‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহারে এবার নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল ভা’রতীয় মিডিয়া

ভা’রত-চীন উত্তে’জনার মধ্যে বাংলাদেশকে দেয়া চীনের শুল্কমুক্ত সুবিধাকে ‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহার

করে সংবাদ প্রকাশের পর ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো যে সমালোচনার মুখে পড়েছিল; সেই ঘটনায়

নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা। মঙ্গলবার (২৩ জুন)

 

সংবাদমাধ্যমটির প্রিন্ট ভা’র্সনে চতুর্থ পৃষ্ঠায় এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। ‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে

ক্ষমা প্রার্থনা করে সংবাদমাধ্যমটি লেখে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক খবরে

(২০-৬, পৃ ৮) খয়রাতি শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আ’হত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

 

অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আম’রা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র

মন্ত্রণালয় গত ১৯ জুন জানায়, চীনের বাজারে আরও পাঁচ হাজার ১৬১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা

পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে দেশটিতে মোট শুল্কমুক্ত পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াল আট হাজার ২৫৬টি।

 

এর ফলে চীনে বাংলাদেশের মোট রফতানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় এলো।

এরপরই ওই শব্দ ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করে আনন্দবাজারসহ ভা’রতের একাধিক সংবাদমাধ্যম।

তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিষয়টিকে তেমন পাত্তাই দেননি। বরং সোমবার (২২ জুন) পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে ভা’রতীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে।

চীনের দেয়া সুবিধা স’ম্পর্কে যে শব্দের ব্যবহার তারা করেছে তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তবে

এর বি’রুদ্ধে আম’রা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না। এর বি’রুদ্ধে আম’রা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না।

 

গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে ভা’রতীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে।

চীনের দেয়া সুবিধা স’ম্পর্কে যে শব্দের ব্যবহার তারা করেছে তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তবে

এর বি’রুদ্ধে আম’রা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না। এর বি’রুদ্ধে আম’রা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না।

 

 

Check Also

বিশ্বের প’রাশ’ক্তি হতে যাচ্ছে তুরস্ক

  ব্যাপক অনুসন্ধানের পরে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান গত শুক্রবার আনন্দের সাথে ঘোষণা করেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *