অবাক কাণ্ড! স্কার্ট পরে স্কুলে যাচ্ছে ছেলেরা

এ কেমন নতুনত্ব! মেয়ের পোশাকে ছেলেরা স্কুলে যাচ্ছে। তাও আবার অত্যন্ত খুশি মনেই

মেনে নিয়েছে ছেলেরা। ব্রিটেনের একটি বোর্ডিং স্কুলে নতুনত্ব৷ চমকও বলা চলে৷

ব্রিটেনের ওই স্কুলে এবার ছেলেদের স্কার্ট পরার অনুমতি দেয়া হয়েছে৷ আশ্চর্যের বিষয়

 

এটিই যে এরকম একটা সিদ্ধান্তে বেজায় খুশি পড়ুয়ারা৷ উৎসাহিতও বটে৷

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি৷ এই স্কুলটির নাম অপিঙ্ঘম স্কুল৷ এটি রটল্যান্ডে

অবস্থিত৷ জানা গিয়েছে, স্কুলটি লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ ছেলে ও

 

মেয়েদের মধ্যে বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টায় ছাত্রদের স্কার্ট পরানোর সিদ্ধান্তে ছাত্ররা মহা

উৎসাহী হয়ে পড়েছে৷ সকলেই স্কার্ট পরার বিষয়টিকে মজাদার হবে বলেই মনে করছে৷

৫ ভাইয়ের সঙ্গে তরুণীর সংসার! গা শিউরে ওঠার মত কাহিনী –  ভাইয়ের সঙ্গে তরুণীর সংসার!

 

গা শিউরে ওঠার মত কাহিনী৫ ভাইয়ের সঙ্গে তরুণীর সংসার! গা শিউরে ওঠার মত কাহিনী

যৌ’ন মি লন দীর্ঘ সময় করার ৩টি গুরুত্বপূর্ণ প’দ্ধতি – যৌ’ন মি লন দীর্ঘ সময় করার ৩টি

গুরুত্বপূর্ণ প’দ্ধতিযৌ’ন মি লন দীর্ঘ সময় করার ৩টি গুরুত্বপূর্ণ প’দ্ধতি

না’রীদের কত বছর বয়সে বেশি যৌ’ন উ’ত্তেজনা থাকে -না’রীদের কত বছর বয়সে বেশি যৌ’ন

উ’ত্তেজনা থাকেনা’রীদের কত বছর বয়সে বেশি যৌ’ন উ’ত্তেজনা থাকে  স্কুল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে,

যদি কোনো ছাত্র মনে করে স্কুলে স্কার্ট পরে আসবে তাহলে তাকে এই অধিকার দেয়া হচ্ছে যাতে

 

সে নির্দ্বিধায় স্কার্ট পরে আসতে পারে৷ এর আগেও স্কুলে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে ভেদাভেদ দূর করতে

তাদের ছাত্র ও ছাত্রী এভাবে আলাদা করে না ডেকে তাদের পিউপিলস বলে সম্বোধন করা শুরু হয়৷

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই স্কুলটি স্থাপন হয়েছে ১৫৮৪ তে৷ আর ১৯৭৩ সালে প্রথম ছাত্রীদের ভর্তি

 

করানো হয়৷ এই স্কুলের পড়ার খরচ প্রতি বছরের হিসাবে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা৷ এখন এই স্কুলে

ছেলে আর মেয়ে একসঙ্গে পড়াশোনা করে৷ করানো হয়৷ এই স্কুলের পড়ার খরচ প্রতি বছরের হিসাবে

প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা৷ এখন এই স্কুলে ছেলে আর মেয়ে একসঙ্গে পড়াশোনা করে৷

 

Check Also

শরীয়তপুরে দুই মা’থার বাছুর, এলাকায় চাঞ্চল্য!

  শরীয়তপুর সদর উপজে’লার মজুম’দারকান্দি গ্রামে একটি গাভী দুই মা’থাওয়ালা বাছুরের জন্ম দিয়েছে। বুধবার বিকেল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *