দেশে ফের বেড়েছে করোনায় মৃ’ত্যু

দেশে ফের বেড়েছে করোনায় মৃ’ত্যু

 

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আ’ক্রা’ন্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৪২ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। নতুন করে ১

হাজার ৮৯৭ জন আ’ক্রা’ন্ত হয়ে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট ৪ হাজার ২৪৮ জনের প্রা’ণহা’নি

হলো। আর, এই প্রা’ণঘা’তী ভাইরাসে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ১০ হাজার ৮২২ জন।

 

ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৪৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৯০৭ জন।

দেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার ১৭৬তম দিনে আজ রবিবার (৩০ আগস্ট), দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য

অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়।

 

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে আলোচিত সেই লেডি গ্যাং লিডার সিমি দুই সহযোগীসহ পুলিশের কব্জায়। শুক্রবার (২৮

আগস্ট) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রে’ফতার করা হয় বলে জানান ইপিজেড থানার ওসি উৎপল

বড়ুয়া। অপর লেডি গ্যাং লিডার অধরা আহমদকে বাসায় গিয়ে মা’রধ’রের ঘ’টনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাদের

 

গ্রে’ফতার করা হয়। মোহনা আক্তার নামে এক নারী ওই মামলা দায়ের করেন বলে জানান ওসি উৎপল বড়ুয়া। তিনি

জানান, মা’মলায় গ্রে’প্তারকৃত বাকি দু‘জন হলেন-হালিশহর থানার নয়াবাজার এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে

 

মো. শাখাওয়াত, বন্দর থানার ইস্ট কলোনী এলাকার আজিবুর রহমানের ছেলে মো. লামিম শাওন। এ মামলায় আরো

৩ জনকে আ’সামি করা হয়েছে। তাদের গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানায়, গ্যাং কালচার বিরোধের জের ধরে

অধরা আহমেদ (২২) নামের এক তরুণীকে ২৪ আগস্ট তার বাসায় ঢুকে বেধড়ক মা’রধ’র করে কিশোরি লেডি গ্যাং

 

লিডার সিমি গ্রুপের দল। মা’রধ’র ছাড়াও তারা ওই তরুণীর বুকের দিক থেকে জামা টেনে ছিঁড়ে ফেলে। পরে

হা’ম’লাকারীরাই মা’রধ’রের ঘ’টনা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে।

ইপিজেড থানার ব’ন্দরটিলা কসাই গলি এলাকায় এ ঘ’টনা ঘ’টে। অধরা জানান, অনলাইনে পরিচয়ের পর

 

শাখাওয়াত নামের এক কিশোরের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ওই কিশোরের অনৈতিক বিভিন্ন প্রস্তাবের

প্রতিবাদ করায় লেডি গ্যাং লিডার সিমির নেতৃত্বে পাঁচ জন মিলে তার বাসায় হা’ম’লা করে।

এর মধ্যে সিমি ও শাখাওয়াত ছাড়া তানিয়া(১৭), শাওন(২২) ও আরেফিন(২২) নামে তিন জন রয়েছে। অভিযুক্ত

 

শাখাওয়াতের বাসা আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ এলাকায়। তিনি জনৈক রফিকের সন্তান। তানিয়া পড়াশোনা করে

নগরীর ব’ন্দরটিলা সিটি করপোরেশন কলেজে। আর সিমরান সিমির বাসা নগরীর সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায়।

অধরা জানান, তার গ্রামের বাড়ি খুলনা বাগেরহাটে। ৬ বছর আগে পিতা মা’রা গেছেন। এক ভাই ও মাকে নিয়ে

 

এই বাসায় ভাড়া থাকেন। পাশেই বড় বোনের বাসা। ঘটনার সময় তার ভাই গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। আর মা ছিলেন

বাইরে। ওই সময় ঘরে একাই ছিলেন অধরা। ঘটনার বিবরণ দিয়ে অধরা বলেন, ঘটনার দিন শাখাওয়াত কল করে

তাকে নিচে নামতে বলেন। নিচে না যাওয়ায় তারা দুই তলার ওপর উঠে আসে। এ সময় সিমি প্রথমে তাকে মারধর

শুরু করে। পরে শাখাওয়াতসহ অন্যরাও হা’ম’লায় অংশ নেয়

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com