বেরিয়ে এসেছে গু’রুত্ব পূর্ন তথ্য, ঘ’টনাস্থলে চারজনই ছিল

রাজধানীর কলাবাগান ডলফিন গলিতে ঘ’টে যাওয়া ঘ’টনাটি এখনো র’হস্য জনক হিসেবেথেকে গেছে এবং এই ঘ’টনার মূলহোতা যিনি অর্থাৎ ইফতেখার ফারদিন তিনি আ’ইনশৃ’ঙ্খলা বা’হিনীর কাছে সবকিছু স্বী’কার ক’রেছেন

 

এবং তার বাসার দারোয়ান এর কথার সাথে অনেকখানি মিলেছে তার কথা।এই ত’দন্তের ক্ষেত্রে অনেকটাই কার্যকারী ভূমিকা রেখেছে এই সিসিটিভির ফুটেজস’ম্প্রতি চাঞ্চল্যকর ঘ’টনা রাজধানীর কলাবাগানের একটি বাসায়

 

ডেকে নিয়ে ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমি এর ঘ’টনার মা’মলা। র’হস্য উদঘাটনে কাজ করছে সংশ্লি’ষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠান। এমনটিই দা’বি ক’রেছেন আনুশকার মা শাহানুরী আমিন। এ বিষয়ে

 

জানতে চাইলে শাহানুরী আমিন দেশের শী’র্ষস্থানীয় একটি গণমাধ্যমকে বলেন, এগুলো একদম মিথ্যা কথা। এ কথার একভাগেরও সত্যতা নেই। ফারদিনের স’ঙ্গে কোনো স’ম্পর্কই ছিল না আমা’র মে’য়ের। অ’ভিযু’ক্ত

 

ফারদিনের সাজা হলে আমি সন্তুষ্ট হবো। তিনি বলেন, ফারদিনের পরিবারের সদস্যরা এখন পর্যন্ত আমাদের স’ঙ্গেকোনো যোগাযোগ করেনি। ঘ’টনার দিন ফারদিন আমাকে ফোন দেয়ার পরে একাধিকবার তার ফোন ব’ন্ধ

 

করেছে আবার খু’লে ছে। আমি কখনো ফোন করে ফারদিনকে পেয়েছি আবার কখনো পাইনি। তিনি বলেন, আমা’র ধারণা ফোনে যোগাযোগ করে আনুশকাকে খাবারের স’ঙ্গে কিছুমিশিয়ে অ’চে/তন করে বাইরে থেকে

 

বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারণ, আনুশকা আমা’র অনুমতি ছাড়া কখনো কারো বাসায় কোনোদিন যায়নি।আনুশকার সাথে এই ঘ’টনা শেষে ফারদিনের কিছু একটা করা দরকার এমন তাগিদে’হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। তখন পালালেও ধ’রা পড়তো। ফারদিন নিজে ভালো এবং নি’র্দোষ সাজার জন্যআনুশকাকে হাসপাতা’লে নেয়।

 

আমাকে ফোন দেয়া- সবই ছিল তার কৌশল। এমনকি আমা’র মে’য়ের ফোন থেকেই আমাকে ফোন দেয় ফারদিন। আমা’র মে’য়ে হয়তো বাঁ’চার জন্য চেষ্টা করেছে।ওর বাবাকে ঘ’টনার দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ ক’রতেপারেননি। ব্যস্ত ছিলেন।মনে হয়, তখন আনুশকা কোনোভাবে বাঁ’চার জন্য

 

কৌশলে ফোন দেয়ার চেষ্টা করেছে।সে সুযোগ পেলে হয়তো আমাকেও ফোন দিতো। হ’ঠাৎ করে একবার একটি ফোন এসেছিল। শাহানুরী বলেন, আনুশকার পিঠে এবং পেছনে অসংখ্য কালসিটে দাগ দেখা গেছে। “র”’/”ক্ত”

 

জমে গেছে।আনুশকাকে যেভাবে বি’কৃত করে না ফেরার দেশে পা’ঠানো হয়েছিল সেটা বোঝা গেছে। ওখানে এটা শুধু একজনের কাজ ছিল না। ঘ’টনাস্থলে তারা চারজনই ছিল ঘ’টনাস্থলে তারা চারজনই ছিল

 

 

Check Also

ভারতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে থাকবে বেদ, গীতা, রামায়ণ

প্রাচীন ভারতের জ্ঞান-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি চর্চা হিসেবে ভারতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে বেদ, গীতা, রামায়ণ পড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *