প’তিতা নিজেই ফাঁ’স করল পু’রুষদের প্রথম চা’হিদা কি থাকে!

প’তিতা নিজেই ফাঁ’স করল পু’রুষদের প্রথম চা’হিদা কি থাকে!

 

যৌ’নকর্মী শব্দটির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। এই পেশায় কেউই মখে আসে না। কাউকে জো’ড়

করে এই পেশায় আনা হয়। আবার কেউ চ’রম দারিদ্রতার শি’কার হয়ে এই পেশায় আসতে বা’ধ্য হন।

 

যাই হোক এই পেশার মানুষদের কাছেও আসে আবার সমাজের বিশেষ একটা শ্রেণীর পু’রুষরা। যৌ’ন কর্মীদের

কাছে এসে প্রথমেই পু’রুষদের কী চা’হিদা থাকে তা হয়ত অনেকেই জানেন না। সে কথাই এবার জানালেন এক

 

যৌ’নকর্মী। যৌ’নপল্লি থেকে বেরিয়ে আসা এক না’রী নিজের সেই সব দিনের অ’ভিজ্ঞতার কথা জানালেন।

জানালেন কী ধরনের খ’দ্দেরের দেখা মিলেছিল। এক শনিবার রাতের ঘ’টনা। চামড়ার বুট পায়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন

 

ওই না’রী যৌ’নকর্মী। আচমকাই এক ব্যক্তি এসে তাঁর বুটটি চা’টতে থাকেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ম’হিলার

হাতে টাকা ধ’রিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ওই ব্যক্তি। একবার এক ব্যক্তির স’ঙ্গে যে ঘরে স’ঙ্গমে লি’প্ত

 

হয়েছিলেন ওই ম’হিলা, সেই ঘরে একটি ফুটো করে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি। যাতে বাইরে থেকে তাঁর বন্ধুরা

অনায়াসে মি’লনের সা’ক্ষী থাকতে পারেন। ডিক কে নামের এক ব্যক্তি আবার একবার নিজের বিজনেস ট্রিপে

 

ওই ম’হিলাকে স’ঙ্গে নিয়ে গিয়ে ছিলেন। কিন্তু কখনওই তাঁর স’ঙ্গে স’ঙ্গম করেননি। এমনকী একই বিছানায়

শু’য়েও তাঁকে স্প’র্শ করেননি। এমন ঘ’টনা বেশ অবাক করেছিল যৌ’নকর্মীকে। এমন বেশ কয়েক জনের

 

স’ঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল, যাঁরা বলেছিলেন তাঁরা ম’হিলা হলে নিঃস’ন্দে’হে দে’হ ব্যবসাকেই বেছে নিতেন।

যৌ’নকর্মীদের কাজ তাঁদের দারুণ পছন্দ ছিল। জী’বনে অনেক ভদ্রলোকের স’ঙ্গেও সা’ক্ষাৎ হয়েছিল তার। যারা

 

কখনও তাকে কোনও কিছুর জন্য জো’র করতেন না। সাবেক এই যৌ’নকর্মীর মতে, এর দু’টি কারণ হতে পারে।

বলছেন, “আমি এক ঘণ্টায় তাঁদের থেকে বেশি আয় করতাম বলে হয়তো তাঁরা আমায় স’ম্মান করতেন। আর

 

নাহলে তাঁরা জানতই যার জন্য তাঁরা অর্থ ব্য’য় করছে সেটা জো’র না করেও পাবেন।” এক নিয়মিত খ’দ্দেরের

স’ঙ্গে আবার দেখা হত এক হার্ডওয়্যার স্টোরে। সেখানেই মি’লন হত তাঁদের। কিন্তু মাঝে মধ্যে দেখা না হলেও

 

ওই খ’দ্দের প্রতি সপ্তাহে ম’হিলার কাছে অর্থ পাঠিয়ে দিতেন। ওই ব্যক্তি যেন ম’হিলার কাছে বাবার মতোই স’হৃদয়

ছিলেন। পার্টিতে একস’ঙ্গে একাধিক ম’দ্যপ পু’রুষের স’ঙ্গে স’ঙ্গম করতে রাজি হতেন না ওই ম’হিলা। সে বি’ষয়টি

 

তাঁর কাছে ধ’র্ষণের সমানই ছিল। আবার অল্প ব’য়সি পু’রুষরা নিজেদের অতিরিক্ত স্মার্ট মনে করতেন। তাঁরা সঠিক

দাম তো দিতেনই না, উলটে চোখের আ’ড়ালে টাকা চু’রিও করতেন।  চোখের আ’ড়ালে টাকা চু’রিও করতেন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com