জে’নেনিন সাদা স্রা’বের সম’স্যা দূর করার কা’র্যকরী উপায়!

জে’নেনিন সাদা স্রা’বের সম’স্যা দূর করার কা’র্যকরী উপায়!

কিশোরী থেকে বয়স্ক অনেক নারীই সাদা স্রা’বের স’মস্যায় ভুগে থাকেন। সাদা স্রা’ব বা লিউকোরিয়া মেয়েদের

একটি সাধারণ সম’স্যা। এই সম’স্যাটি বেশিরভাগ -কিশোরীদের হয়। এটি অল্প হলে চি’ন্তার কিছু নেই, তবে খুব

বেশি হলে তা অব’শ্যই উ’দ্বেগের বিষয়।

 

সাদা স্রা’বের কারণ কী? সাদা স্রা’ব অ’তিরিক্ত দু’র্বলতা এবং সংক্র’মণের কারণে হতে পারে। সুতরাং এর চি’কিৎসা

করা গু’রুত্বপূর্ণ। স্রাবের রং যদি ধূসর সাদা, মরিচা, সবুজ, হলুদ বা বাদামী হয় তবে এটি গু’রুতর উ’দ্বেগের কারণ

হতে পারে। গো’পনা’ঙ্গ চু’লকানির স’ঙ্গে ঘন সাদা স্রা’ব সংক্র’মণের কারণে হতে পারে।

 

সাদা স্রা’বের অন্যান্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অপ’রিষ্কার গো’পনা’ঙ্গ, অ’তিরিক্ত উদ্বি’গ্ন হওয়া, একাধিক পুষ্টির

ঘা’টতি। সাদা স্রা’বের ল’ক্ষণগুলোর মধ্যে মাথা ঘোরা, ক্লা’ন্তি, চু’লকানি, দু’র্বলতা, ব্য’ক্তিগত অংশ থেকে গ’ন্ধ,

মা’থাব্য’থা এবং কো’ষ্ঠকাঠিন্য অ’ন্তর্ভুক্ত।

 

যদি স্রা’ব খুব বেশি হয় তবে আপনাকে অ’বশ্যই একজন ডাক্তারের স’ঙ্গে প’রামর্শ ক’রতে হবে, তবে কিছু ঘরোয়া

উপায় রয়েছে যা হালকা সাদা স্রা’বের সম’স্যার স’মাধান ক’রতে পারে-

সিদ্ধ মেথি বীজ খেলে সাদা স্রাবের সম’স্যা স’মাধান হতে পারে। আধা লিটার পানিতে কিছুটা মেথি ফু’টিয়ে

 

ঠা’ণ্ডা হয়ে এলে পানি পান করুন। > সাদা স্রা’বের সম’স্যাটির চি’কিৎসার জন্য আরেকটি ভালো প্র’তিকার হলো

ঢেঁড়স। কয়েকটি ঢেঁড়স পানিতে সে’দ্ধ করে চ’টকে খেতে পারেন। অনেকে আবার এটি দইয়ের স’ঙ্গেও মি’শিয়ে

খান।

 

 

কিছু ধনিয়া সারারাত পানিতে ভি’জিয়ে রাখু’ন, সকালে পানিটা ছে’কে নিয়ে খালি পে’টে রাখু’ন।

সাদা স্রা’বের চিকি’ৎসার জন্য এটি অ’ন্যতম সহজ এবং নি’রাপদ ঘরোয়া উপায়।

 

 

> ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অনেক পুষ্টি সমৃদ্ধ আমলকি রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বা’ড়াতে এবং আমাদের

সু’স্থ রাখতে সা’হায্য করে। এটি যেকোনোভাবেই খাওয়া যায়।

> বিভিন্ন রো’গ সারাতে যুগে যুগে ব্য’বহৃত হয়ে আ’সছে তুলসি। কিছু তুলসি পাতা পানিতে সি’দ্ধ করে নিতে পারেন। এতে কিছুটা মধুও যোগ ক’রতে পারেন। সম’স্যাটি দূ’র ক’রতে প্র’তিদিন দু’বার এই পানীয় পান করুন। দুধের

স’ঙ্গেও তুলসি খেতে পারেন।

 

 

> সাদা স্রা’বের স’মস্যা নির্মূ’ল ক’রতে নিয়মিত ভাতের মাড় পান ক’রতে পারেন। ক্র’মা

গত সাদা স্রা’বের সম’স্যায় ভু’গলে আপনার জন্য ভাতের মাড় একটি অনন্য প্র’তিকার।

সাদা স্রা’বের পাশাপাশি চু’লকানির মতো সম’স্যা দেখা দিলে কিছু পেয়ারা পাতা পানিতে সি’দ্ধ করে নিন। এটি ঠান্ডা হওয়ার পরে পান ক’রতে পারেন। দিনে দু’বার পান করুন।

 

