স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে শামীম ওসমান অসহায়

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে শামীম ওসমান অসহায়

সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতা শামীম ওসমানই ক্ষোভ’ প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে। এক

প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন। এনিয়ে নিজেরে অসহা’য়ত্বর কথাও অকপ’টে বলেন।

ভিডিও কনফারেন্সে গত ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপা’তালটিকে

 

করোনা চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হাসপা’তালটিতে ৪০ বেডের

আইসো’লেশন ওয়ার্ড ও ১০ বেডের নিবি’ড় পরিচ’র্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে হাস’পাতালটিতে শুরু হয় করো’না রো’গী ভর্তি কার্যক্রম। কিন্ত দীর্ঘ এই সময়ে চালু

 

হয়নি আই’সিইউ। আর তা চালু করাতে কমপক্ষে অ’র্ধ শ’তাধিকবা’র স্বাস্থ্যম’ন্ত্রীকে ফোন করেছেন

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রায় দুই মাস হতে চলছে।

এখনো চালু হয়নি নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপা’তালে আইসি’ইউ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে

 

ক্ষো’ভ প্রকাশ করে আলোচিত সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন, রীতিমত ক্লা’ন্ত হয়ে গেছি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ফোন করতে করতে। কমপক্ষে অর্ধশতাধিকবার আমি স্বাস্থ্যম’ন্ত্রীকে ফোন করেছি।

প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে মি’থ্যা আ’শ্বাস দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছিল আগামী ১ জুনের মধ্যে আইসি’ইউ চালু

 

করা হবে। যদিও গত ১৭ মে চালু করার’ চূড়ান্ত নির্দেশনা ছিল। কিন্তু এখন জনগণের কাছে ক্ষমা’ চাওয়া ছাড়া

আমার কিছু বলার নাই। তিনি আক্ষে’প করে বলেন, ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেয়ার পরও

যদি এতো দেরি হয়, সেখানে কি বলার আছে। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণা’লয়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি নাই-বা

 

পারবেন তাহলে মি’থ্যা আ’শ্বাস দিবেন কেনো? আপনাদের কথার উপর নির্ভর করে তো আমরা মানুষকে

আশ্বাস দেই। একটা রো’গীর মৃ’ত্যু যদি আই’সিইউর কারণে হয়ে যায়, তখন আমরা নিজেকে নিজের কাছে

ক্ষ’মা করতে পারছি না। নিজের অসহা’য়ত্বের কথা প্রকাশ করে শামীম ওসমান বলেন, আমি বলতে বলতে

 

এখন টা’য়ার্ড হয়ে গেছি। রোগী আনা নেয়ায় ব্যবহৃত দুইটা অ্যাম্বু’লেন্সের টাকা আমি দিচ্ছি। স্যাম্পল

কালেকশনের জন্য আমার ৫ জন লোক কাজ করছে। তাদের খরচ আমি দিচ্ছি। সব ধরনের সহযোগিতা

করছি শুরু থেকে। কিন্তু তারপরও মানুষ যদি তার প্রা’প্য সেবাটা না পায়, এটা অত্যন্ত দুঃখ’জনক।

 

শামীম ওসমান বলেন, নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা লিংক রোডের সাইনবোর্ড এলাকায় প্রো-অ্যাক’টিভ মে’ডিকেল

কলেজ হাস’পাতালে ২৫০টি বেড রয়েছে। সেখানে ১০টা আইসি’ইউ আছে। সরকারি নির্দেশনা রয়েছে,

বেসরকারি প্রতিটা হাসপা’তালকে ক’রোনা আ’ক্রান্ত রো’গী ভর্তি করতে হবে। অথচ এখন পর্যন্ত

 

প্রো-অ্যা’কটিভ মেডিকেল কলেজ হাসপা’তাল রোগী’ ভর্তি করছে না। রো’গী ভ’র্তি করতে হবে। প্র’শাসন,

দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যাদের উপর নির্দেশনা আছে তারা কেনো তাদের বিরু’দ্ধে কঠো’র ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।

সে ব্যাপারে আমি যথেষ্ঠ স’ন্দি’হান। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি তারা করোনা রো’গী ভর্তি’র ব্যাপারে

 

ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমি নিজেই ওই হাস”পাতালে যাবো এবং

প্রয়োজন হলে ওই হাস’পাতালের বি’রু’দ্ধে যা যা ব্যবস্থা নেয়ার দরকার আমি ব্যবস্থা নিবো। সরকার

যেখানে করো’না রোগী চিকি’ৎসার জন্য অর্থ দিচ্ছে সেখানে তারা কেনো করোনা রো’গী’র চিকি’ৎসা

 

দিবে না? সিদ্ধিরগঞ্জের কাঁচ’পুরে সাজেদা ফাউন্ডেশন হাস’পা’তালে মাত্র ৪টা আই’সিইউ। উল্লেখ্য,

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ খানপুরের ৩০০ শয্যা হাস’পাতা’লকে ৫০ শয্যার করো’না

হাসপা’তাল হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়। সেখানে ৪০টি আইসো’লেশন ওয়ার্ড এবং ১০ শয্যার একটি

আই’সিইউ ওয়া’র্ড থাকার কথা। দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর‌্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বাংলা ইনসাইডার

 

দৃষ্টি আকর্ষণ এই সাইটে সাধারণত আম’রা নিজস্ব কোনো খবর তৈরী করি না..

আম’রা বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবরগুলো সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি..তাই কোনো খবর

নিয়ে আ’পত্তি বা অ’ভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com