১৯২ শিক্ষার্থীর ক’রোনা ধরা পড়লো ভারতের দুই স্কুলে

ভারতে ক’রোনার প্রকোপ সামান্য কমায় ধীরে ধীরে বিভিন্ন রাজ্যের স্কুল খুলতে শুরু করেছে। স্কুল খোলার পর কেরালায় দুই স্কুলের ১৯২ শিক্ষার্থীসহ ২৬৪ জন করোনা আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। ইন্ডিয়া ডট কমের খবরে বলা হয়েছে, আ’ক্রা’ন্তদের মধ্যে ৯১ জন ছাত্র একটি কোচিংয়ে পড়তে যেত।

 

ফলে তাদের মাধ্যমে ওই কোচিংয়ে আরো ছাত্রের মধ্যে কো’ভি’ড ছড়িয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাময়িকভাবে ওই স্কুল দুটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, কেরালার মালাপ্পুরাম জেলার পাশাপাশি দুইটি স্কুলে সামাজিক দূরত্ব মেনেই ক্লাস শুরু হয়েছিল।

 

 

চলতি সপ্তাহে প্রথমে একটি স্কুলে দশম শ্রেণির এক ছাত্র এবং অন্য স্কুলে এক শিক্ষকের করোনা ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন দুইটি স্কুলের প্রায় সমস্ত ছাত্র এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করে।

 

এই ঘটনার পর স্কুল দুটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আ’ক্রা’ন্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের পরিবার এবং ঘনিষ্ঠদেরও করোনার পরীক্ষা হয়েছে। কেরালা প্রশাসনের দাবি, এখনো পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি ব্যক্তির টেস্ট করানো হয়েছে। অনেককেই আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

ওড়িশাতেও গত মাসে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। স্কুল খোলার পর ৩১ জন ছাত্র ও শিক্ষক করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হন। এখন শুধু দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস হচ্ছে। তাতেই একাধিক রাজ্য থেকে ছাত্র ও শিক্ষকদের করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার খবর আসছে।

 

সপ্তাহে চার দিন কাজ, তিন দিন ছুটি চালু হচ্ছে ভারতে! সপ্তাহে চার দিন কাজ করে তিন দিন বৈতনিক ছুটি পেতে যাচ্ছেন ভারতের চাকরিজীবীরা। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় শ্রম ও নিয়োগ মন্ত্রণালয়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

 

 

গত সোমবার নতুন শ্রমবিধি ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় শ্রম ও নিয়োগ সচিব অপূর্ব চন্দ্র। তিনি জানিয়েছেন, নতুন নিয়মে সাপ্তাহিক কর্মদিবস পাঁচ দিনের নিচে নামিয়ে আনার সুযোগ দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে দৈনিক কর্মঘণ্টা বেড়ে যাবে।

 

কারণ, সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজের যে সময়সীমা রয়েছে, তার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। অর্থাৎ সপ্তাহে চার কর্মদিবস হলে দৈনিক ১২ ঘণ্টা কাজ করতে হবে কর্মীদের। এর বিপরীতে তাদের সপ্তাহে তিন দিন বৈতনিক ছুটি দিতে বাধ্য থাকবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

 

নতুন নিয়মের খসড়া প্রস্তাবটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভারতীয় শ্রম ও নিয়োগ সচিব জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক কর্মদিবস কমানোর পাশাপাশি ওই প্রস্তাবে কর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথাও বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের স্বাস্থ্য বীমার সাহায্য নিয়ে কর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

 

 

অবশ্য নতুন এই বিধি চালু করা বাধ্যতামূলক নয়। কর্মী এবং প্রতিষ্ঠান উভয়ে চাইলেই কেবল নতুন নিয়ম কার্যকর হতে পারে। আবার চাইলে কর্মদিবস চার দিনের বদলে পাঁচ অথবা ছয় দিনও করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দৈনিক কাজের সময় কমবে।

 

 

Check Also

মাওলানা মামুনুল হককে ‘নিজে’র বাড়িতে’ দাওয়াত দিলেন নিক্সন চৌধুরী

ফরিদপুর-৪ আসনের জনপ্রিয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেছেন, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *