হেফাজত নিয়ে আওয়ামী লীগে অস্বস্তি বাড়ছে

২৬ ও ২৭ মা’র্চ ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চট্টগ্রামে তা’ণ্ডব করেছে হেফাজতে ইসলাম। ভারতের

প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের বিরো’ধীতা করে হেফাজত এই তা’ণ্ডব চালায়। এই তা’ণ্ডবের ব্যাপারে

 

একাধিক মা’মলা হয়েছে। ঢাকার বায়তুল মোকাররমে হা’মলা র ঘ’টনায় অনেকগুলো মা’মলা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাপারে তদ’ন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং মা’মলাও হয়েছে। কিন্তু হাটহাজারীর ঘ’টনা

 

নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মা’মলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে হেফাজতের ব্যাপারে নমনীয়তা এবং এখন

পর্যন্ত এই তা’ণ্ডবের স’ঙ্গে জড়িত দু’র্বৃ’ত্তদের ব্যাপারে ব্যব’স্থা গ্রহণ না করা নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে

 

অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। আওয়ামী লীগের শী’র্ষ নেতারা মনে করছেন, হেফাজতের প্রতি সাহানুভূতি থাকার

জন্য আওয়ামী লীগকে মূল্য দিতে হবে। হেফাজত কখনও আওয়ামী লীগের ব’ন্ধু হতে পারে না। আওয়ামী

 

লীগের সূত্রগুলো বলছে, মাঠ পর্যায়ের ক’র্মী এবং রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ মনে করেন হেফাজতকে দমন

করার এখনই সময়। ইতিমধ্যে ১৪ দল হেফাজতের ব্যাপারে ক’ঠোর অব’স্থান গ্রহণ করেছে এবং ১৪ দলের

 

পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে হেফাজতকে আর বাড়তে দেয়া যাবে না। কিন্তু ১৪ দলের এই বিবৃতির পরও

এখন পর্যন্ত হেফাজতের শী’র্ষস্থা’নীয় নেতা যেমন বাবুনগরী, মামুনুল হকসহ প্রমুখের বি’রুদ্ধে কোনো

 

দৃ’শ্যমান ব্যব’স্থা লক্ষ্য করা যায়নি। সরকারের একটি অংশ এই বিষয়টিকে একটি সমঝোতার মাধ্যমে

নিস্পত্তি করার দিকে এগোচ্ছে বলে একাধিক মহল মনে করছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ

 

এই ঘ’টনাটিকে দলের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন। আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম

সদস্য বলেছেন, হেফাজত সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছে এবং সেই চ্যালেঞ্জে’র যদি পাল্টা জবাব না দেই

 

তাহলে তারা মাথায় চড়ে বসবে। এতোদিন ধ’রে তারা একের পর এক অন্যায় আবদার করেছে কিন্তু

সরকার এসব আবদারের ব্যাপারে ক’ঠোর অব’স্থান গ্রহণ করেনি। তিনি এটাও বলেছেন আ’ইন যদি সবার

 

জন্য সমান হয় তাহলে এই ঘ’টনার সাথে যারা জড়িত, যারা ইন্ধনদাতা তাদের সকলকে আ’ইনের আওতায়

আনতে হবে। তবে সরকারের অন্য একটি সূত্র বলছে, বিষয়গুলো স্প’র্শকাতর তাই এই বিষয়ে চলমান

 

তদ’ন্তের প্র’তিবেদন পাওয়ার পরই যারা দোষী তাদের চি’হ্নিত করে তাদের বি’রুদ্ধে ব্যব’স্থা নেয়া হবে।

সরকার ঢালাওভাবে কোনো কিছু ক’রতে চায় না। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে ঘ’টনা ঘ’টেছে সেটা ভ’য়াবহ

 

এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ধ্বং’সস্তুপে প’রিণত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাচিত এমপিও এই ঘ’টনার জন্য

হেফাজতকে দায়ী করেছে। যদিও এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের কোনো গু’রুত্ব পূর্ণ ব্য’ক্তিকে

 

গ্রেফতার করা হয়নি। আর সরকারের এই সিদ্ধা’ন্তহীনতা এবং দীর্ঘসূত্রীতার কারণে হেফাজত নতুন করে

আশকারা পাচ্ছে। এ কারণে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সরকারবিরো’ধী আন্দোলনের

 

পায়তারা করছে। এ জন্য আওয়ামী লীগের মধ্যে এক ধ’রনের অস্থিরতা এবং অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

স্পষ্টই আওয়ামী লীগের মধ্যে দুটি মত পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ ক’র্মী এবং যারা দীর্ঘদিন রাজনীতির

 

স’ঙ্গে যুক্ত আছেন তারা মনে করছে যে হেফাজতকে এখনই দমন ক’রতে হবে না হলে আওয়ামী

লীগের জন্য এটি ভ’য়ঙ্কর হয়ে উঠবে। লীগের জন্য এটি ভ’য়ঙ্কর হয়ে উঠবে।

 

 

Check Also

উইঘু হ’ত্যাকা’ণ্ড: চীনের পক্ষে নরম সুর নিউজিল্যান্ডের

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুরদের ওপর যে নি’র্যা’তন চালানো হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে দাবি করা হচ্ছে, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *