Breaking News

ভাই ব্রাদাররাই সর্বনাশ করছে

সরকারের বি’রুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অপপ্র’চার করছে, সরকারের বি’রুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য রাখছে, তারা বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের কারো না কারো ঘনিষ্ঠ ব’ন্ধুবান্ধব, ব্যবসায়ীক পার্টনার ইত্যাদি ছিলেন বলে দা’বি করেছে। তারা আওয়ামী লীগের সাথে বিভিন্ন সময়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ

 

মাধ্যমে তারা দা’বি করছেন। যাদের স’ঙ্গে তাদের স’স্পর্কের কথা বলা হচ্ছে তারা কেউ তা স্বী’কার করছেন না। সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউবে সরকারের বি’রুদ্ধে অপপ্র’চার করছেন তাজ হাশমী নামের তথাকথিত একজন

 

বিশেষজ্ঞ। তাজ হাশমী প্রতিটি টকশোতে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার ব’ন্ধু হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি সবগুলো বক্তব্যেই প্রথমে তার ব’ন্ধুকে স্মরণ করেন। ঐ উপদেষ্টা ছাত্রজীবনে তার ব’ন্ধু ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। উপদেষ্টার স’ঙ্গে তাজ হাশমীর কি স’স্পর্ক সেটি আলোচনার বিষয় নয় কিন্তু সত্যি সত্যি যদি তাজ হাশমী

 

উপদেষ্টার ব’ন্ধু হন তাহলে উপদেষ্টার পক্ষ থেকেও একটি বক্তব্য আসা উচিত যে তিনি তার ব’ন্ধু কিনা। যদি ব’ন্ধু না হয়, তাহলে সেই ব্যাপারে তার বক্তব্য আসা উচিত। সে’নাবা’হিনী থেকে বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে দু’র্নীতি র

 

দায়ে ব’রখাস্তকৃত কর্নেল শহীদ নিজেকে সে’নাপ্রধানের ব’ন্ধু হিসেবে পরিচয় দেন। একই স’ঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার স’ঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক স’স্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন। যাদের স’ঙ্গে তার স’স্পর্কের কথা তিনি

 

বলেছেন, তাদের সাথে তার আদৌ স’স্পর্ক আছে কিনা সেটি যেমন খতিয়ে দেখা দরকার, তেমনি তাদের পক্ষ থেকে প্রকৃত অবস্থা স’স্পর্কে জনগণকে জ্ঞাত করা উচিত। ডেভিড বার্গম্যানের স’স্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই।

 

ইতিমধ্যে সকলেই জানে যে, ডেভিড বার্গম্যান ড. কামাল হোসেনের জামাতা। ড. কামাল হোসেনের জামাতা হয়েও তিনি স্বাধীনতাবিরো’ধী, যু’দ্ধাপরাধীদের পক্ষ নেন এবং বঙ্গব’ন্ধু বিরো’ধী বক্তব্য রেখেছেন। এই থেকে ড. কামাল হোসেনের রাজনৈতিক অবয়ব জাতির সামনে পরি’ষ্কার হয়েছে।

 

তাসনিম খলিল নিজেকে বিএনপি বিরো’ধী সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন এবং আওয়ামী লীগের কার কার স’ঙ্গে স’স্পর্ক আছে তারও একটি ফিরিস্তি দেয়। দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগের বি’রুদ্ধে সবসময় ষ’ড়যন্ত্র হয়েছে ভেতর থেকে। বাহিরের লোকেরা আওয়ামী লীগের যতটা ক্ষ’তি করেছে, আওয়ামী লীগের ভি’তরের লোকরাই তার

 

চেয়ে বেশি ক্ষ’তি করেছে। ৭৫ এর ১৫ই আগস্টের ঘ’টনা ছিল আওয়ামী লীগের জন্য স’বচেয়ে বড় ট্রাজেডি। ৭৫ এর ১৫ই আগস্টের ঘ’টনা যদি আম’রা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখা যায় যে, খন্দকার মোশতাক, তাহের আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। বঙ্গব’ন্ধুর যারা খু’নি, এদের মধ্যে কয়েকজন বঙ্গব’ন্ধুর পরিবারের স’ঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিল।

 

বঙ্গব’ন্ধুর ভবনে তাদের যাওয়া আসা ছিল। এরাই সবচেয়ে বড় বিশ্বা’সঘাতকতা করেছে। এখন যারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা, উপদেষ্টার ব’ন্ধু, ভাই বলে পরিচয় দিচ্ছেন, তাদের সাথে এই সমস্ত আওয়ামী লীগের

 

নেতৃবৃন্দের স’স্পর্ক কি সেটাও যেমন দেখা উচিত, যাদের স’ঙ্গে স’স্পর্কের কথা বলা হচ্ছে তাদেরও পরি’ষ্কার করে বলা উচিত যে ঐ সমস্ত দু’র্বৃত্ত, অপপ্র’চারকারীদের স’ঙ্গে তাদের কোন স’স্পর্ক নেই। ভিডিওটি দে’খতে এখানে ক্লি’ক করুন

 

 

Check Also

অবশেষে মিলল ভিন্ন খবর – আনুশকার মৃ’ত্যু’র চা’ঞ্চ’ল্য’কর তথ্য দিল সিআইডি

ধ’র্ষ’ণে’র শি’কা’র’ রাজধানীর ইং”লিশ মি’ডিয়ামের ছাত্রী আনুশকার মৃ’ত্যুর র’হস্য উ’ন্মোচন করেছে গো’য়েন্দা পু’লিশ। বেরিয়ে এসেছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *