ব্রেকিং নিউজ : দেশে প্রথম ‘রেড জোন’ ঘোষণা

ব্রেকিং নিউজ : দেশে প্রথম ‘রেড জোন’ ঘোষণা

দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ভাইরাস ঠেকাতে

কক্সবাজার শহরের ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১০টিকে ‘রেড জোন’ ও দু’টিকে ‘ইয়োলো জোন’ হিসেবে

ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৫ জুন) থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হচ্ছে। এই ঘোষণা দিয়েছেন

 

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। জানা যায়, শহরের এক নম্বর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড

ছাড়া বাকি ওয়ার্ডগুলো ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত। এরই মধ্যে ‘রেড জোন’ এলাকার বাসিন্দাদের

শহরের অন্যত্র গমনাগমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

 

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য

সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

একইভাবে জেলার চার পৌরসভা ও আট উপজেলার প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকায় এ শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।

 

খারাপের মাঝে ১টি ভাল খবর দিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতিদিনই বাড়ছে আ’ক্রা’ন্ত ও মৃ’ত্যু’র সংখ্যা।মহামারি

ক’রো’নাভা’ইরাসে (কো”ভিড-১৯) আ’ক্রা’ন্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায়

আরও ৩৫ জন মারা গেছেন। ফলে ক’রো’নায় মোট মা”রা গেলেন ৭৮১ জন।

 

এ নিয়ে দেশে মোট আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫ হাজার ১৪০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭

জনের মৃ’ত্যু’র মধ্য দিয়ে মোট মৃ’তে’র সংখ্যা বেড়ে দাঁ’ড়াল ৭৪৬ জনে। করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে মৃ’ত

ব্যক্তির শরীরে তিন ঘণ্টা পর আর ভাই’রাসের কার্যকারিতা থাকে না। পারিবারিক কবরস্থানেই দাফন করা যাবে।

 

গত বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বুলেটিনে মৃ’তব্য’ক্তির লা’শ দাফন স’ম্পর্কে

অধিদপ্তরের অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. নাসিমা সুলতানা এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) বলেছে, এটা প্রমাণিত হয়নি মৃ’ত ব্যক্তির কাছ থেকে

 

অন্য ব্যক্তির দেহে করো’নাভাই’রাস ছড়িয়েছে। মৃ’তদেহ সৎকার করতে ৩-৪ ঘণ্টা সময় লেগেই যায়।

৩ ঘণ্টা পরে এই ভাই’রাসের আর কার্যকারিতা থাকে না মৃ’তব্য’ক্তির শরীরে। সেজন্য মৃ’তদেহ থেকে

ভাই’রাস ছড়ানোর কোনো সম্ভাবনা নেই।’ নাসিমা সুলতানা বলেন, করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে

 

মৃ’ত্যুবরণকারীর মৃ’তদেহের সৎকার যেকোনো জায়গায় করা যাবে। মু’সলিম ধ’র্মাবলম্বীরা

গোরস্থানে কিংবা পারিবারিক কবরস্থানে মৃ’তদেহ দাফন করতে পারবেন। অন্য ধ’র্মাবলম্বীরাও

তাদের বিধি অনুযায়ী যেকোনো জায়গায় মৃ’তদেহের সৎকার করতে পারবেন।

 

তিনি বলেন, ‘করো’নায় মৃ’ত ব্যক্তির দাফন, সৎকার বা ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা স্বাস্থ্য সেবা

অধিদফতরের (ডিজিএইচএস) ওয়েবসাইটে রয়েছে। তবুও বিশেষভাবে সবার অবগতির

জন্য বলতে চাই, মৃ’তদেহ নিজ নিজ ধ’র্মীয় বিধি অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করে দাফন বা সৎকার

 

করা যায়।’ অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, নিয়ম অনুযায়ী মৃ’তদেহের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বডি

ব্যাগ বা তা না পাওয়া গেলে পলিথিনে মুড়িয়ে স্থা’নান্তরের জন্য মনোনীত কবরস্থান

বা পারিবারিকভাবে নির্ধারিত স্থানে দাফন করা যাবে। শুধু করো’নায় মৃ’ত হিসেবে আলাদা কোনো

 

কবরস্থান নির্দিষ্ট করার দরকার নেই। পারিবারিক কবরস্থানেই এই মৃ’তদেহ দাফন করা যাবে এবং

অন্য ধ’র্মের জন্য সৎকার করা যাবে। কবরস্থান নির্দিষ্ট করার দরকার নেই। পারিবারিক কবরস্থানেই

এই মৃ’তদেহ দাফন করা যাবে এবং অন্য ধ’র্মের জন্য সৎকার করা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com