দুই মে’য়েকে শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা’র পি’ছ’নের কারণ কী?

দুই মে’য়েকে শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা’র পি’ছ’নের কারণ কী?

ক’রোনার কারণে চাকরি হা’রানোর পর থেকে হ’তাশা, এরপর চট্টগ্রামের পটিয়ায় শ্বশুর

বাড়িতে এসে ভোররাতে শ্বা’সরো’ধ ক’রে হ’ত্যা করেন নিজের দুই মে’য়েকে। পরে বি’ষপা’নে

আ’ত্মহ’ত্যার চে’ষ্টা করেন নিজেও। মুকুন্দ বড়ুয়া নামে এই পিতাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম

 

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে পু’লিশের ধারণা, সবকিছুর মূলে

রয়েছে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হ’তা’শা। দুই ভাগ্নিকে এক সাথে হা’রিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মামীরা।

তিন বছর আগে ক্যান্সারে মা মা’রা যাওয়ার পর থেকে শশী ও নিশি দুই কন্যা সন্তান থাকতেন মামা বাড়িতে।

 

খুলনায় জাহাজে চাকরি করতেন পিতা মুকুন্দ বড়ুয়া। লকডাউন শুরু হলে চাকরি চলে যায় তার।

এ সময় পটিয়া শ্বশুর বাড়িতে চলে আসেন তিনি। এরপর থেকেই সন্তানদের নিয়ে থাকতে শুরু করেন।

হঠাৎ করেই মঙ্গলবার ভোররাতে শ্বা’সরো’ধ করে স’ন্তানদের ‘হ’ত্যা করেন পিতা। নিজেও বিষপানে

 

আ’ত্মহ’ত্যা’র চেষ্টা করেন। সৎ মা বলেন, ‘ওরা এসে বলে, মা আজকে বাবার সাথে শোবো, আমি

বলি তোদের ইচ্ছা। এটা বলে ওরা ভাত খেয়ে ঘুমাইছে। আমিও ঘুমাইছি, কিছু জানি না রাতে কি হয়েছে।’

ব্যত্তিগত জীবনের হতাশা থেকেই দুই মেয়েকে হ’ত্যা’ ও নিজেও আ’ত্মহ’ত্যা’র চেষ্টা করেছে বলে ধারণা

 

পু’লিশের। তবে ত’দন্ত করেই পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান পু’লিশ সুপার এস এম

রশীদুল হক। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বাচ্চাদুটোকে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যা’ করেছেন বলে মনে হয়েছে।’

চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানা ওসি বোরহান উদ্দীন বলেন, ‘তার প্রথম স্ত্রী ক্যান্সারে মা’রা গেছেন। তার মনে

 

জীর্ণতা, তার বাচ্চারা থাকতো মামাবাড়ি, সে থাকতো খুলনায়। করোনায় চাকরি নেই। সবকিছু মিলিয়ে

হ’তাশায় হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘ’টিয়েছেন বলে মনে হয়েছে।’ ঘটনার পর থেকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন পিতা।

এ সময় চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মা’ম’লা

প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পু’লিশ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com