 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরও পড়ুনঃ ৭৫ বছর ব’য়সে বাবা হওয়া, মেনে নিতে পারছেন না ভাতিজারা স্ব-উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার প্রত্যয়ে

কৈশোর থেকে সঞ্চিত অর্থে জমি কেনা শুরু করেন। ক’ঠোর পরিশ্রমে আজ তিনি প্রতিষ্ঠিত।সব কিছু গুছিয়ে সেই

সময়ে পৌঁছতে সময় লেগেছে ৭৫ বছর।

 

এমনি এক ব্যক্তি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজে’লার তারাটি ইউনিয়নের কলাদিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান তোতা

মিয়া।তিনি জীবনের সবটুকু সময় ব্যয় করেছেন সম্পদ অর্জনে।কিনেছেন একরে একরে জমি। একাধিক বাসা-

বাড়ি। শুধু যে সম্পদ কিনেছেন তা নয় এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কথা চিন্তা করে গড়ে তুলেছেন মসজিদ-

 

মাদরাসাসহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ই’চ্ছা রয়েছে কলেজ, হাসপাতাল ও বৃ’দ্ধাশ্রম গড়ে তোলার।এসব করতে

করতে জীবন থেকে কখন যে ৭৪টি বসন্ত পেরিয়ে গেছে টেরও পাননি তিনি। বর্তমানে তোতা মিয়ার সময় কাটে

স্ত্রী স’ন্তানকে নিয়েই।হাবিবুর রহমান তোতা মিয়া। ছয় ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট। ১০ বছর ব’য়সে বাবা মা’রা

 

যান। মাকে হা’রান দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায়। নানা টানাপো’ড়নে দেয়া হয়নি মেট্রিক পরীক্ষা।জড়িয়ে পড়েন

কৃষিকাজে। কৃষির আয়ের টাকায় একে একে ক্রয় করেন ৩০ একর সম্পত্তি। তখন থেকে ভাবতেন সম্পদের

পাশাপাশি এলাকার মানুষের কল্যাণে কিছু করার।

 

সেই চিন্তা থেকে নিজ এলাকায় গড়ে তোলেন একটি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, ম’হিলা মাদরাসা,

মসজিদ, গোরস্থান এবং ঈদগা মাঠ।গড়ে তুলবেন কলেজ ও বৃ’দ্ধাশ্রম। এসব প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন প্রায় ৭ একর

জমি। এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে তার জীবন থেকে চলে গেছে অনেকগুলো বছর।৭৪ বছর ব’য়সে ২০১৮ সালে

 

বিয়ের পিঁড়িতে বসেন একই উপজে’লার কুমারগাতা ইউনিয়নের মনতলা গ্রামের মুখলেছুর রহমানের ২২ বছর

ব’য়সী আকলিমা খাতুনের স’ঙ্গে। বছর ঘুরতেই তাদের ঘর উজ্জ্বল করে জ’ন্ম নেয় এক পুত্রস’ন্তান। স’ন্তানের নাম

রাখেন মোহাম্ম’দ আল রহমত ইয়াহিয়া।হাবিবুর রহমান তোতা মিয়া বলেন, বাবা-মা মা’রা যাওয়ার পর পড়ালেখা

 

বন্ধ হয়ে যায়। একেবারে অসচ্ছল পরিবারের ছেলে ছিলাম না। তারপরও মনে ই’চ্ছা ছিল নিজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার।

’৫৮-’৫৯ সালের কথা।সেই সময় থেকে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া চার একর জমিতে শুরু করি হালচাষ। তখন সবচেয়ে

বড় কৃষি ছিল কলাবাগান আর পানের বরজ।পাশাপাশি ধান, পাট আর আলু ছিল মৌসুমি ফসল। জীবনে বাজে

 

কাজে বা বাজে নে’শায় একটি পয়সাও খরচ করিনি। কৃষি থেকে যা আয় হতো সেই আয়ের টাকায় প্রতি বছর কিছু

কিছু করে জমি কিনেছি। এভাবে ক’ঠোর পরিশ্রম করে আজ ৩০ একর সম্পত্তিরর মালিক হয়েছি। তাছাড়া

মুক্তাগাছা উপজে’লা সদরে রয়েছে আরও দুটি বাড়ি।জমি কেনার পাশাপাশি আরেকটি

 

স্বপ্ন দেখতাম এলাকার মানুষের জন্য কিছু করার। কারণ এই এলাকাটি ছিল অবহেলিত। ময়মনসিংহ সদর আর

মুক্তাগাছা উপজে’লার শেষ প্রান্ত। এরপরই জামালপুর জে’লা।আশপাশে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদরাসা

ছিল না। ১৯৯০ সালে গ্রামের কয়েকজনের পরামর্শে নিজ নামে একটি বেস’রকারিপ্রাথমিক বিদ্যালয় করি (যা

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 NewsTheme
Design BY jobbazarbd.com