Breaking News

সপ্তাহে চার দিন কাজ, তিন দিন ছুটি চালু হচ্ছে ভারতে!

সপ্তাহে চার দিন কাজ করে তিন দিন বৈতনিক ছুটি পেতে যাচ্ছেন ভারতের চাকরিজীবীরা। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় শ্রম ও নিয়োগ মন্ত্রণালয়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

 

গত সোমবার নতুন শ্রমবিধি ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় শ্রম ও নিয়োগ সচিব অপূর্ব চন্দ্র। তিনি জানিয়েছেন, নতুন নিয়মে সাপ্তাহিক কর্মদিবস পাঁচ দিনের নিচে নামিয়ে আনার সুযোগ দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে দৈনিক কর্মঘণ্টা বেড়ে যাবে।

 

কারণ, সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজের যে সময়সীমা রয়েছে, তার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। অর্থাৎ সপ্তাহে চার কর্মদিবস হলে দৈনিক ১২ ঘণ্টা কাজ করতে হবে কর্মীদের। এর বিপরীতে তাদের সপ্তাহে তিন দিন বৈতনিক ছুটি দিতে বাধ্য থাকবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

 

নতুন নিয়মের খসড়া প্রস্তাবটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভারতীয় শ্রম ও নিয়োগ সচিব জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক কর্মদিবস কমানোর পাশাপাশি ওই প্রস্তাবে কর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথাও বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের স্বাস্থ্য বীমার সাহায্য নিয়ে কর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

 

অবশ্য নতুন এই বিধি চালু করা বাধ্যতামূলক নয়। কর্মী এবং প্রতিষ্ঠান উভয়ে চাইলেই কেবল নতুন নিয়ম কার্যকর হতে পারে। আবার চাইলে কর্মদিবস চার দিনের বদলে পাঁচ অথবা ছয় দিনও করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দৈনিক কাজের সময় কমবে।

 

তৃণমূলে কেউ অ’ন্যা’য় করলে ‘কান মলে দেবেন’ মমতা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত নির্বাচনের আগে প্রায়ই বলতেন, ‘চোরের বদনাম দেবেন না। ভালোভাবে বললে তৃণমূল বাড়িতে গিয়ে বাসন মেজে দেবে।’ ফের নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই তার মুখে আবারো শোনা যাচ্ছে অনেকটা একই কথা।

 

মঙ্গলবার কালনায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় মমতা পশ্চিমবঙ্গের লোকদের তৃণমূল কর্মীদের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তৃণমূলে কেউ অন্যায় করলে আমি আছি অভিভাবক। কেউ অ’ন্যা’য় করলে বলবেন, গালে দুটো থা’প্পড় মা’রব। কান মলে দেব। কিন্তু কেউ যেন তাকে ভুল না বোঝেন।

 

তৃণমূলে ভাঙনের বিষয়ে দলীয় প্রধান বলেন, অ’ন্যা’য়ের খবর কানে এলে আমি বরদাশত করব না। তাই দু’একজন ভয়ে আগেভাগেই পালিয়ে যাচ্ছে। এসময় বিজেপির সমালোচনা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপি

 

গোজামিল পার্টি, শুধু মিথ্যা কথা বলে। আমরা কৃষকদের চাল কিনি, শস্যবীমার পুরো টাকা দেই। কেন্দ্রের তিনটি কালো আইন কৃষকদের সব লু’ট করে নেবে। বিজেপি মানেই সর্বনাশ। তিনি বলেন, বিজেপির অনেক টাকা, সেটা নিয়েই চলে আসছে। ওই টাকা ওদের নয়, ওটা চু’রি করা টাকা। ওরা টাকা দিলে ভালো করে ভাত-মাংস খেয়ে

 

নেবেন। ত্রিপুরার প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, সেখানে মানুষকে একটা কথা বলতে দেয় না। ধরে ধরে মা’রছে। বাঙালিকে অ’ত্যাচা’র করছে। বিজেপির রাজ্যগুলোতে কোনো নিরাপত্তা নেই। শান্তিতে থাকতে হলে তৃণমূলই আপনার বন্ধু।

 

 

Check Also

স্ত্রীকে গ’র্ভব’তী করার দায়িত্ব দিলেন ব’ন্ধুকে, ৭৭ বারেও ব্য’র্থ হওয়ায় ব’ন্ধুর বি’রু’দ্ধে মা’ম’লা

নিজে স’ন্তান জ’ন্মদানে অ’ক্ষম ছিলেন। তবে স’ন্তানের আকাঙ্খা ছাড়তে পা’রেননি। তাই ফন্দি এঁটে ব’ন্ধুকে দায়িত্ব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *