শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নতুন তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সরকার শি’শুদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে যথেষ্ট আন্তরিক। তবে সব ঝুঁ’কি বিবেচনা ও স্বা’স্থ্য সুর’ক্ষা নি’শ্চিত করেই শিক্ষার্থীদের ফেরানো হবে। কোভিড প’রিস্থিতি বর্তমান শিক্ষাব্যব’স্থার পুনর্মূল্যায়ন ও সংস্কারের একটি সুযোগও তৈরি করেছে।

 

 

শিক্ষা সংশ্লি’ষ্ট সরকারি বিভাগ, প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন ও দাতা সংস্থা সবাই একস’ঙ্গে কাজ করেই শি’শুদের নি’রাপদে স্কুলে ফেরাতে চায় সরকার।বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশে ক’র্ম’রত ১৫টি শী’র্ষস্থানীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার ‘নি’রাপদ ইশকুলে ফিরি’ শী’র্ষক ক্যাম্পেইন

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, পুরোপুরি অবস্থার ওপর নির্ভর করবে, আম’রা কি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি বা শেষ দিকে স্কুল খোলার একটা সুযোগ পাব নাকি মা’র্চ মাসে খোলার চেষ্টা করব? মোট’কথা একেবারে

 

গোড়া থেকেই যেটি কথা, স্বা’স্থ্য ঝুঁ’কি আম’রা নেব না। যেখানে স্বা’স্থ্য ঝুঁ’কি থাকবে, তখন আম’রা খুলব না। যখন মনে করব, ঝুঁ’কিটা খুবই কম এবং এখন খোলা যায় নি’রাপদভাবে, আম’রা তখন খুলব।

 

তিনি আরও বলেন, ‘যখনই স্কুল-কলেজ খোলা হোক না কেন, তার কতদিন পরে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষা নিলে শিক্ষাবর্ষ ন’ষ্ট হবে না। বি’ঘ্ন িত হবে না। তাহলে আম’রা কতগুলো কার্যদিবস পাবো, ক্লাস পাবো, সেই হিসাবে, নতুন করে সিলেবাস প্রণয়ন করেছি। কোন কোন বিষয় শিক্ষার্থীর জা’নাটা অ’ত্যাবশ্যক সেটা মা’থায় রেখে

 

এসএসসির জন্য ৬০ ক’র্ম’দিবসের সিলেবাস তৈরি করেছি। অনেক বিষয় আছে, আগের ক্লাসে প’ড়েছে এবং পরের ক্লাসে আবারও পড়বে, সেসব বিষয় মা’থায় রেখে করেছি। এইচএসসির ক্ষেত্রে আম’রা ৮৪ কার্যদিবস করেছি। যদি স্কুল খুলতে দেরি হয় তাহলে পরীক্ষা পরে নেবো। তাতে এমন কোনও মহাভা’রত অশুদ্ধ হবে না। তারপরও তাদের

 

পরবর্তী যাওয়াটা স’মস্যা হবে বলে আম’রা মনে করছি না।’ অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গো’লাম ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক

 

সোহেল আহমেদ, ইউনিসেফের উপ-প্রতিনিধি ভিরা মেন্ডোনকা, বাংলাদেশে কানাডা হাইকমি’শনের হেড অব ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিট্যান্স ফেদ্রা মুন ম’রিস বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ-এর

 

পরিচালক (প্রো’গ্রাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোয়ালিটি) রিফাত বিন সাত্তার এই ক্যাম্পেইনের পটভূমি এবং বিভিন্ন উদ্যো’গ নিয়ে আলোকপাত করেন। বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে মূল প্রব’ন্ধ উপস্থাপনা করেন ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোরশেদ। ওয়ার্ল্ড ভিশনের পরিচালক টনি মাইকেল অনুষ্ঠানটি সমন্বয় ও সঞ্চালনা করেন।

 

 

Check Also

ভারতের বিরো’ধিতায় সিদ্ধা’ন্ত বদলালো আইসিসি

বেশ কিছুদিন আগেই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নি’শ্চিত করেছিল যে ২০২৩-৩১ সাল পর্যন্ত টুর্নামেন্টগুলো বিডিং …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *