নির্বাচনে হেরে গেলে হয়তো আমাকে দেশ ছাড়তে হবে : ট্রাম্প

নির্বাচনে হেরে গেলে হয়তো আমাকে দেশ ছাড়তে হবে : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যঙ্গ করে বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট

প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গেলে হয়তো তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউএসএ টুডে

 

খবর জানিয়েছে। ট্রাম্প গত শুক্রবার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে তাঁর নির্বাচনী জনসভায় ঠাট্টা করে বলেন, ‘ইতিহাসের

সবচেয়ে খারাপ প্রার্থীর মোকাবিলায় আমি তীব্র চাপের মুখে রয়েছি এবং এই নির্বাচনে আমি যদি হেরে যাই তাহলে

 

বলতে হবে, আমি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ প্রার্থীর কাছে হেরে গেছি।’

এরপর ট্রাম্প ঠাট্টাচ্ছলে আরো বলেন, ‘হেরে গেলে আমার মধ্যে খুব বাজে অনুভূতি তৈরি হবে; তখন হয়তো

আমাকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে।’

 

ট্রাম্প এমন সময় এ বক্তব্য দিলেন যখন তাঁর তিনজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী

প্রচারদলের প্রধান বিল স্টিপিয়েনকে জানিয়েছেন, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম এবং

তিনি যেন নিজেকে পরাজয় মেনে নেওয়ার করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করেন। সংবাদ সংস্থা পার্স টুডে এ

খবর জানিয়েছে

 

 

আরও পড়ুন= উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন যা করছে তা গণহত্যার কাছাকাছি :‌ যুক্তরাষ্ট্র

জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন যা করছে, তা গণহত্যার কাছাকাছি বলে বলে মন্তব্য করেছেন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ ব্রায়েন। গত শুক্রবার অ্যাসপেন ইনস্টিটিউট নামে

 

 

একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, রবার্ট ও’ ব্রায়েন উইঘুর মুসলিমদের বিষয়ে কথা বলার পাশাপাশি

হংকংসহ চীনের বিরুদ্ধে জেগে ওঠা বিভিন্ন আন্দোলন নিয়েও কথা বলেন। উইঘুর মুসলিমদের ব্যাপারে তিনি

 

বলেন, ‘উইঘুর নারীদের মাথা মুড়িয়ে, সেই চুল দিয়ে নানা পণ্য তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করছে চীন। এটি যদি

গণহত্যা নাও হয়ে থাকে তবে তা গণহত্যার কাছাকাছি।’ গত কয়েক বছর ধরে চীনের উত্তর-পশ্চিমের প্রদেশ

জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের উপর দেশটির সরকারের নির্যাতনের বহু চিত্র উঠে এসেছে। লাখ লাখ উইঘুর

 

মুসলিম চীন সরকারের তৈরি বন্দীশালায় বন্দী বলে অনেক সংবাদমাধ্যমের সংবাদে উঠে এসেছে। যদিও চীন

বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে অভিযোগ করেছিল চীন সরকার উইঘুর

মুসলিমদের বন্দী করে বন্ধ্যাকরণ করেছে যাতে দেশটিতে উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠী না বাড়তে পারে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com