সংক’টে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েটরা নীরব থাকেন কেন!

আওয়ামী লীগের অনেক জনপ্রিয় সিনিয়র নেতা রয়েছেন। এই নেতাদের জাতীয় রাজনীতিতে গু’রুত্ব পূর্ণ অবদান যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে জনপ্রিয়তা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন সংক’টে এই নেতারা এক ধ’রনের মৌনব্রত অবলম্বন করে। ভাস্কর্য ইস্যুতেও এই নেতারা প্রথমদিকে নীরব ছিল, পরে আবার সরব হয়েছিল।

 

এর আগেও যখন বিএনপি-জামাত সরকারের বি’রুদ্ধে অপপ্র’চারে লিপ্ত ছিল তখনও তারা নীরব ছিলেন। আবার যদি লক্ষ করা হয় যে, যখন কোটা বিরো’ধী আ’ন্দোলন, ধ.র্ষ”ণ বি’রো’ধী আ’ন্দোলনের সময়ও এই শী’র্ষ নেতাদের অনেকেই মুখ খোলেননি। কিন্তু এই নেতাদের বিপুল ক’র্মী -সমর্থক রয়েছে এবং জনগণ তাদের বক্তব্য শুনতে চায়।

 

সাম্প্রতিক সময়ে আল জাজিরায় ‘অল দ্যা প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ শিরোনামে একটি বিত’র্কিত তথ্যচিত্র প্র’চারিত হয়েছে। এই তথ্যচিত্র নিয়ে সারা বাংলাদেশে আলোচনা হচ্ছে। বিএনপি-জামাত এই তথ্যচিত্রটি নিয়ে সরকারকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে।

 

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সে’নাবা’হিনী র পক্ষ থেকে আইএসপিআর এই তথ্যচিত্রের প্রতিবাদ করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সহ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ আল জাজিরার এই প্র’তিবেদনের

 

স’মালোচনা ক’রেছেন। দলের অসংখ্য নেতাক’র্মী এই প্র’তিবেদনের প্রতিবাদ করে ‘উই অল আর শেখ হাসিনা’স ম্যান’ শিরোনামে তাদের ফেসবুক প্রোফাইলের ছবি দেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সিনিয়র, জনপ্রিয় এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ মৌনব্রত অবলম্বন ক’রতে দেখা যাচ্ছে।

 

আমির হোসেন আমু: আওয়ামী লীগের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হলেন আমির হোসেন আমু। এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো কথা বলতে দেখা যায়নি আমির হোসেন আমুকে। যদিও ভাস্কর্য ইস্যুতে তিনি সরব ছিলেন। আমির হোসেন আমু শুধু আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতাই নন, ১৪ দলের সমন্বয়কারীও।

 

তিনি সমন্বয়কারী হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৪ দলকে সক্রিয় করার কোন উদ্যো’গ দেখা যায়নি। আমির হোসেন আমু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে যে দলের এবং সরকারের গু’রুত্ব পূর্ণ সময়ে নিজেকে গুটিয়ে রাখেন।

 

তোফায়েল আহমেদ: স্ত্রীর চিকিৎ’সার জন্য তোফায়েল আহমেদ এখন ভারতে অব’স্থান করছেন। তারপরও এই সময় তার একটি বক্তব্য জাতি প্রত্যাশা করেছিল। বেগম মতিয়া চৌধুরী: বিভিন্ন সংক’টের সময় বেগম মতিয়া চৌধুরীকে পাওয়া যায়, তিনি কথাও বলেন। কিন্তু আল জাজিরার প্র’তিবেদন ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য জনগণ পায়নি।

 

শেখ ফজলুল করিম সেলিম: আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং গু’রুত্ব পূর্ণ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনিও এই সংক’টের সময় এক ধ’রনের নীরবতা পা’লন করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, যে তথ্যচিত্রটি প্র’কাশিত হয়েছে সেটি একটি রাজনৈতিক দুরভিসন্ধিমূলক।

 

এটি নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের স’মালোচনা করা উচিত এবং এই ষ’ড়যন্ত্র উন্মোচন করার জন্য বক্তব্য দেয়া উচিত। কিন্তু আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের এই ক্ষেত্রে নীরবতা অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে।সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

 

 

Check Also

সন্তানকে বাঁশঝাড়ে ফেলে হাসপাতাল থেকে পা”লা’লেন তরুণী……

হা’সপাতা’লে স’ন্তান প্র’সবের এক দিন পর বাঁ’শঝা’ড়ে ফেলে গে’লেন এক মা। শি’শুটিকে স্থানীয়রা উ’’দ্ধার করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *