প্রয়োজনে করোনা রোগীদের জন্য নিজের বাড়ি দিয়ে দেব: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রয়োজনে করোনা রোগীদের জন্য নিজের বাড়ি দিয়ে দেব: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

করোনা’ভাই’রাসে সংক্র’মিত হলেও গুরুতর অসুস্থ নন এমন রোগীদের জন্য ‘সেফ হাউস’ চালু করছে

পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানে দিনে দু’বার চিকিৎসকরা গিয়ে রোগীদের দেখে আসবেন। শুধু যারা গুরুতর

অসুস্থ তাদেরই হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। বুধবার এ ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

তিনি জানান, রাজ্য জুড়ে মোট ১০৪ টি সেফ হাউস চালু করা হবে। আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজনে

সেফ হাউস আরও বাড়ানো হবে। এ কাজে প্রয়োজনে নিজের বাড়িটিও দিয়ে দিতে পারেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বলেন, অনেক হাসপাতালে বেড সংক’টের অভি’যোগ আসছে। এই বিষয় স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে ঘণ্টায়

 

ঘণ্টায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে খালি বেডের সংখ্যা জানাতে হবে। বেসরকারি নার্সিং

হোমগুলো যে ভাবে আকাশচুম্বী বিল নিচ্ছে সেই বিষয়ে আজ ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক হবে

বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, পুলিশ, ডাক্তার, মিউনিসিপ্যাল কর্মী, আশা-কর্মী যারা

 

করোনাযু’দ্ধে সম্মুখভাগে লড়ছেন তাদের অতিরিক্ত অর্থ দেয়া হবে। দুর্গম এলাকায় কাজ করলে

সরকারি কর্মীরা যে বোনাস পান, এখন থেকে করোনাযো’দ্ধারাও সেই অর্থ পাবেন। এছাড়া চূড়ান্ত বর্ষের

মেডিকেল ও নার্সিং পড়ুয়াদেরও করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

ইতালিতে বাংলাদেশি নার্সের করোনায় মৃ’ত্যু

করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়ে ইতালির হাসপাতালে কর্মরত নাজমুন্নাহার (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি নার্স মৃ’ত্যু’বরণ

করেছেন। বুধবার (১৭ জুন) তিনি মৃ’ত্যু’বরণ করেন। নাজমুন্নাহার প্রথম কোন বাংলাদেশি নারী যিনি ইতালিতে

করোনাভা’ইরা’সে মৃ’ত্যু’বরণ করেছেন। এই নিয়ে মোট ১৪ জন বাংলাদেশি ইতালিতে করোনায় প্রাণ হারালেন।

 

মরহুমার দেশের বাড়ি ঢাকার গাজীপুরে। তার স্বামী বর্তমানে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতিতে আটকা

পড়েছেন। আগামী ২৩ জুন চার্টার্ড বিমানে তার ইতালি যাওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে তাদের একমাত্র

মেয়ে বাসায় কোয়ারে’ন্টাইনে আছে। নাজমুন্নাহারের মৃ’ত’দেহ বর্তমানে ইতালির ভারেজ রিজনাল

 

হাসপাতালের লা’শ ঘরে রয়েছে। এদিকে মানবসেবী এই সেবিকার মৃ’ত্যু’তে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে

নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উল্লেখ্য যে, ২০০৪ সালে সরকারি ব্যবস্থায় ১৮ জন নার্স এসেছিলো ইতালিতে,

২০০৪ সালে সরকারি ব্যবস্থায় ১৮ জন নার্স এসেছিলো ইতালিতে, তাদের মধ্যে নাজমুন্নাহার একজন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com