1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
২০ দিনেই ‘পকেট ভেন্টিলেটর’ বানিয়ে তাক লাগালেন এই বিজ্ঞানী - Daily Moon
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ১০:২৩ অপরাহ্ন

২০ দিনেই ‘পকেট ভেন্টিলেটর’ বানিয়ে তাক লাগালেন এই বিজ্ঞানী

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১
  • ১১ View

এখন পর্যন্ত বিশ্বের সব আবিষ্কারের মূলেই রয়েছে প্রয়োজন। নানা রকম প্রয়োজন থেকেই এক এক সময় এক একটা জিনিস আবিষ্কৃত হয়েছে। জীবনকে সহজ করতে মানুষ তার অতি প্রয়োজনীয় জিনিস আবিষ্কারে কাজ করে যাচ্ছে।

করোনা মহামারির এই সময়েও নানা ধরনের জিনিসের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, ভেন্টিলেটরসহ আরও বেশ কিছু জিনিস করোনার চিকিৎসায় অনেক বেশি জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে।

করোনায় এসব প্রয়োজনীয় জিনিসের গুরুত্ব খুব ভালভাবেই বুঝেছিলেন ড. রামেন্দ্রলাল মুখোপাধ্যায়। কিছুদিন আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তার রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ৮৮ শতাংশে নেমে এসেছিল।

সে সময় তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না হলেও তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের জন্য ভেন্টিলেটরের গুরুত্ব কতটা। করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর তাই আর দেরি করেননি এই বিজ্ঞানী। মাত্র ২০ দিনেই রাত-দিন পরিশ্রম করে কোভিড রোগীদের জন্য বানিয়ে ফেলেছেন বিশেষ এই ‘পকেট ভেন্টিলেটর’।

এই পকেট ভেন্টিলেটরের ওজন মাত্র ২৫০ গ্রাম। এটি ছোট হওয়ায় পকেটেই বহন করা সম্ভব। সে কারণেই এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। এই ভেন্টিলেটর একবার চার্জ দিলে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা চলে।

সাধারণ মোবাইল চার্জার দিয়েই এটি অনায়াসে চার্জ দেওয়া যাবে। সে কারণে যেখানে সেখানে নিয়ে যাওয়ারও কোনো সমস্যা নেই। রামেন্দ্রলাল মুখোপাধ্যায়ের বিশ্বাস, কোভিড ও মিউকরমাইকোসিস রোগে আক্রান্তদের জন্য ছোট্ট এই ভেন্টিলেটরটি অত্যন্ত কাজে দেবে।

পকেট ভেন্টিলেটরে দু’টি ভাগ রয়েছে। একটি পাওয়ার ইউনিট এবং অন্যটি মাউথ পিস যুক্ত ভেন্টিলেটর ইউনিট। সুইচ অন হলে বাইরের বাতাস যন্ত্রে মজুত আল্ট্রা ভায়োলেট চেম্বার দিয়ে বিশুদ্ধ হয়ে ফুসফুসে পাঠায়। চেম্বারের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় বাতাসে কোনো জীবাণু থাকলে তাও মরে যায়

রোগী যখন নিঃশ্বাস ছাড়েন তখনও একই কায়দায় বাতাসকে আল্ট্রা ভায়োলেটে শুদ্ধ করে ছাড়ে এই যন্ত্র। ফলে ডাক্তার, নার্স বা রোগীর আশপাশে থাকা লোকজনেরও কোনো সমস্যা হবে না। এই যন্ত্রটি হাসপাতালে ব্যবহৃত সিপ অ্যাপ (কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার) যন্ত্রের ভালো বিকল্প বলেই জানিয়েছেন ড. রামেন্দ্রলাল।

ভারতে কোভিড পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠায় ইতোমধ্যেই ভেন্টিলেটরের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু তাও সংখ্যায় প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এই পরিস্থিতিতে রামেন্দ্রলালের এই আবিষ্কার বাড়িতে থাকা রোগীদের জন্য সহায়ক হয়ে উঠবে।

হঠাৎ করে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করলে কয়েকদিন পর্যন্ত এই যন্ত্রই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। রামেন্দ্রলাল নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং এ ধরনের প্রচুর আবিষ্কার রয়েছে তার। আর করোনা আবহে তার এই পকেট ভেন্টিলেটরকে কোনো বিপ্লবের চাইতে কম নয় বলেই মনে করছে বিশিষ্ট মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony