হাজার ভোটও পায়নি কেউ, আ.লীগ প্রার্থী পেলেন ১৫ হাজারের বেশি

 

বেসরকারিভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. তাকজিল খলিফা নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও

 

রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। এর ফলে তৃতীয় বারের মতো আখাউড়া পৌরসভার মেয়র পদে আসীন হচ্ছেন তাকজিল খলিফা। আখাউড়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক

 

তিনি। মেয়র পদে লড়াইয়ে চার প্রার্থীর মধ্যে নৌকা প্রতীকে তাকজিল খলিফা পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে মো. জয়নাল আবেদীন আব্দু পেয়েছেন ৭৭৮

 

ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল হক ভূঁইয়া নারিকেল গাছ প্রতীকে ৫৯৫ ভোট ও মো. শফিকুল ইসলাম মোবাইল ফোন প্রতীকে পেয়েছেন ২১১ ভোট। যদিও শফিকুল কা’রচু’পির অ’ভিযো’গে ভোট গ্রহণ চলাকালেই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

বিএনপি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ষ’ড়য’ন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিএনপি ষ’ড়য’ন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল

 

দিবস উপলক্ষে রাজধানীর তোপখানা রোডে প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সাংবাদিকরা বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য ‘হঠাৎ করেই সরকার পতনের খবর পাওয়া যাবে’র প্রতি

 

দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ কথার দুই ধরনের ব্যাখ্যা হয়। এক হচ্ছে, তারা ভেতরে ভেতরে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যেভাবে ষ’ড়য’ন্ত্র করেছিল, আমাদের সরকারের বিরুদ্ধেও ক্রমাগত ১২ বছর ধরে নানা ধরনের ষ’ড়য’ন্ত্রে

 

লিপ্ত। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা ষ’ড়য’ন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। আরেকটি হচ্ছে, তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এখন দৈব দুর্বিপাকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।’ বিএনপির সমাবেশ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘কালকের ঘটনার পর বিএনপি নেতাদের বক্তব্য

 

আমি কাগজে ও টেলিভিশনে দেখেছি। দুই কোটি মানুষের ঢাকা শহরে কয়েকশ মানুষের সমাবেশ যদি বিশাল সমাবেশ হয়, তাহলে বিএনপির জন্য পৃথিবীটা ছোট হয়ে আসছে এবং বুঝতে হবে, তারা জনগণ থেকে কতটুকু বিচ্ছিন্ন। গতকাল তারা খবরে শিরোনাম হতে চেয়ে গ’ণ্ডগো’ল করার জন্যই মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে

 

 

পুলিশের বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও রাস্তা অবরোধ করেছিল। জনগণের সুবিধার্থে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। সমাবেশ তো চট্টগ্রামসহ আরও বিভিন্ন জায়গায় হয়েছে, কোথাও তো এ ধরনের গ’ণ্ডগো’ল হয়নি।’

 

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা ও গণমাধ্যম যাতে সমাজের দর্পণ হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, ভুল ও অসত্য সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকে এবং সেটি হলে যাতে

 

প্রতিকার হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই প্রেস কাউন্সিল গঠন করেছিলেন। প্রেস কাউন্সিল তখন থেকেই অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ‘আজকে প্রেস কাউন্সিল দিবস, ২০১৭ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে,

 

একটি বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গঠনের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য’ উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা অবাধ তথ্যপ্রবাহ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সেই বিশ্বাস রেখেই আজকে রাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে এবং গত ১২ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। মনে রাখতে হবে,

 

স্বাধীনতার সঙ্গে আসে দায়িত্বশীলতা। একজনের স্বাধীনতাকে যেন অপরের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, অপরের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর যেন হস্তক্ষেপ না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’ প্রেস কাউন্সিলের ক্ষমতা

 

বৃদ্ধির জন্য আমরা প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধন করতে যাচ্ছি, যাতে প্রেস কাউন্সিল বাস্তবতার নিরিখে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তাদেরকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা সুচারুভাবে পালন করতে পারে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা দুটিই নিশ্চিত করতে পারে’, বলেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা

 

একটি বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণে কাজ করছি। আজ দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন দেশে-বিদেশে নানা ধরনের ষ’ড়য’ন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষ’ড়য’ন্ত্রের ব্যাপারেও আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।’

 

 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে প্রেস কাউন্সিল সংশ্লিষ্ট সবাইকে এবং সকল গণমাধ্যমকর্মীকে শুভেচ্ছা জানান। আগামী দিনগুলোতে প্রেস কাউন্সিল আরও কার্যকর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে

 

বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তথ্যসচিব খাজা মিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত প্রেস কাউন্সিলকে দেশ, মানুষ ও গণমাধ্যমের স্বার্থে এগিয়ে নেয়া আমাদের কর্তব্য।’ এর আগে জাতীয় পতাকা ও প্রেস কাউন্সিলের পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসটি উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, সচিব খাজা মিয়া ও অ্যাডভোকেট রেজাউর রহমান।

 

 

Check Also

ভারতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে থাকবে বেদ, গীতা, রামায়ণ

প্রাচীন ভারতের জ্ঞান-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি চর্চা হিসেবে ভারতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে বেদ, গীতা, রামায়ণ পড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *