দুঃসংবাদঃ বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে করো’নার নতুন উপসর্গ

দুঃসংবাদঃ বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে করো’নার নতুন উপসর্গ

বিশ্বজুড়ে হু হু করে বেড়ে চলেছে করো’নাভাই’রাসের প্রকোপ। দিসেম্বরে শুরু হওয়া

এই মহামা’রির এখন পর্যন্ত অসংখ্য উপসর্গ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেখা গিয়েছে

প্রা’ণঘাতী এই ভাই’রাসের নয়া উপসর্গ। মা’র্কিন সংস্থা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড

 

প্রিভেনশন (সিডিসি) এই উপসর্গ উদ্ভাবন করেছেন। লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-

মা’থাব্যথা, যখন-তখন শীতের অনুভূতি, প্রবল শীত বোধ থেকে দেহে কাঁপুনি ধ’রা এবং দেহের

বিভিন্ন মাংসপেশিতে ব্যথা। মা’র্কিন মুলুকে তো বটেই ইংল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বিভিন্ন

 

দেশে এই লক্ষণগুলো নানা বয়সের করো’না আ’ক্রান্তদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বলে

নিজেদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে সিডিসি। এদিকে, এই একই ধরণের লক্ষণ দেখা গেছে

দিল্লির সরকারি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এইমসের বেশ কয়েকজন রোগীর মধ্যেও,

 

যারা করো’নার ‘আদর্শ’ লক্ষণ নিয়ে হাসপাতা’লে আসেননি। পরে তাদের দেহে সংক্রমণ মিলেছে।

ওই হাসপাতা’লের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক নাজনিন নাহার বেগম নিজের অ’ভিজ্ঞতা তুলে ধরে

জানান, ‘এখানে এমন অনেক রোগী দেখা গেছে, যাদের মধ্যে করো’নার কপি বুক লক্ষণ ছিল না।

 

তাদের মধ্যে অনেকেই জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বা’সক’ষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন না। তার বদলে তারা মা’থা

ব্যথা, শীত বোধ করা এবং সারা গায়ের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাথার কথা বলেন। এই ধরনের রোগের

উপসর্গ নিয়ে সাধারণত কোনো ব্যক্তিকে হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয় না। এখানেও করা হয়নি।

 

কিন্তু অনেকের দেহে এমন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, এটা লক্ষ্য করার পরেই প্রত্যেকের করো’না

পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন দেখা যায় তারা করো’না পজিটিভ।’

পুরো বিষয়টি যে যথেষ্ট চিন্তার, তা স্পষ্টই জানিয়েছেন বাঙালি চিকিৎসক নাজনিন।

 

তিনি আরও জানান, ‘এই রোগটা স’ম্পর্কে গোটা বিশ্বই খুব কম জানে। আর আম’রা বোধহয়

আরও কম। স্বভাবতই কোনো নির্দিষ্ট মডিউল মেনে এই রোগের চিকিৎসা করতে গেলে

বারেবারে সমস্যায় পড়তে হতে পারে আমাদের। ব্যক্তিগতভাবে আমা’র মনে হয়, পুরো বিষয়টিতে

 

একটু নমনীয় থাকা ভালো। হটস্পট থেকে আসা কোনো লক্ষণহীন ব্যক্তির অবশ্যই আগে

করো’না পরীক্ষা করা দরকার। একজন আগন্তুকের দেহে কোনো রোগের উপসর্গ দেখে সেই

বিষয়ে নিশ্চিত হতে গেলে পরীক্ষা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পন্থা নেই আমাদের কাছে। তাই কপি

 

বুক লক্ষণের বাইরে সিডিসির পরাম’র্শ অনুযায়ী উপসর্গ সম্পন্ন কোনো ব্যক্তি চোখে পড়লেই

তার করো’না পরীক্ষা করা উচিত। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই,

উল্টো যদি তার করো’না হয়ে থাকে, তাহলে যত দ্রুত ধ’রা পড়বে, ততই ভালো।’

 

দিল্লি এইমস হাসপাতা’লে কর্ম’রত আরেক চিকিৎসক সায়ন নাথও জানান, তিনি ‘কপি বুক’

করো’না লক্ষণের বাইরে মাংসপেশিতে ব্যথা, মা’থা ব্যথা, শীত বোধ করা, প্রবল শীত বোধ

থেকে দেহে কাঁপুনি ধ’রার উপসর্গ সম্পন্ন রোগী দেখেছেন এইমসে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই হাসপাতা’লের অ’পর এক চিকিৎসক বলেন, ‘আমা’র মনে হয়,

যত দিন যাবে, ততই নতুন নতুন লক্ষণ যু’ক্ত হবে করো’নার লক্ষণ তালিকায়। যতদিন না

এই ভাই’রাসের সব র’হস্যভেদ হবে, ততদিন এই স’ন্দেহভাজন লক্ষণের তালিকা বাড়তেই

থাকলে আমি অ’বাক হব না।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com