অসুস্থ ব্যক্তিদের শরীরে যেভাবে জেঁকে বসে ক’রোনা

প্রা’ণঘাতী কো’ভিড-19 করোনা ভাইরাসে বিশ্বের অন্তত ২১০ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রতিদিনই বাড়ছে মৃ’ত ও আ’ক্রান্তের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত কোনও প্র’তিষেধক বের না

হওয়ায় ল’কডাউন এবং সামাজিক দূরত্বের মতো বিষয়গুলোর ওপরই জোর দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ।

মরার ওপর খাঁড়ার ঘা-এই প্রবাদটি এখন খেটে যাচ্ছে প্রা’ণঘা’তী ক’রোনাভা’ইরাসের (কো’ভিড-১৯)

ক্ষেত্রে। ক’রোনাভাই’রাসের উৎপত্তিস্থল চী’নের গবেষকরা এক গবেষণায় দেখেছেন,

যে সব ব্যক্তিরা আগে থেকেই অ’সুস্থ তাদের ওপর জেঁকে বসে কো’ভিড-১৯। তারা বলছেন,

 

যারা আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের জটিল রো’গ ভুগছেন তাদের শরীরে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত

থেকে যেতে পারে ক’রোনা। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের একটি হাসপাতালের গবেষকদের

এ-সং’ক্রা’ন্ত প্রতিবেদন গতকাল প্রকাশ হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক

প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, কো’ভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ফুসফুস ও মলে থেকে যেতে

পারে ক’রোনা। এবং যারা যতবেশি অ’সুস্থ তাদের শরীরে ততদীর্ঘ সময় থেকে যায় এই ভা’ইরাস।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব রো’গীরা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ভুগেছেন ক’রোনায়,

 

তাদের এই সময়ের প্রায় অ’র্ধেকেরও কম সময়ে প্রস্রাবে এই ভা’ইরাসের উপস্থিতি

পাওয়া গেছে। তবে প্রথমদিকে র’ক্তে এই ভা’ইরাসের উপস্থিতি খুব কমই পাওয়া গেছে।

প্রভাবশালী চিকিৎসা সাময়িকী ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয়েছে।

 

তবে ক’রোনাভা’ইরাস নিয়ে এর আগে যতগুলো গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে,

এটি তাদের থেকে ভিন্ন ধরনের। জানুয়ারি থেকে মার্চ-এই তিন মাসে হাসপাতালের

৯৬ জন কো’ভিড-১৯ রোগীদের ওপর পরীক্ষা চালান। তারা এ সব রোগীর নাক, গলা,

 

শ্বা’সযন্ত্রের গভীর (যেমন-ফুসফুস), র’ক্ত, মল ও প্র’স্রাবের নমুনা সংগ্রহ করেন।

এ ভাবে তারা দেখতে চেয়েছেন এই ভা’ইরাস রো’গীদের শরী’রে কতদিন স্থায়ী থাকে

এবং অন্য কোনো ভাবে এই ভাইরাস অন্যদের শরীরে ছড়ায় কি-না।

 

তবে চীনা এই গবেষক দলের গবেষণা প্রতিবেদনে বিগত সময়ে প্রকাশ হওয়া

প্রতিবেদনের একটি তথ্যের বিষয়ে মিল রয়েছে-সেটি হলো আ’ক্রান্ত ব্যক্তির ম’লের

মাধ্যমে অন্যদের মাঝে ছড়াতে পারে ক’রোনা।

চীনা গবেষক দলের এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শ্বাসযন্ত্রে ক’রোনা ভা’ইরাসের টিকে

থাকার মধ্যম সময়কাল ১৮ দিন। গবেষকরা তাদের প্রতিবেদনে লিখেছেন,

‘যারা গুরুতরভাবে আ’ক্রান্ত হয়েছেন, তাদের শ্বা’সয’ন্ত্রের গভীরে আঘাত হেনেছে ক’রোনা।

 

এবং আ’ক্রান্ত নারীদের চেয়ে পুরুষদের শরীরে বেশি সময়কাল টিকে ছিল এই ভা’ইরাস।’

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ক্যাপসিকাম

করো’না আ’তঙ্কে আমরা সবাই। এ এমন এক জী’বাণু যার কোনো ওষুধ এখনও আ’বিষ্কার হয়নি।

তাই চিকিৎসক ও বি’শেষজ্ঞরা বলছেন- রোগ প্র’তিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমন খাবার খান নিয়মিত।

শরীরের জোর দিয়েই রুখতে হবে ভা’ইরাসকে। আমাদের উচিৎ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমনই এক সবজি হলো ক্যাপসিকাম। বেশ কিছু অসুখ

এই লাল, হলুদ, সবুজ মোটাসোটা লঙ্কা রুখে দিতে পারে।

 

কী কী উপকার আছে ক্যাপসিকামে–

১- ওজন কমাতে সহযোগিতা করে ক্যাপসিকাম। এতে ক্যালোরি অত্যন্ত কম।

ফলে এই সবজি খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তা ছাড়া ক্যাপসিকাম

মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমানো সহজ হয়।

 

২- ক্যানসার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে ক্যাপসিকামের। ক্যা’নসার কোষগুলোকে বাড়তে দেয় না। রোজ যদি ক্যাপসিকাম খান, ক্যানসারের আ’শঙ্কা রীতিমতো কমে যায়।

৩- হাঁপানির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হয় ক্যাপসিকাম। এতে ভিটামিন এ বিটা

 

ক্যারোটিন প্রচুর পরিমাণে আছে, যা হাঁপানির পক্ষে ভালো।

৪- শরীরে আয়রনের ঘাটতি হয় ভিটামিন সি’র অভাব থেকে। ক্যাপসিকামে ভিটামিন সি রয়েছে, র’ক্তস্ব’ল্পতা থেকে বাঁচায়।

৫- রো’গ প্র’তিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ম’স্তিষ্কের জন্যও এই সবজির জবাব নেই।

৬- ক্যাপসিকাম প্রাকৃতিক পেনকিলার। বাঁচায় ব্যথা য’ন্ত্রণার হাত থেকে।

৭- হাই ব্লা’ড প্রেশার কমিয়ে দেয়। ক্যাপসিকাম অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট, বাড়ায় শরীরের রো’গ

প্রতিরোধ ক্ষমতা। র’ক্ত’চাপ কমে যাওয়ায় হৃদ’য’ন্ত্রও ভালো থাকে।

৮- এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম। পাকস্থলীর ক্ষমতা বাড়ায়, খাবার হজম করায় সহজে।

 

৯- কমিয়ে দেয় মানসিক চাপ। এর মধ্যে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন

এ মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।

১০- ক্লান্তি কাটাতেও সাহায্য করে ক্যাপসিকাম। শরীরের অবসাদ দূর করে।

Check Also

Shahriyar Afsan Ovro is a young and successful digital marketing influencer

Shahriyar Afsan Ovro is an Bangladeshi music artist, entrepreneur who has made a big name …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *