হাইকোর্টের নির্দেশ পেলে আল জাজিরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন হাইকোর্টের নির্দেশ পেলে আল জাজিরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাঁচদিনের ভারত সফর থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা ফিরে শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়

 

তথ্যমন্ত্রী তার চট্টগ্রাম নগরীর বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। মতবিনিময়কালে তাদের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, হাইকোর্টের নির্দেশ পেলে আল জাজিরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

হাইকোর্ট যদি এদেশে এর সম্প্রচার বন্ধের আদেশ দেন, সেক্ষেত্রে হাইকোর্টের আদেশ আমাদেরকে মানতে হবে।’ ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা চাইলে আল জাজিরার সম্প্রচার আমাদের দেশে বন্ধ করতে পারতাম,

 

অনেক দেশে বন্ধ করা হয়েছে এবং বন্ধ রয়েছে, এমনকি ভারতেও কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। এখনো কয়েকটি দেশে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ আছে। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যেহেতু গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে তাই আমরা সেই উদ্যোগ নিইনি।’

 

‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন দরকার, দায়িত্বশীলতারও প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু স্বাধীনতা মানে এই নয় যে, ভুল, মিথ্যা, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অপরের স্বাধীনতাহরণকারী সংবাদ

 

 

পরিবেশন করা, এটি কোনভাবেই সমীচিন নয়’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আল জাজিরার মিথ্যা-বানোয়াট রিপোর্ট কিছু কাট-পেস্ট করে প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত আ’ক্রো’শের বশবর্তী হয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।’

 

 

সাংবাদিকরা এসময় ‘করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিএনপি নেতারা অনেক ধরণের বিরোধিতা করে আসছিল, এখন তারাও ভ্যাকসিন নিচ্ছেন’ উল্লেখ করে এবিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অনেক অপপ্রচার চালিয়েছেন।

 

তারা প্রথমে বলেছেন, সরকার ভ্যাকসিন সময়মতো আনতে পারবেনা, যখন সময়মতো চলে এলো, তখন বললেন, এটি নিলে কোন কাজ হবেনা। এই ভ্যাকসিন দিয়ে বিএনপি নেতাদের মে’রে ফেলতে চাচ্ছেন এধরণের কথাও বলেছেন তারা।

 

তবে নানা ধরণের প্রশ্ন তুলে, দায়িত্বহীন অনেক কথা বলে শেষ পর্যন্ত বিএনপির অনেক নেতা করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, এবং নেয়ার পক্ষে কথাও বলেছেন, সেজন্য তাদের সাধুবাদ জানাই। কথা আছেনা ‘গাধা জল ঘোলা করে খায়’,

 

করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির ভুমিকাও সেরকমই ঘটেছে। আমরা চাই তারা ভ্যাকসিন নিয়ে সুস্থ ও সবল থাকুক।’ জিয়াউর রহমানের খেতাব প্রত্যাহার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন,

 

‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমানের ভুমিকা আসলে কি ছিল সেটি নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরনে তিনি প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তার খেতাব বাতিলের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ততো হয়নি এখনো। এটা নিয়ে জামুকাতে আলোচনা হয়েছে মাত্র।’

 

 

Check Also

দিনাজপুরে ৯০ বছর আগে বিয়ে করা স্ত্রী’কে আবার বিয়ে করলেন স্বামী

দিনাজপুরের বিরল উপজে’লায় বিয়ের ব’ন্ধনে আব’দ্ধ হয়েছেন শতবর্ষী বৃ’দ্ধ-বৃ’দ্ধা। বরের বয়স শতবর্ষ ও কনের বয়স …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *