দা’ফনের ১১ দিন পর জী’বিত উ’দ্ধার হল এক ত’রুণী

দা’ফনের ১১ দিন পর জী’বিত উ’দ্ধার হল এক ত’রুণী

রাতে যশোরে সরকারি সিটি কলেজ এলাকা থেকে পলিথিন মোড়ানো অ’জ্ঞাতপরিচয় এক ত’রুণীর

গ’লাকা’টা লা’শ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। এই লা’শ উ’দ্ধারের খবরে পর দিন ৩০ আগস্ট যশোর

কোতোয়ালি থা’নায় ছুটে যান চৌগাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলী। তিনি ‘অ’জ্ঞাতপরিচয়

 

লা’শটি’ তার মে’য়ে সাথী খাতুনের বলে শ’নাক্ত করেন। সেই লা’শ উ’দ্ধার ও দা’ফনের ১১ দিন

পর সেই সা’থী খাতুনকে জী’বিত উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। ‘পর’কী’য়া প্রে’মিকের’ ধ’র্ম’পিতার বাড়ি

সদর উপজে’লার জলকর গ্রামের আজিজ ল’স্করের বাড়ি থেকে রোববার সকালে পু’লিশ তাকে জী’বিত

 

উ’দ্ধার করেছে। চৌগাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলীর মে’য়ে সাথী খাতুন চৌগাছার চাঁদপাড়া গ্রামের

গো’লাম মোস্তফার স্ত্রী’। তাদের এহসান নামে ছয় বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সাথীর ভাই বিপ্লব

হোসেন বলেন, সাথী গত ১৪ জুলাই ‘বাইরে কাজে যাচ্ছি, বিকেলে ফিরে আসবো’ বলে স্বামীর বাড়ি

 

থেকে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান ছিল না। সাথী নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা আমজাদ আলী

বাদি হয়ে চৌগাছা থা’নায় একটি সাধারণ ডা’য়েরিও করেছিলেন। গত ২৯ আগস্ট রাতে যশোরে সরকারি সিটি

কলেজ এলাকা থেকে লা’শ উ’দ্ধারের খবরে পর দিন ৩০ আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থা’নায়

 

ছুটে যান চৌগাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলী। তিনি ‘অ’জ্ঞাতপরিচয় লা’শটি’ তার মে’য়ে সাথী

খাতুনের বলে শ’নাক্ত করেন। বিপ্লব হোসেন দাবি করেন, তার বাবা লা’শ দেখে হতবিহ্বল হয়ে

তাৎক্ষ’ণিক লা’শটি তার বোনের বলে শ’নাক্ত করেছিলেন।

 

কিন্তু পরে এ নিয়ে ত’দন্ত হলে তিনি জানতে পারেন তার ভু’ল হয়েছে। উ’দ্ধার হওয়া সাথী খাতুন বলেন,

‘স্বামীর নি’র্যাতন থেকে রেহাই পেতে ১৪ জুলাই স্বা’মীর বাড়ি ছেড়ে যশোরে চলে আসি। শহরের নিউ মা’র্কে’টে

বাস থেকে নেমে এক ঘণ্টা বসেছিলাম। ‘এক’পর্যায়ে সদরের ফতেপুর ইউনিয়নের জলকর গ্রামে যাই।

 

যাওয়ার পথে ব্যবহৃত মোবাইল ফো’নটি ভেঙে পানিতে ফেলে দিই। এরপর ওই গ্রামের আ’জিজ লস্ক’রের

বাড়িতে আ’শ্রয় নিই। গত ৭ সেপ্টেম্বর আজিজ লস্কর পত্রি’কার পাতায় আমা’র মৃ’ত্যুর সংবাদ দেখেন।

তারপর থেকে তিনি আমাকে আর আ’শ্রয় দিতে রাজি হননি।’

 

‘এরপর ৭ সেপ্টেম্বর বাড়িতে আ’ব্বার মোবাইল নম্বরে (মুখস্থ ছিল) কল করি। পু’লিশকেও বিষয়টা জানাই।

পু’লিশ আজ উ’দ্ধার করেছে।’ মা’মলার তদ’ন্ত কর্ম’ক’র্তা উপপরিদর্শক (এস’আই)

আমিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলছেন, ‘মে’য়েটির সাথে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ছে’লের

 

স’ম্পর্ক ছিল। ত’দন্ত করতে গিয়ে পরিবারের লোকজন জানালো গত ১৬ মা’র্চ সাথী খাতুন ভা’রতে

গিয়েছিল চিকিৎসার জন্য। এক মাস ১১ দিন পর চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন। তবে সাথী একাই গিয়েছিলেন

ভা’রতে।’‘বিষয়টি আমা’র স’ন্দেহ হয়। এরপর সাথীর পাসপোর্ট বইটি যাচাই করি। এতে দেখা যায় সাথী

 

১৬-২৪ মা’র্চ ভা’রতে ছিলেন। কিন্তু পরিবারের লোকজন বলছেন ১ মাস ১১ দিন। তাহলে বাকি দিন কোথায়

ছিলেন?’‘ভা’রতে থাকাকালীন সাথী ভা’রতের একজনের মোবাইল নম্বর থেকে কথা বলেছিলেন।

সেই নম্বরও জোগাড় করি। কথা বলে জানতে পারি, সাথী ভা’রতে প্রবেশ করার এক ঘণ্টা আগে মালেশিয়া

 

প্রবাসী চাঁদপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মান্নু ওপারে (ভা’রতে) হাজির হন। পরে চিকিৎসা শেষে ২৪ মা’র্চ সাথী ও

মান্নু দেশে আসেন।’ ২৪ মা’র্চ থেকে এক মাসের বেশি সময় সাথী ও মান্নু যশোর সদর উপজে’লার

জলকর গ্রামের আজিজ ল’স্করের বাড়িতে অবস্থান করেন।’তাহলে যে লা’শ দা’ফন করা হয়েছে,

 

সেটি কার? এমন প্রশ্নের জবাবে মা’মলার তদ’ন্ত কর্ম’ক’র্তা এসআই আমিরুজ্জামান বলেন, ‘ধরে

নিয়েছিলাম ওই লা’শটি সাথীর। কিন্তু ত’দন্ত করতে গিয়ে আসল রহ’স্য উন্মো’চন হয়েছে। এবার

ওই লা’শটি আসলে কার, সেই র’হস্য উদ’ঘাটনে কাজ করব।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com