ঈদ জামাত থেকে ফেরার পথে মেম্বারকে গু’লি করে হ’ত্যা !

ঈদ জামাত থেকে ফেরার পথে মেম্বারকে গু’লি করে হ’ত্যা !

ঈদ জামাত থেকে ফেরার পথে- চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন

মোহাম্মদ জব্বার (৪২) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে গু’লি করে হ’ত্যা

করেছে প্রতিপক্ষ। সোমবার (২৫ মে) সকালে ঈদ জামাত থেকে ফেরার পথে

 

উপজেলার খিরাম ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে এ হ’ত্যা’কা’ণ্ডে’র শি’কা’র হন জব্বার।

তিনি খিরাম ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের বিরোধে এ হ’ত্যা’কা’ণ্ড ঘটে।

 

ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ও জব্বার মেম্বারের অনুসারীদের মধ্যে রোববার (২৪ মে)

রাতে খিরাম বাজারে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং গো’লা’গু’লি হয়।

এর জেরে জব্বারকে একা পেয়ে স’ন্ত্রা’সী’রা আ’ক্র’ম’ণ করে। তাকে কয়েকজন

 

অ’স্ত্র’ধা’রী ঘিরে ধরে। এরপর কাছ থেকে তাকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়। এই ঘটনায়

এলাকায় উ’ত্তে’জ’না বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার খিরাম

ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে এই খু’নে’র ঘটনা ঘটে। এলাকায় তিনি জব্বার মেম্বার নামে পরিচিত।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন, জব্বার

মেম্বার নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। চৌমুহনী বাজারে তাকে স’ন্ত্রা’সী’রা গু’লি করে।

গু’লি’বি’দ্ধ অবস্থায় তাকে নাজিরহাটে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার মৃ’ত ঘোষণা করেন।

 

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে জব্বারের সঙ্গে খিরাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব

হোসেনের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধ থেকেই খু’নে’র ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা দুজনই

আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক বলেন,

হ’ত্যা’কা’ণ্ডে’র পর আ’সা’মিদের ধরতে অ’ভি’যান শুরু হয়েছে।

 

 

রিকশা না চালাইলে খামু কী?

রাস্তার পাশে রিকশাটি থামিয়ে রেখে ফুটপাতে ধপ করে বসে পড়লেন আনুমানিক সত্তরোর্ধ্ব বৃ’দ্ধ

মোফাজ্জল হোসেন। পেটের তাগিদে কাকডাকা ভোরে গ্যারেজ থেকে রিকশা নিয়ে বের হন।

 

দুপুর ১২টা পর্যন্ত রিকশা চালিয়ে ২৫০ টাকা আয় করেছেন। দুপুরের প্রচণ্ড রোদের কারণে

হঠাৎ করে শরীরটা ভীষণ খারাপ লাগতে থাকে। বুকে ধরফর শুরু হয়। একটু বি’শ্রা’ম নিতে বসেছেন।

আজ ২৫ মে দুপুরে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে বৃ’দ্ধ রি’কশাচালক মোফাজ্জল হোসেন বারবার

 

হাঁ’পা’চ্ছিলেন। থেমে থেমে তিনি বলছিলেন, বয়স তো আর কম হলো না, কিন্তু এমন নিরস ঈদ তার

জীবনেও দেখেননি। অন্যান্য বছর ঈদের দিনে যেখানে যাত্রী টেনে একটু বি’শ্রা’মের সময় পেতেন না,

সেখানে আজ রাস্তাঘাট নীরব, মানুষের চলাচল খুবই কম। ক’রোনাভা’ই’রাসের কারণে তাদের আয়-

রোজগারের অনেক ক’মে’ গেছে বলেও জানান।

 

বৃ’দ্ধ বয়সে কেন রিকশা চালাচ্ছেন, সন্তান আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বৃ’দ্ধের চোখে-মুখে

এক ধরনের বে’দনা’র ছাপ ফুটে উঠল। ইতস্তত ভ’ঙ্গি’তে বললেন, রিকশা না চালালে খামু কী?

তিনি জানান, তিন ছেলে থাকলেও ওরা কেউ সাথে থাকে না। যে যার মতো বিয়ে করে আলাদা থাকে।

 

এ বৃদ্ধ বয়সেও তার ঠাঁই হয়েছে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে মেয়ের বাড়িতে। বয়স হলেও মেয়ের

ওপর বসে খেতে তার মন সায় দেয় না। তাই তো রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। আগের মতো সারাদিন

চালাতে পারেন না। অ’র্ধেক বেলা চালিয়ে যা রো’জগার হয় তাতে তার চলে যায়।

 

গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় পেয়ে তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান, এই যে ক’রো’না নাকি

কি ভা’ইরাস দেশে আসছে, এই ভাইরাস ‘বি’দায় হবে কবে? চলে আসার সময় বৃদ্ধ বললেন,

ছেলেরা কাছে না থাকলেও ওরা বউ পোলাপান নিয়ে ভালো থাকুক এটাই তিনি চান,

শুধু ‘ম’রণ পর্যন্ত যেন শ’রীর’টা ভালো থাকে সেটাই তিনি প্র’ত্যা’শা করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com