Breaking News

শিক্ষার্থীরা চাইছেন পদত্যা’গ, প্রক্টর বললেন ‘উপস্থাপনের ভুল’

‘ক্যাম্পাসের বাইরের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব আমি নেব না’- শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হা’মলা র সময় ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান এমন বক্তব্য দিয়েছেন অ’ভিযোগ

 

করে তার পদত্যা’গ দা’বি ক’রেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে পূর্বের তিন দ’ফা দা’বির স’ঙ্গে প্রক্টরের পদত্যা’গে র দা’বিটি যুক্ত করার কথা সাংবাদিকদের জা’নান শিক্ষার্থীরা। বলেন,

 

‘প্রক্টরকে তার বক্তব্যের জন্য ক্ষ’মা চাইতে হবে। অন্যথায় তার পদত্যা’গ ক’রতে হবে।’ গতকাল শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংল’গ্ন গেরুয়া বাজার এলাকায় শিক্ষার্থীদের স’ঙ্গে স্থা’নীয়দের সংঘ’র্ষ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের

 

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এমন বক্তব্য দেন। একই সুরে উপ’চার্য অধ্যাপক ফারজা’না ইসলামও সাংবাদিকদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন বলে জা’নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক’র্মরত সাংবাদিকরা। এ বিষয়ে জানতে প্রক্টর আ স ম

 

ফিরোজ উল হাসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি বলে জা’নান। বলেন, ‘আমি সাংবাদিকদের সামনে এমন কোনো বক্তব্য দিইনি। তবে, আম’রা তো আনঅফিসিয়ালি অনেক কথাই

 

বলেছি। আমি বলেছি, আম’রা গেটের ওইপাশে গেলে তো কিছু ক’রতে পারব না। আমাকে তো বাইরের এলাকার কেউ প্রক্টর হিসেবে মানবে না। তাই আমি বলেছি, ওপাশের প’রিস্থিতি তো আমি নিয়ন্ত্রণ ক’রতে পারব না। আম’রা

 

চেষ্টা করেছি গেটের ভি’তরে থেকে প’রিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ক’রতে।’ কিন্তু আমা’র এই কথাকে কেউ কেউ ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে বলেও দা’বি করেন তিনি। ফিরোজ উল হাসান বলেন, ‘আমি যদি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব না-ই নিতাম

 

তাহলে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ওই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকতাম না। তাদের চিকিৎ’সার ব্যব’স্থা করতাম না।’ প্রক্টর বলেন, গতকালের ঘ’টনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মা’মলা করা হবে। মা’মলার বিষয়ে প্র’স্তুতি নেওয়া

 

হচ্ছে। এছাড়া, উদ্ধুদ্ধ প’রিস্থিতিতে করণীয় ঠিক ক’রতে জ’রুরি সিন্ডিকেট সভা চলছে বলেও জা’নান তিনি। এদিকে, সিন্ডিকেট সভা শেষে বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী ও ইউজিসির সাথে বৈঠকে বসবেন উপা’চার্য। সেখানে

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খু’লে দেওয়া হবে কি হবে না- এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও জা’নান ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ফিরোজ উল হাসান। কিন্তু সেখানে হল খোলার বিষয়ে সিদ্ধা’ন্ত না আ’সলে হলে প্রবেশ করা শিক্ষার্থীদের কি হবে- এমন প্রশ্নে

 

তিনি বলেন, ‘আম’রা বার বার শিক্ষার্থীদের অনুরো’ধ করব যাতে তারা হল ছে’ড়ে দেয়। আম’রা আশা করব, তারা রাষ্ট্রের সিদ্ধা’ন্তকে সম্মান জা’নাবে।’ ক্যাম্পাস সংল’গ্ন এলাকা শিক্ষার্থীদের জন্য এখন নি’রাপদ না। তাহলে হলে

 

উঠা শিক্ষার্থীরা বের হয়ে কোথায় যাবে- এমন প্রশ্নে সবার সম্মিলিত চেষ্টায় ভালো সমাধান আসবে বলেই মনে করেন তিনি। বলেন, ‘আম’রা এখনও কোনো সিদ্ধা’ন্তে যাই নি। আগে আলোচনা হোক, দেখা যাক সেখানে কি সিদ্ধা’ন্ত

 

আসে। তারপর সবার জন্য যেটা ভালো, আম’রা সেটাই করব।’ এই প্র’তিবেদন লেখা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করছে পু’লিশ, তবে শিক্ষার্থীরা পু’লিশের প্রবেশে বা’ধা দিচ্ছেন। তবে শিক্ষার্থীরা পু’লিশের প্রবেশে বা’ধা দিচ্ছেন।

 

 

Check Also

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও পরীক্ষা নিয়ে যা জা’নাল শিক্ষা সচিব

করো’না ভা’ইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মা’র্চ থেকে ব’ন্ধ হয়েছে দেশের সব ধ’রনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *