায় আ’সছে।

 

কিন্তু এতসব মৃ’ত্যুর পরও কেন বাংলাদেশিরা এই পথে পা বাড়াচ্ছে। প্রথমত: বাংলাদেশে দালালদের

তৎপরতা ব’ন্ধে সরকারের কার্যকরী উদ্যোগের অভাব এবং বছরের পর বছর

ধ’রে চিহ্নিত পা’চারকা’রীদের শাস্তি না হওয়া। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুধুমাত্র যারা ইতালি

পৌঁছায় তাদের সফলতা প্র’চার হওয়া। অন্যদিকে এই পথের মৃ’ত্যুর

 

ঝুঁকি বা ভ’য়াবহতা নিয়ে সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে প্র’চারণার অভাব। দ্বিতীয়ত: লিবিয়ার অস্থিতিশীল

প’রিস্থিতির কারণে দেশটির সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়া। এই সুযোগ গ্রহণ করে পা’চারকা’রীরা অভিবাসীদের

কোন ধ’রণের ভিসা ছাড়া সরাসরি বিমানবন্দর দিয়ে লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করাতে পারছেন।

এছাড়া স্থানীয় মিলিশিয়াদের সরাসরি সাগর পথে মানবপা’চারের সাথে যুক্ত থাকায় বৃহৎ পরিসরে অনেকটা

 

উন্মু’ক্তভাবে পা’চার কার্যক্রম ক’রতে পারা। তৃতীয়ত: বাংলাদেশিদের অতি লোভ। অনেকক্ষেত্রে একই

গ্রামের পাশের ছেলে ইতালি পৌঁছানোর খবরে লোভে প’ড়েন। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারের পক্ষ থেকে

তাদের ছেলেকে ইউরোপ পঠানোর জন্য বিপুল অর্থের যোগান দেওয়া হয়।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ এবং আ’ইনের

 

বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। আম’রা শুধুমাত্র কোন দুর্ঘ’টনা ঘটলে সাময়িক আ’ইনশৃঙ্খলা বা’হিনীর তৎপরতা দেখি।

কিন্তু মানবপা’চার ব’ন্ধের জন্য বছরব্যাপী তৎপরতা চালানো প্রয়োজন। বাংলাদেশে এন্টি টেরোরিস্ট

ইউনিটের মতো মানবপা’চার বিরোধী একটি স্থায়ী ইউনিট গঠন করা খুবই জরুরী হয়ে প’ড়েছে।

যারা সারা বছর গোয়ান্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে শুধু মানবপা’চার প্র’তিরোধের কাজে নিয়োজিত থাকবে।

 

সর্বোপরি এই মৃ’ত্যুর মিছিল ব’ন্ধ ক’রতে সকলের সচে’তন হওয়ার বিকল্প নেই। বিশেষ করে মানবপা’চার

এবং অ’বৈধ অভিবাসন নিয়ে মিডিয়ার অগ্রবর্তী ভূমিকা রাখতে হবে।

অ’বৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি ও ভ’য়াবহতা নিয়ে খবরের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে নিয়মিত

প্রতিবেদন প্র’চার করা যেতে পারে।

 

তাছাড়া মিডিয়াকে খবর প্র’কাশের ক্ষেত্রে আরো সচে’তন হতে হবে। অনেক বছর পর সম্প্রতি ইতালি

সরকার শুধু গৃহ পরিচারক ও কৃষিক্ষেত্রে ক’র্মরত কিছু অ’বৈধ

অভিবাসীদের বৈধতার সুযোগ দিয়েছে। অথচ এই খবরের গ’ভীরে না গিয়ে আমাদের সব

মিডিয়া ইতালিতে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে প্র’চার করেছে। যা সোশ্যাল

মিডিয়ায় ব্যা’পকভাবে শেয়ার হয়েছে এবং অনেকেই এই পথে পা বাড়াতে

 

 

আগ্রহী হয়েছে। বাস্তবিক অর্থে ইতালিতে বর্ণিত দুই পেশায় অ’বৈধ বাংলাদেশিরা তেমন একটা যুক্ত নেই।

অন্যদিকে লিবিয়ায় যতদিন পর্যন্ত একটি স্থিতিশীল সরকার ফি’রে আসবে না ততোদিন সাগর পথে ইউরোপ

প্রেরণের পা’চার কার্যক্রম চালু থাকবে। কারণ মানবপা’চারকে

অনেক ক্ষেত্রে সরকার ইউরোপিয়ানদের সাথে বিভিন্ন দেন দরবারের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে আ’সছে।

 

অন্যদিকে মানবপা’চার এখানকার স্থানীয় মিলিশিয়াদের অর্থ উপার্জনের মূল মাধ্যম। ফলে লিবিয়া

অংশে আপাতত মানবপা’চার ব’ন্ধ হবে না। এছাড়া এই চক্রের সাথে যুক্ত হয়েছে স্থানীয় বাংলাদেশি

দালাল চক্র। যাদেরকে লিবিয়ার বর্তমান প’রিস্থিতিতে আ’ইনের আওতায় আনা প্রায় অসম্ভব।

 

এরা এতই অপ্র’তিরোধ্য যে লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশিকে হ’ত্যার দিনও বাংলাদেশিদের সাগর পথে

ইতালি পৌঁছানোর মিথ্যা চমকপ্রদ খবর ফেসবুকে প্র’কাশ্যে প্র’চার করেছে। ফলে লিবিয়ায় চিহ্নিত

পা’চারকা’রী বাংলাদেশীদের পরিবারের বি’রুদ্ধে দেশে আ’ইনগত ব্যব’স্থা গ্রহণের

বিকল্প নেই।

তথ্যসূত্র : লিবিয়া প্রবাসী ক’ল্যাণ ফোরাম

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony