যুবলীগ নেতা নির্দেশ দিলেন- ‘ইতারে মা’রি ফেলা’, এরপর কো’পা’নো শুরু…

যুবলীগ নেতা নির্দেশ দিলেন- ‘ইতারে মা’রি ফেলা’, এরপর কো’পা’নো শুরু…

চট্টগ্রাম নগরীতে নতুন ফিশারিঘাট এলাকায় বেড়া মার্কেটে ব’স্তিতে একজনকে কু’পি’য়ে খু”নের পরিকল্পনাকারী ও

নির্দেশদাতা হিসেবে আকতার নামে এক যুবলীগ নেতার সম্পৃক্ততার বিষয় নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। যুবলীগ নেতা

আকতার ও তার অনুসারীসহ মোট সাত জনকে গ্রেফ’তারের পর পুলিশ জানিয়েছে, অনুসারীদের সঙ্গে বি’রোধ

 

মিমাং’সার বৈঠ’কে ডেকে আকতার সরাসরি হ”ত্যার নির্দেশ দেন। এরপরই মূলত তাকে ‘ধা’রা’লো অ”স্ত্র দিয়ে

আ’ঘা’ত শুরু হয়। হ”ত্যার পর একে গ’ণপি’টু’নি বলে চালিয়ে দেওয়ার চে’ষ্টা করে আকতার ও তার অনুসারীরা।

 

 

নগরীর বাকলিয়া থানায় কর্ণফুলী নদীসংলগ্ন এলাকায় সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা বিশাল ব’স্তির একটি

কলোনির মালিক দাবিদার আকতার হোসেন (৪১), যিনি স্থানীয়ভাবে ‘ক’সা’ই আকতার’ নামে পরিচিত।

গ্রেফ’তারের পর আকতার নিজেকে স্থানীয় বকশিরহাট ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

 

 

একই পদবি লেখা ব্যানারও মার্কেটে ঝু’লছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ‍দুপুরে

হ”ত্যাকা’ণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত সাংবাদিকদের জানানো হয়। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে আকতারের

কলোনির ভাড়াটিয়া আবু তৈয়বকে (৪২) কু”পি’য়ে খু”ন করা হয়। এ ঘট’নায় রাতেই আকতারসহ সাত জনকে

 

 

গ্রেফ’তার করে বাকলিয়া থা’না পুলিশ। গ্রেফ’তার বাকি ছয়জন হলেন- আকতারের কলোনির ম্যানেজার মো.

সাইফুদ্দিন (৪০), অনুসারী রায়হান উদ্দিন রানা (২৫), আশরাফুল ইসলাম (২৮), মো. সবুজ (৩৫), আবু তাহের

কালু (২০) এবং আকতারের কলোনির ভাড়া সংগ্রহকারী হাসিনা (২৬)।

 

বাকলিয়া থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা আকতার ও তার

অনুসারীদের সঙ্গে নি”হ’ত তৈয়বের তিন ধরনের বি’রোধের তথ্য পেয়েছি। তৈয়ব ট্রলারে শ্রমিক সরবরাহ করে।

এছাড়া নদীর তীরে নির্মিত কাঠের ট্রলার নদীতে ভাসানোর সময় যে শ্রমিক প্রয়োজন হয়, সেগুলো সরবরাহেও তার

 

একক আ’ধিপত্য ছিল। এই দুই সেক্টরে শ্রমিক সরবরাহের কাজ তার থেকে ভাগিয়ে নেওয়ার চে’ষ্টা করছিল

আকতার। কিন্তু তৈয়বের প্রভা’বের কারণে না পেরে আয়ের ভাগ বা চাঁ’দা দাবি শুরু করে। তৈয়ব চাঁ’দা দিতেও

অস্বী’কৃতি জানায়। এছাড়া বেড়া মার্কেট এলাকায় তৈয়বের একটি দোকান আছে, সেখানে গিয়ে আকতারের ভাই

 

মুন্না (পলা’তক) প্রতিদিন এক হাজার টাকা করে চাঁ’দা দাবি করেছিল। সেটাও তৈয়ব দেননি।’

বাদির অভি’যোগ ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খু”নের বিবরণ দিয়ে ওসি বলেন, ‘নতুন ফিশারিঘাট এলাকায়

ওয়ালটন শোরুমের সামনে তৈয়বকে আ’টকে আকতার বলেন- আবু তৈয়বকে মে’রে ফেল। এরপর কো’পা’নো

 

শুরু হয়। লো’হার র’ড, লো’হার পাইপ দিয়ে বে’ধড়’ক মা’রধ’রের পাশাপাশি কিরিচ-রা’ম’দা দিয়ে কো’পা’নো হয়।’

নগর পুলিশের ‍উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, ‘আকতারসহ মোট ৯ জন এই হ”ত্যাকা’ণ্ডে

সরাসরি জড়িত ছিল আমরা তথ্য পেয়েছি। এর মধ্যে সাতজনকে আমরা গ্রেফ’তার করতে পেরেছি। পরিকল্পিত

 

হ”ত্যার পর আকতারসহ আ’সা’মিরা এই ঘ’টনাকে গ’ণপি’টু’নি বলে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে

পুলিশকেও বি’ভ্রা’ন্ত করার চে’ষ্টা করে। তবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে হ”ত্যায়

জড়িত সাতজনকে গ্রেফ’তার করতে সক্ষম হয়েছি।’

 

 

শুক্রবার রাতে যখন তৈয়বকে ধা’রা’লো অ”স্ত্র দিয়ে কো’পা’নো হচ্ছিল, সামনেই ছিলেন তার ছেলে শাহজাহান।

তিনি ঘট’নার বর্ণনা দেন এভাবে, ‘আমার আব্বার কাছে ট্যাক্স (চাঁদা) চেয়েছিল। আব্বা যখন দেয়নি, তখন তার

সঙ্গে আকতারের লোকজনের হা’তাহা’তি হয়েছিল। আকতার আমার আব্বাকে মিমাং’সা করার জন্য ডে’কেছিল।

 

আব্বাকে দেখেই আকতার বলে ওঠে- ওকে একেবারে মে’রে ফেল। তখন সবাই মিলে আমার আব্বাকে মার’তে

শুরু করে। কো’প খে’য়ে আমার আব্বা দৌঁড় দিয়ে রাস্তায় চলে আসে। সেখানেও আকতার এবং তার স’ন্ত্রা’সীরা

এসে আব্বাকে কো’পাতে থাকে।’

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com