আপত্তিকর অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল নাসিরকে হাতেনাতে ধরা! (ভিডিও দেখুন)

আপত্তিকর অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল নাসিরকে হাতেনাতে ধরা! (ভিডিও দেখুন)

আজ সোমবার জানা যায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নাসির হোসেন

নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে।

এরপর কালীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন।

 

পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন কালীগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, আমার

বাবার বাড়ি কাশিপুর। সেখান থেকেই নাসিরের সঙ্গে আমার পরিচয়। আজ নিয়ে উনি আমার বাড়িতে দুই দিন

এসেছেন। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় তাকে আমি নাস্তা করতে দেই। উনি নাস্তা করার সময় হঠাৎ কয়েকজন

 

 

ঘরের মধ্যে ঢুকে আমাদের মারধর শুরু করেন।তিনি আরও জানান, আমার স্বামী চিনিকলে চাকরি করেন।

তিনি বাড়িতে ছিলেন না। আমার শ্বশুরবাড়ির অনেকেই আমাকে দেখতে পারে না। এজন্য আমাকে নিয়ে এমন

চক্রান্ত করছে। ওই পুলিশের সঙ্গে আমার শারীরিকভাবে কোনোকিছুই হয়নি।আপত্তিকর অবস্থায় দেখা জুয়েল

 

 

নামের এক যুবক বলেন, তিনি আমার ভাইয়ের বউ। আমি বাড়িতে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী বলে,

দেখো ওই ঘরে কে যেন এসেছে। অনেক সময় হয়ে গেছে এখনও বের হয়নি। এরপর আমি ভাত খেয়ে আমার

চাচাকে সঙ্গে নিয়ে দেখি দুইজনই উলঙ্গ। এরপর তাদের আমরা আটক করি।ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য

 

 

নাসির হোসেন বলেন, ওই মহিলা পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে। এজন্যই মূলত আসা। আসার পরপরই এই

ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছুই না।কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন,

নাসির নামে ওই পুলিশ সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আজ সোমবার জানা যায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ

 

উপজেলার বাবরা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নাসির হোসেন নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে নারীসহ

আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে। এরপর কালীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে

উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন কালীগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত।

 

 

ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, আমার বাবার বাড়ি কাশিপুর। সেখান থেকেই নাসিরের সঙ্গে আমার পরিচয়।

আজ নিয়ে উনি আমার বাড়িতে দুই দিন এসেছেন। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় তাকে আমি নাস্তা করতে দেই।

উনি নাস্তা করার সময় হঠাৎ কয়েকজন ঘরের মধ্যে ঢুকে আমাদের মারধর শুরু করেন।তিনি আরও জানান,

 

আমার স্বামী চিনিকলে চাকরি করেন। তিনি বাড়িতে ছিলেন না। আমার শ্বশুরবাড়ির অনেকেই আমাকে দেখতে

পারে না। এজন্য আমাকে নিয়ে এমন চক্রান্ত করছে। ওই পুলিশের সঙ্গে আমার শারীরিকভাবে কোনোকিছুই হয়নি।

আপত্তিকর অবস্থায় দেখা জুয়েল নামের এক যুবক বলেন, তিনি আমার ভাইয়ের বউ।

 

আমি বাড়িতে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী বলে, দেখো ওই ঘরে কে যেন এসেছে। অনেক সময় হয়ে গেছে

এখনও বের হয়নি। এরপর আমি ভাত খেয়ে আমার চাচাকে সঙ্গে নিয়ে দেখি দুইজনই উলঙ্গ।

এরপর তাদের আমরা আটক করি।ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন বলেন, ওই মহিলা পুলিশের

 

সোর্স হিসেবে কাজ করে। এজন্যই মূলত আসা। আসার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছুই না।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, নাসির নামে ওই পুলিশ সদস্যকে

সাসপেন্ড করা হয়েছে। আজ সোমবার জানা যায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামের একটি বাড়ি

 

থেকে নাসির হোসেন নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে।

এরপর কালীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। পুলিশ

সদস্য নাসির হোসেন কালীগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, আমার বাবার

 

বাড়ি কাশিপুর। সেখান থেকেই নাসিরের সঙ্গে আমার পরিচয়। আজ নিয়ে উনি আমার বাড়িতে দুই দিন এসেছেন।

ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় তাকে আমি নাস্তা করতে দেই। উনি নাস্তা করার সময় হঠাৎ কয়েকজন ঘরের মধ্যে

ঢুকে আমাদের মারধর শুরু করেন।তিনি আরও জানান, আমার স্বামী চিনিকলে চাকরি করেন।

 

তিনি বাড়িতে ছিলেন না। আমার শ্বশুরবাড়ির অনেকেই আমাকে দেখতে পারে না। এজন্য আমাকে নিয়ে এমন

চক্রান্ত করছে। ওই পুলিশের সঙ্গে আমার শারীরিকভাবে কোনোকিছুই হয়নি।আপত্তিকর অবস্থায় দেখা জুয়েল

নামের এক যুবক বলেন, তিনি আমার ভাইয়ের বউ।

 

আমি বাড়িতে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী বলে, দেখো ওই ঘরে কে যেন এসেছে। অনেক সময় হয়ে গেছে

এখনও বের হয়নি। এরপর আমি ভাত খেয়ে আমার চাচাকে সঙ্গে নিয়ে দেখি দুইজনই উলঙ্গ।

এরপর তাদের আমরা আটক করি।ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন বলেন, ওই মহিলা পুলিশের

 

সোর্স হিসেবে কাজ করে। এজন্যই মূলত আসা। আসার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছুই না।কালীগঞ্জ

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, নাসির নামে ওই পুলিশ সদস্যকে সাসপেন্ড

করা হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com