ইসলাম নিয়ে কথা বলার তিনি কে? মাক্রোকে এক হাত নিলেন এরদোগান

ইসলাম নিয়ে কথা বলার তিনি কে? মাক্রোকে এক হাত নিলেন এরদোগান

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোর তীব্র সমালোচনা করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সে দেশে ইসলামকে ‘বিদেশি ও কট্টরদের’ প্রভাবমুক্ত করার ডাক দিয়েছেন। এরদোগানের

মতে, এটা হলো খোলাখুলি উস্কা’নি দেয়া।

 

কিন্তু এরদোগান একটি টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, ”ইসলাম সংকটে বলে মাক্রো যে শুধু ধর্মকে অশ্রদ্ধা করেছেন

তাই নয়, খোলাখুলি উস্কানিও দিয়েছেন।” এরদোগান বলেছেন, ”মাক্রো এই সব কথা বলে তার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।

ইসলামের কাঠামো নিয়ে কথা বলার তিনি কে?”

 

মাক্রো ও এরদোগানের সম্পর্ক এমনিতেই মধুর নয়। আর্মেনিয়া-আজারবাইজান লড়াই এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগর নিয়ে

দুই নেতার বিরোধ সামনে এসেছে। এবার ইসলাম নিয়েও তাদের তীব্র মতবি’রোধ সামনে এলো।

এরদোগানের পরামর্শ, ”মাক্রো যেসব বিষয়ে কিছুই জানেন না, সেই সব বিষয়ে বলার আগে যেন ভালো করে

 

বিষয়টা জেনে নেন। আমরা চাই তিনি দায়িত্বশীল প্রেসিডেন্টের মতো কাজ করুন। ঔপনিবেশিক গভর্নরের মতো

নয়।” গত সপ্তাহে মাক্রো জানিয়েছেন, ”বিশ্ব জুড়েই ধর্ম হিসাবে ইসলাম সংক’টে। আগামী ডিসেম্বরে সরকার

একটি বিল আনবে। ১৯০৫ সালে ফ্রান্সে রাষ্ট্রের থেকে চার্চকে আলাদা করা হয়েছিল। সেই আইনকেই আরো

 

 

শক্তিশালী করা হবে।” মাক্রোর পরিকল্পনা হলো, মসজিদে বিদেশি অর্থ আসা নিয়ন্ত্রণ করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থারও

তদারকি করা। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোর তীব্র সমালোচনা করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব

তাইয়েব এরদোগান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সে দেশে ইসলামকে ‘বিদেশি ও কট্টরদের’ প্রভাবমুক্ত করার ডাক

 

দিয়েছেন। এরদোগানের মতে, এটা হলো খোলাখুলি উস্কা’নি দেয়া। কিন্তু এরদোগান একটি টেলিভিশন ভাষণে

বলেছেন, ”ইসলাম সংকটে বলে মাক্রো যে শুধু ধর্মকে অশ্রদ্ধা করেছেন তাই নয়, খোলাখুলি উস্কানিও দিয়েছেন।”

এরদোগান বলেছেন, ”মাক্রো এই সব কথা বলে তার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন। ইসলামের কাঠামো নিয়ে কথা বলার তিনি

 

কে?” মাক্রো ও এরদোগানের সম্পর্ক এমনিতেই মধুর নয়। আর্মেনিয়া-আজারবাইজান লড়াই এবং পূর্ব

ভূমধ্যসাগর নিয়ে দুই নেতার বিরোধ সামনে এসেছে। এবার ইসলাম নিয়েও তাদের তীব্র মতবি’রোধ সামনে এলো।

এরদোগানের পরামর্শ, ”মাক্রো যেসব বিষয়ে কিছুই জানেন না, সেই সব বিষয়ে বলার আগে যেন ভালো করে

 

বিষয়টা জেনে নেন। আমরা চাই তিনি দায়িত্বশীল প্রেসিডেন্টের মতো কাজ করুন। ঔপনিবেশিক গভর্নরের মতো

নয়।” গত সপ্তাহে মাক্রো জানিয়েছেন, ”বিশ্ব জুড়েই ধর্ম হিসাবে ইসলাম সংক’টে। আগামী ডিসেম্বরে সরকার

একটি বিল আনবে। ১৯০৫ সালে ফ্রান্সে রাষ্ট্রের থেকে চার্চকে আলাদা করা হয়েছিল। সেই আইনকেই আরো

 

শক্তিশালী করা হবে।” মাক্রোর পরিকল্পনা হলো, মসজিদে বিদেশি অর্থ আসা নিয়ন্ত্রণ করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থারও

তদারকি করা। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোর তীব্র সমালোচনা করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব

তাইয়েব এরদোগান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সে দেশে ইসলামকে ‘বিদেশি ও কট্টরদের’ প্রভাবমুক্ত করার ডাক

 

দিয়েছেন। এরদোগানের মতে, এটা হলো খোলাখুলি উস্কা’নি দেয়া। কিন্তু এরদোগান একটি টেলিভিশন ভাষণে

বলেছেন, ”ইসলাম সংকটে বলে মাক্রো যে শুধু ধর্মকে অশ্রদ্ধা করেছেন তাই নয়, খোলাখুলি উস্কানিও দিয়েছেন।”

এরদোগান বলেছেন, ”মাক্রো এই সব কথা বলে তার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন। ইসলামের কাঠামো নিয়ে কথা বলার তিনি

 

কে?” মাক্রো ও এরদোগানের সম্পর্ক এমনিতেই মধুর নয়। আর্মেনিয়া-আজারবাইজান লড়াই এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগর

নিয়ে দুই নেতার বিরোধ সামনে এসেছে। এবার ইসলাম নিয়েও তাদের তীব্র মতবি’রোধ সামনে এলো।

এরদোগানের পরামর্শ, ”মাক্রো যেসব বিষয়ে কিছুই জানেন না, সেই সব বিষয়ে বলার

 

 

আগে যেন ভালো করে বিষয়টা জেনে নেন। আমরা চাই তিনি দায়িত্বশীল প্রেসিডেন্টের মতো কাজ করুন।

ঔপনিবেশিক গভর্নরের মতো নয়।” গত সপ্তাহে মাক্রো জানিয়েছেন, ”বিশ্ব জুড়েই ধর্ম হিসাবে ইসলাম সংক’টে।

 

আগামী ডিসেম্বরে সরকার একটি বিল আনবে। ১৯০৫ সালে ফ্রান্সে রাষ্ট্রের থেকে চার্চকে আলাদা

করা হয়েছিল। সেই আইনকেই আরো শক্তিশালী করা হবে।” মাক্রোর পরিকল্পনা হলো, মসজিদে বিদেশি

অর্থ আসা নিয়ন্ত্রণ করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থারও তদারকি করা।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com