পল্টি নিলেন নানাকে বিয়ে করা সেই মরিয়ম!

পল্টি নিলেন নানাকে বিয়ে করা সেই মরিয়ম!

৬৫ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে এক সময় ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী মরিয়ম আক্তার জানিয়েছিল,

আমি ম”রণ পর্যন্ত শামুর সঙ্গে থাকতে চাই। তার এ কথা সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ

আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। আর এখন মেয়েটি সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলছে, সে বলছে,

 

৬৫ বছর বয়সী রিকশাচালক শামসুল হক শামু তার জীবনটা শে’ষ করে দিয়েছে এবং তাকে মে’রে

ফেলার হু’মকি ও ভ’য় দেখিয়ে বিয়ে করে ছিল নানার বয়সি রিকশাচালক শামসুল হক।

বিখ্যাত ব্লগার জাহাজী পোলা ওরফে হাসান রিয়াজ ভিডিওসহ এক পোস্টে বলেন, ১৩ বছর বয়সী

 

স্কুলছাত্রীর বয়স ১৮ দেখিয়ে তাকে বিয়ে করেছেন ৬৫ বছর বয়সী রিকশাচালক শামসুল হক।

ঘ’টনাটি ঘ’টেছে কুমিল্লার লালমাই উপজে’লার পেরুলে। শুরুতে মেয়েটি অনেক প্রেম প্রেম কথা

বললেও এখন খেয়েছে ১৮০ ডিগ্রী পল্টি! শুনেন কিভাবে পল্টি খেয়েছে মেয়েটা এবং তার প্রতিক্রিয়ায়

 

শামসু দাদু জেল খানা থেকে কি জানালো তাও শুনুন ভিডিওর শেষে! মনির খান তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন,

কুমিল্লা-লাকসামের নানার বয়সী বৃদ্ধ সামছুল (সামু) কে বিয়ে করে হৈচৈ ফেলে দেয়া কিশোরী মরিয়মের

তখনকার ভিডিও আর আজকের ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে, ইহাকেই প্রকৃত ১৬০ ডিগ্রি ইউটার্ন বলে।

 

জানাগেছে, কুমিল্লায় ৬৫ বছর বয়সী নানার সাথে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া নাতনীর বিয়ের খবরে একসময়

পুরো সোশ্যাল মিডিয়াতে চাঞ্চল্যকর অ’বস্থা বিরাজ করে। অনেকে তাদেরকে বাবা-মেয়ে বলেও গু’জব

ছ’ড়য়। এসব ঘ’টনায় বি’ব্রত অবস্থায় পড়েন মো’সাম্মৎ মরিয়ম আক্তার।

 

৬৫ বছর বয়সী নানার সাথে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া মরিয়ম প্রেম করে গো’পনে বিয়ে করে। তার নানা

সামছল হকের ছোট মেয়ে এবং মরিয়ম আক্তার একই ক্লাসের ছাত্রী। মেয়ের বয়সী মরিয়মকে বিয়ে

করে আলোচনা স’মালোচনার মুখে পরেন সামছল হক।

 

এ ঘ’টনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় গু’জব ছ’ড়িয়ে পড়ে। সেসময় মরিয়ম

আক্তার ও সাংবাদিকদের কথোপকথনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানেও মরিয়ম নিজের

পচন্দে বিয়ে করেছেন বলে স্বী’কার করেন। খোঁ’জ নিয়ে জানা গেছে, কুমিল্লার লালমাই উপজে’লার

 

পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম পেরুল গ্রামের ইমান হোসেন ঢাকায় চাকরি করায় গ্রামে বসবাস

করা তার পরিবারের দেখাশুনা করতেন পেরুল দীঘিরপাড়ার রিক্সা চালক সামছল হক।

ইমান আলীর ২য় কন্যা মরিয়ম আক্তার (১৩) স্থানীয় পেরুল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

 

সামছল হক নিজের রিক্সায় তাকে নিয়মিত স্কুলে আনা নেওয়া করতেন। ক্লাস ফাইভ থেকে মেয়েটির

সাথে বৃদ্ধের প্রেম ছিলো বলে জানা যায়। তার রিকশায় স্কুলে আসতে যেতে প্রেম জমে উঠে। যা সিনেমার

