স্বা’মীর ধ’র্ষণের ভি’ডিও ধা’রণ করে স্ত্রী

স্বা’মীর ধ’র্ষণের ভি’ডিও ধা’রণ করে স্ত্রী

ইফতারের পর চা’য়ের স’ঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছা’ত্রীকে নে’শার ও’ষুধ খাওয়ায়

খালা সুমি বেগম। এরপর ওই ছাত্রী অ’জ্ঞান হয়ে পড়লে নিজের স্বা’মী কয়েসকে

দিয়ে ধ’র্ষণ করায়। আর নিজে ওই ধ’র্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে রাখে।

 

সিলেটের জৈন্তাপুরে এমন ঘ’টনা ঘ’টেছে। ঘ’টনার পর থানায় মা’মলা করা হলে

বাড়ি ছেড়ে পা’লিয়ে যায় সুমি ও তার স্বামী। ৬ দিন পর প্রযুক্তির সহযোগিতায় র‌্যাব

সদস্যরা সুমি ও তার স্বামীকে সিলেট থেকে গ্রে’প্তার করেছে। পরে জৈন্তাপুর থানায়

 

তাদের হস্তান্তর করা হয়। পু’লিশের প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবাদে সুমি জানিয়েছে- কৌতূহল

বশত: মোবাইলে ভি’ডিও ধা’রণ করেছে সুমি বেগম।

সুমির স্বামী কয়েস আহমদ। তাদের দু’জনের বাড়ি সিলেটের কমলাবাড়ি এলাকায়।

 

ভি’কটিম তরুণীর বাড়িও একই গ্রামে। সে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সমাজ

কল্যাণ বিভাগে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ও সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটির এলএলবি

প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। সুমী ও তার স্বামী সম্পর্কে ওই তরুণীর খালা ও খালু।

 

পু’লিশ জানায়- বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছাত্রী করোনা ভাইরাসের কারনে নিজ

গ্রাম কমলাবাড়িতে অবস্থান করছিলো। আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা ও সুমি

বেগম সম্পর্কে ভিকটিমের খালা হয়। এ কারনে বাড়িতে থাকলে প্রায় সময় সুমি

 

ওই ছাত্রীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে বসে গল্পগুজব করতো। গত ২রা মে সুমি বেগম

ওই ছাত্রীকে ইফতারির দাওয়াত দেয় কিন্তু সে যেতে রাজি ছিলেন না।

সুমি বেগম ছাত্রীর পিতা-মাতাকে বলে তাকে ইফতারের কিছু আগে বাড়ি নিয়ে যায়।

 

ইফতার শেষে কিছু সময় বিশ্রাম করার পরে রাত অনুমান ৮টায় সুমি বেগম

কৌ’শলে চায়ের সাথে নে’শা জাতীয় কিছু মিশিয়ে খেতে দেয়। চা খাওয়ার পরে

অচেতন হয়ে পড়লে আসামি সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েছ আহমদ

ধ’র্ষণ করে এবং উ’লঙ্গ অবস্থায় মো’বাইলে ভি’ডিও ধারণ করে।

 

ঘণ্টাখানেক পর ওই ছাত্রীর চে’তনা ফিরে এলে আ’সামি কয়েস আহমদকে পাশে

দেখতে পায় ওই ছাত্রী। এ সময় সে চিৎকার করলে আসামি কয়েস আহমদ

ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে রাখে। পরে ধ’স্তাধস্তির এক পর্যায়ে মুক্ত হয়ে তার পিতা মাতাকে খবর দেয়।

 

এ ঘটনার পর ওই ছাত্রীকে সিলেট ওসমানী মে’ডিকেল কলেজ হাসপাতালের

ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। এবং জৈন্তাপুর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।

পরে পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে মামলা রেকর্ড করলে সুমি ও কয়েস বাড়ি ছেড়ে পালায়।

 

মামলা রেকর্ডের পর আসামিদের ধরতে জৈন্তাপুর মডেল থানা পু’লিশ বিভিন্ন স্থানে

অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু তাদের খোজ পায়নি। তাদের ধ’রতে অভিযানে শুরু করে র‌্যাবও।

গতকাল র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়- শুক্রবার দেড়টায় সিলেট থেকে নারীলোভী লম্পট

 

কমলাবাড়ী মোকামটিলা গ্রামের রেনু মিয়ার ছেলে কয়েস আহমদ ও তার স্ত্রী সুমি

বেগমকে আ’টক করা হয়। জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি শ্যামল বণিক জানিয়েছেন- আসামিরা

ধ’র্ষণ ও ভি’ডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সুত্র: মানবজমিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com