কাহিনিকেও হার মানায়। বর সামছল হক বিয়ের ঘ’টনা স’ত্যতা নিশ্চিত করে বলেন। মরিয়ম আক্তার

 

সম্পর্কে আমার নাতনী। দীর্ঘ দিন ধরে তাদের সাথে আমার পারিবারিক সম্পর্ক। তাদের বি’পদে আপদে আমি

সবসময় ছিলাম। আসা যাওয়ার মাধ্যমে আমরা একে অপরকে ভালোবাসি। মরিয়ম আমার রিক্সা করে স্কুলে

আসা যাওয়া করত। এই বুড়ো বয়সে আপনি কেন বিয়ে করছেন বলে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমার বউ

 

অ’পারেশনের রোগী সংসারে কাজ করতে পারেনা তাই করেছি। তাছাড়া আমরা দুজনের সম্মতিতেই বিয়ে

হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ও ১ লক্ষ টাকা উসুলে তাকে আমি বিয়ে করি। জানা

গেছে, কাজের কারনে মাঝে মধ্যে তিনি মরিয়মদের বাড়ীতে রাত্রীযাপনও করতেন। এনিয়ে স্থানীয়রা আ’পত্তি

 

করলে তিনি প্রাপ্ত বয়স হলে মরিয়মের সাথে নিজের ছেলে মনিরের বিয়ে হওয়ার কথা এলাকায় প্রচার করেন।

কিন্তু গত ১০ মে রবিবার সামছল হক সবাইকে হতবাক করে ৫২ বছরের ছোট মরিয়মকে নিয়ে উ’ধাও হয়ে যান।

এনিয়ে স্থানীয়দের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে ১১ মে সোমবার পেরুল দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান লোকমারফত সামছল

 

হক ও মরিয়মকে ইউপি কার্যালয়ে হাজির করে বিস্তারিত জানতে চান। ওই সময় সামছল হক মরিয়মের

প্রাথমিক শিক্ষা সনদ, জন্মনিবন্ধন সনদ ও বিয়ের কাবিননামা উপস্থাপন করেন। প্রাথমিক সমাপনী

পরীক্ষার সনদ ও জন্মনিবন্ধনে মরিয়মের জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ০২/০২/২০০২ইং।

 

২০০৮ সালে জন্মনিবন্ধনের সময় পরিবারের পক্ষে মরিয়মের বয়স বাড়িয়ে নেওয়ার অ’ভিযোগ রয়েছে

সামছল হকের বি’রুদ্ধে। যা আরো চাঞ্চল্যের সৃ’ষ্টি করেছে। মরিয়ম তো আপনার মেয়ের বয়সী অষ্টম

শ্রেণীতে পড়ে তার বয়স ১৪ বছর আপনি কিভাবে বিয়ে করলেন এমন প্রশ্ন করলে সামছল হক বলেন,

 

মরিয়মের বয়স ২০ বছর তিন মাস। আপনি চেয়ারম্যান অফিসে যান কম্পিউটারে গিয়ে দেখেন।

আপনি কোথায় কোন কাজী অফিসে বিয়ে করেছেন বলে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কোটে বিয়ে করেছি।

কোন কোটে বিয়ে করেছেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আর কিছু বলতে পারব না। আমি মূর্খ মানুষ আপনি

 

চেয়ারম্যানের কাছে যান উনি সব বি’চার করেছে উনি সব জানে এই কথা বলে তিনি ফোন কে’টে দেন।

এবিষয়ে মরিয়মের বাবা ইমাম হোসেন জানান, শামসু আমার বাড়ির কাজ করত। আমি ঢাকায় একটি

প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। আমার পরিবারে বিভিন্ন কাজ সে করে দিত। তাকে আমি খুব বি’শ্বাস করতাম।

 

সে আমার মেয়েকে প্ররো’চনা দিয়ে বিয়ে করে। সে একজন রিকশাচালক। তার ঘরে স্ত্রী সন্তান রয়েছে। এই বয়স্ক

একটা লোকের সাথে আমার মেয়ে কিভাবে সংসার করবে। আমি গরিব বলে কারো কাছে বি’চার পাচ্ছি না।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com